নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: সাধারণ মানুষকে আর প্রশাসন বা বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে হবে না। তাঁদের মুশকিল আসান হিসেবে এবার শুরু হচ্ছে ‘দুয়ারে জেলাশাসক’ কর্মসূচি! মানুষের অভাব, অভিযোগ শুনতে প্রত্যন্ত গ্রামে বাড়ি বাড়ি হাজির হবেন স্বয়ং জেলাশাসক। প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে তিনি সরাসরি মানুষের মুখ থেকে শুনবেন সরকার তাঁদের জন্য যে সুবিধা চালু করেছে, তার কতটা প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছচ্ছে।
Advertisement
জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া এবিষয়ে বলেন,আমরা মানুষের দুয়ারে যাব। সেখানে সমস্ত লাইন ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকরাও থাকবেন। গ্রাম বৈঠকে বসেই যতটা সম্ভব সমস্যার সমাধান করা হবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত সন্ধ্যাবেলায় গ্রামে গিয়ে এই বৈঠক করা হবে। কারণ হিসেবে জেলাশাসক জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষ সব কাজ সেরে সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরেন। প্রশাসনিক আধিকারিকরাও অফিসের কাজ সেরে গ্রামে যাবেন। সবাইকে নিয়ে সংশ্লিষ্ট গ্রামের কোনও একটি বাড়ির চাতালে বসে বৈঠক করা হবে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, ১২ ডিসেম্বরের পর থেকে গ্রামে গ্রামে গিয়ে বৈঠক শুরু করবেন জেলাশাসক। প্রথমেই মালদহের আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রামগুলিতে বৈঠক করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর এক এক করে যাওয়া হবে প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে। কারণ সেখানকার মানুষ সাধারণত ইংলিশবাজারে সবসময় আসতে পারেন না। যেমন গাজোলের চাকনগর তার মধ্যে অন্যতম। এছাড়াও হরিশ্চন্দ্রপুর, বামনগোলা, কালিয়াচক-৩ ব্লকে এমন অসংখ্য প্রত্যন্ত গ্রাম রয়েছে।
জেলাশাসকের সঙ্গে প্রত্যেক বৈঠকে চারজন অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমা শাসক এবং বিডিওরা উপস্থিত থাকবেন। কিছু কিছু বৈঠক অতিরিক্ত জেলাশাসকরাও পরিচালনা করবেন।
বৈঠকে জেলাশাসক গ্রামবাসীর মুখ থেকে তাঁদের অভাব, অভিযোগ শুনবেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন কি না, গ্রামের কোথায় জল নেই, কোথায় রাস্তা তৈরি বা মেরামত করতে হবে, এমন সব কথা শোনা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গ্রামের স্বাস্থ্য পরিষেবা কেমন রয়েছে, আইসিডিএস প্রকল্পের কাজ কেমন চলছে, গ্রামবাসীরা রেশন পাচ্ছেন কি না, কোথাও সরকারি কাজ করাতে গিয়ে কী ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, সবটাই শুনবেন জেলাশাসক।
এক একটি গ্রামের জন্য ন্যূনতম দু’ঘন্টা বরাদ্দ করা হয়েছে। যেদিন যে গ্রামে বৈঠক হবে, আশেপাশের পাঁচ থেকে সাতটি গ্রামের মানুষকে ডেকে নেওয়া হবে সেখানে। এর ফলে এক একটি গ্রামের বৈঠকে কমপক্ষে পাঁচশো মানুষের জমায়েত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান, বিডিও, পুলিস, প্রশাসনের পাশাপাশি সমস্ত লাইন ডিপার্টমেন্ট এবং স্থানীয় জন প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। সকলের উপস্থিতিতে যতটা সম্ভব গ্রামে বসেই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করা হবে।
মালদহের ১৫টি ব্লকে১৪৬ টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে। প্রত্যেকটি গ্রাম পঞ্চায়েতে একটি করে দুয়ারে জেলাশাসক বৈঠকের আয়োজন করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত সন্ধ্যাবেলায় গ্রামে গিয়ে এই বৈঠক করা হবে। কারণ হিসেবে জেলাশাসক জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষ সব কাজ সেরে সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরেন। প্রশাসনিক আধিকারিকরাও অফিসের কাজ সেরে গ্রামে যাবেন। সবাইকে নিয়ে সংশ্লিষ্ট গ্রামের কোনও একটি বাড়ির চাতালে বসে বৈঠক করা হবে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, ১২ ডিসেম্বরের পর থেকে গ্রামে গ্রামে গিয়ে বৈঠক শুরু করবেন জেলাশাসক। প্রথমেই মালদহের আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রামগুলিতে বৈঠক করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর এক এক করে যাওয়া হবে প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে। কারণ সেখানকার মানুষ সাধারণত ইংলিশবাজারে সবসময় আসতে পারেন না। যেমন গাজোলের চাকনগর তার মধ্যে অন্যতম। এছাড়াও হরিশ্চন্দ্রপুর, বামনগোলা, কালিয়াচক-৩ ব্লকে এমন অসংখ্য প্রত্যন্ত গ্রাম রয়েছে।
জেলাশাসকের সঙ্গে প্রত্যেক বৈঠকে চারজন অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমা শাসক এবং বিডিওরা উপস্থিত থাকবেন। কিছু কিছু বৈঠক অতিরিক্ত জেলাশাসকরাও পরিচালনা করবেন।
বৈঠকে জেলাশাসক গ্রামবাসীর মুখ থেকে তাঁদের অভাব, অভিযোগ শুনবেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন কি না, গ্রামের কোথায় জল নেই, কোথায় রাস্তা তৈরি বা মেরামত করতে হবে, এমন সব কথা শোনা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গ্রামের স্বাস্থ্য পরিষেবা কেমন রয়েছে, আইসিডিএস প্রকল্পের কাজ কেমন চলছে, গ্রামবাসীরা রেশন পাচ্ছেন কি না, কোথাও সরকারি কাজ করাতে গিয়ে কী ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, সবটাই শুনবেন জেলাশাসক।
এক একটি গ্রামের জন্য ন্যূনতম দু’ঘন্টা বরাদ্দ করা হয়েছে। যেদিন যে গ্রামে বৈঠক হবে, আশেপাশের পাঁচ থেকে সাতটি গ্রামের মানুষকে ডেকে নেওয়া হবে সেখানে। এর ফলে এক একটি গ্রামের বৈঠকে কমপক্ষে পাঁচশো মানুষের জমায়েত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান, বিডিও, পুলিস, প্রশাসনের পাশাপাশি সমস্ত লাইন ডিপার্টমেন্ট এবং স্থানীয় জন প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। সকলের উপস্থিতিতে যতটা সম্ভব গ্রামে বসেই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করা হবে।
মালদহের ১৫টি ব্লকে১৪৬ টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে। প্রত্যেকটি গ্রাম পঞ্চায়েতে একটি করে দুয়ারে জেলাশাসক বৈঠকের আয়োজন করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।



