Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সরকারি ক্রয় কেন্দ্রে ধান নিতে টালবাহানা কৃষকদের স্বল্প দামে বিক্রির টোপ দালালদের

সরকারি ক্রয় কেন্দ্রে ধান নিতে টালবাহানা কৃষকদের স্বল্প দামে বিক্রির টোপ দালালদের
  • ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: এক সপ্তাহ ধরে ধূপগুড়ির সরকারি ধান ক্রয় কেন্দ্রের সামনে ধান পড়ে রয়েছে। কৃষকরা নির্দিষ্ট দিনে ধান আনলেও সিপিসি ধান নিচ্ছে না। ফলে, ওই কেন্দ্রের এক পাশে ধান রেখে ফিরে যেতে হচ্ছে কৃষকদের। ধান বিক্রি নিয়ে হয়রানি হচ্ছে তাদের। সেখানে ধান চুরি যাওয়ার ভয় থাকছে। তেমনই অনেকে ধান বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতেও অতিরিক্ত ভাড়া দিচ্ছেন। এই অব্যবস্থা নিয়ে ধান ক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত কোনও আধিকারিক বিষয়টি নিয়ে স্পষ্টভাবে বলতে চাননি। 
Advertisement
কৃষকদের দাবি, সরকারিভাবে ধান নিতে টালবাহানা করার ফলে ধান ক্রয় কেন্দ্রের আশেপাশে সক্রিয় হয়ে উঠেছে দালালচক্র। তারা খুব অল্প দামে ধান বিক্রির জন্য কৃষকদের প্রলোভিত করছে। তেমনি টালবাহানা ফলে ধানের অভাবি বিক্রিও চলছে। কেন্দ্রে দালালদের ধান আগে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ডাউকিমারীর কৃষক পবিত্র রায়। তিনি বলেন, তারিখ দেওয়ার নির্দিষ্ট দিনে ধান নিয়ে এলেও কেন্দ্র ধান নিতে রাজি হচ্ছে না। অপরদিকে দেখা যাচ্ছে দালালদের ধান আগে নেওয়া হচ্ছে। ধান দিতে আসা কৃষকদের ধান যখন নেওয়া হচ্ছে না, তখন দালালরা এসে কম দামে ধান বিক্রি টোপ দিচ্ছে। পরবর্তীতে এই ধান ফের তারা সরকারি ধান ক্রয় কেন্দ্রেই বিক্রি করবে। 
ধূপগুড়ির কৃষাণমান্ডি সহ ধূপগুড়ির সুপার মার্কেটে সরকারিভাবে ধান কেনা হয়। মধ্যবড়াগাড়ির বাসিন্দা শ্যামল দাস বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে কিশান মান্ডিতে ধান পড়ে রয়েছে। সোমবার ধান নিয়ে এসেও ফিরে যেতে হল। বারোঘরিয়ার কৃষক এক্রামূল হক বলেন, শুক্রবার ধান জমা দেওয়ার তারিখ ছিল। সেদিন থেকে আমাকে ঘোরানো হচ্ছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেও কিছু হয়নি। গয়েরকাটার কৃষক ধনেশ্বর রায় বলেন, কেন ধান নেবে না, তা পরিষ্কারভাবে আমাদের বলছে না। যদিও খাদ্যদপ্তরের জেলা আধিকারিক দেওয়া ওয়াঙ্গেল লামা বলেন, এরকমটা হওয়ার কারণ নেই। ধান ক্রয়-প্রক্রিয়া সঠিকভাবে চলছে। বিষয়টি আমি দেখব।
সম্পর্কিত সংবাদ