সংবাদদাতা, কাটোয়া : ধান কাটার মরশুম শেষ হতেই কাটোয়া মহকুমা জুড়ে জমিতে নাড়া পোড়ানো শুরু হয়েছে। সরকারি নির্দেশ অমান্য করেই দেদার চলছে নাড়া পোড়ানোর কাজ। কাটোয়া, কেতুগ্রাম ও মঙ্গলকোটের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে শুরু হয়েছে নাড়া পোড়ানো। জমিতে ধান কাটার পরেই নাড়া পোড়ানো হচ্ছে। দূষনের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
Advertisement
কাটোয়া মহকুমা কৃষি আধিকারিক প্রলয় ঘোষ বলেন, আমরা রোজ প্রচার চালাচ্ছি। তা সত্ত্বেও মানুষ সচেতন হচ্ছেন না। আমরা নাড়া পোড়াতে কৃষকদের নিষেধ করছি সবসময়।
জানা গিয়েছে, কাটোয়া-১ ব্লকের শ্রীখণ্ড, জাজিগ্রাম প্রভৃতি এলাকায় নিয়ম করে নাড়া পোড়ানো হচ্ছে। কেতুগ্রাম-২ ব্লকের ছোটো পুরুলিয়া, ভুলকুড়ি এলাকাতেও একই চিত্র। মঙ্গলকোটের দুরমুট, কৈচর, নিগনেও নাড়া পোড়ানো হচ্ছে। বিগত কয়েক বছরে ধান কাটার ক্ষেত্রে ব্যাপক হারে ব্যবহার করা হচ্ছে কম্বাইন হারভেস্টার। এই যন্ত্র মাত্র এক ঘন্টার মধ্যেই এক একর জমির ধান কেটে, ঝেড়ে সেই ধান বস্তা বন্দি করে দিতে সক্ষম। তাই চাষিরা শ্রমিক দিয়ে ধান কাটা, ঝাড়াই না করে ব্যবহার করছেন কম্বাইন হারভেস্টার। কিন্তু এই যন্ত্রে ধান কাটার পরও প্রায় ১০ ইঞ্চি করে নাড়া থেকে যায় জমিতে। আবার ধান ঝাড়ার পর যে কুটি তৈরি হয় তাও জমিতেই পড়ে থাকে। এই নাড়া পরিষ্কার করতে জমিতে আগুন লাগিয়ে দেন চাষিরা।
এক একর জমিতে ১২ থেকে ১৬ কুইন্টাল নাড়া ও খড় তৈরি হয়। এই নাড়া পোড়ানোর ফলে ব্যাপক হারে দূষণ ছড়ায় বলে জানাচ্ছেন পরিবেশবিদরা। ১০ কুইন্টাল নাড়া পুড়ে তৈরি হয় ১৪৬০ কেজি কার্বন ডাই অক্সাইড, ৬০ কেজি কার্বন মনোক্সাইড, প্রায় ২০০ কেজি ছাই। এ ছাড়াও সালফার ডাই অক্সাইড, মিথেন সহ একাধিক ক্ষতিকারক গ্যাস উৎপন্ন হয়। একরের পর একর জমির নাড়া পোড়ানোর ফলে কি পরিমাণে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কৃষিদপ্তর বারবার শিবির করে নাড়া না পুড়িয়ে কিভাবে সমস্যা মেটানো যায় তা চাষিদের জানাচ্ছেন। মালচার বা চপার জাতীয় যন্ত্র দিয়ে নাড়া কেটে জমির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয় চাষিদের। এতে যেমন ওই নাড়া জমিতে জৈব সারের কাজ করবে, পাশাপাশি জমির উর্বরতা বাড়বে। পাশপাশি ধান খেতে পড়ে থাকা খড় যন্ত্রের সাহায্যে গিঁট দিয়ে অনেক কম জায়গায় রাখা সম্ভব। পরে ওই খড় প্রয়োজন মত ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া খড় পচিয়ে মাশরুম চাষ, কেঁচো সার তৈরি ইত্যাদি করা যেতে পারে। তাতেও কাটোয়া মহকুমার বেশকিছু কৃষক আমন ধান কাটা শেষ হলেই জমিতে নাড়া পোড়ানো শুরু করে দেন।-নিজস্ব চিত্র
জানা গিয়েছে, কাটোয়া-১ ব্লকের শ্রীখণ্ড, জাজিগ্রাম প্রভৃতি এলাকায় নিয়ম করে নাড়া পোড়ানো হচ্ছে। কেতুগ্রাম-২ ব্লকের ছোটো পুরুলিয়া, ভুলকুড়ি এলাকাতেও একই চিত্র। মঙ্গলকোটের দুরমুট, কৈচর, নিগনেও নাড়া পোড়ানো হচ্ছে। বিগত কয়েক বছরে ধান কাটার ক্ষেত্রে ব্যাপক হারে ব্যবহার করা হচ্ছে কম্বাইন হারভেস্টার। এই যন্ত্র মাত্র এক ঘন্টার মধ্যেই এক একর জমির ধান কেটে, ঝেড়ে সেই ধান বস্তা বন্দি করে দিতে সক্ষম। তাই চাষিরা শ্রমিক দিয়ে ধান কাটা, ঝাড়াই না করে ব্যবহার করছেন কম্বাইন হারভেস্টার। কিন্তু এই যন্ত্রে ধান কাটার পরও প্রায় ১০ ইঞ্চি করে নাড়া থেকে যায় জমিতে। আবার ধান ঝাড়ার পর যে কুটি তৈরি হয় তাও জমিতেই পড়ে থাকে। এই নাড়া পরিষ্কার করতে জমিতে আগুন লাগিয়ে দেন চাষিরা।
এক একর জমিতে ১২ থেকে ১৬ কুইন্টাল নাড়া ও খড় তৈরি হয়। এই নাড়া পোড়ানোর ফলে ব্যাপক হারে দূষণ ছড়ায় বলে জানাচ্ছেন পরিবেশবিদরা। ১০ কুইন্টাল নাড়া পুড়ে তৈরি হয় ১৪৬০ কেজি কার্বন ডাই অক্সাইড, ৬০ কেজি কার্বন মনোক্সাইড, প্রায় ২০০ কেজি ছাই। এ ছাড়াও সালফার ডাই অক্সাইড, মিথেন সহ একাধিক ক্ষতিকারক গ্যাস উৎপন্ন হয়। একরের পর একর জমির নাড়া পোড়ানোর ফলে কি পরিমাণে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কৃষিদপ্তর বারবার শিবির করে নাড়া না পুড়িয়ে কিভাবে সমস্যা মেটানো যায় তা চাষিদের জানাচ্ছেন। মালচার বা চপার জাতীয় যন্ত্র দিয়ে নাড়া কেটে জমির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয় চাষিদের। এতে যেমন ওই নাড়া জমিতে জৈব সারের কাজ করবে, পাশাপাশি জমির উর্বরতা বাড়বে। পাশপাশি ধান খেতে পড়ে থাকা খড় যন্ত্রের সাহায্যে গিঁট দিয়ে অনেক কম জায়গায় রাখা সম্ভব। পরে ওই খড় প্রয়োজন মত ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া খড় পচিয়ে মাশরুম চাষ, কেঁচো সার তৈরি ইত্যাদি করা যেতে পারে। তাতেও কাটোয়া মহকুমার বেশকিছু কৃষক আমন ধান কাটা শেষ হলেই জমিতে নাড়া পোড়ানো শুরু করে দেন।-নিজস্ব চিত্র



