সংবাদদাতা, লালবাগ: লালবাগে গুলি চালানোর ঘটনার পরেই তড়িঘড়ি সরকারি জমি মাপজোপ শুরু হল। বুধবার জেলা পর্যটন দপ্তরের আধিকারিক এবং মুর্শিদাবাদ এস্টেটের ম্যানেজারের উপস্থিতিতে ওই জমি মাপজোখ করা হয়। জেলা পর্যটন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, জমি মাপজোখের প্রক্রিয়া মিটতেই জবরদখল মুক্ত করে সীমানা প্রাচীর দিয়ে ঘিরে ফেলা হবে। লালবাগের মহকুমা শাসক বনমালি রায় বলেন, লালবাগ শহরের গোলাপবাগে বাসস্ট্যান্ড ও দমকল কেন্দ্রের পিছনে সরকারি জায়গা জবরদখল করে অবৈধভাবে বেশকিছু বাড়ি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। ওই জমি দখলমুক্ত করার জন্য সীমানা নির্ধারণ করার কাজ শুরু হয়েছে। খুব শীঘ্রই জবরদখলদারীদের হটিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
Advertisement
জেলা পর্যটন দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ২০১০ সালে মুর্শিদাবাদ এস্টেটের প্রায় ১১ একর জমি রাজ্য পর্যটনকে হস্তান্তর করে। কিন্তু ওখানকার প্রায় এক একর জমি জবরদখল হয়ে গিয়েছে। এদিন সরকারি জমির সীমানা নির্দেশের জন্য মাপজোখ হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী সরকারি জমি দখলমুক্ত করার জন্য লালবাগ মহকুমা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি নোটিস দেওয়া হবে। তারপর আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, সোমবার সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদ পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গোলাপবাগে পর্যটন দপ্তরের অধীনে থাকা সরকারি জমি দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বিবাদে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চলে। ঘটনায় শহরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। জানা গিয়েছে, সরকারি তিন কাঠা জমির দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদ শুরু। সূত্রের খবর, এক পক্ষ ওই তিন কাঠা জমির চারিদিকে সীমানা প্রাচীর দিয়েছিল। অপর পক্ষ ওই সীমানা প্রাচীর ভেঙে দখলের চেষ্টা করে। তা নিয়েই ওইদিন সন্ধ্যায় দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। যার জেরে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চলে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি।
এদিকে চলতি মাসের প্রথম দিকে পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রামকৃষ্ণ পল্লিতে বোমা বিস্ফোরণ এবং সোমবার গুলি চালানোর ঘটনায় পুলিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন নাগরিকরা। পর্যটন মরশুমে শহর অশান্ত হয়ে ওঠায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। শহরের এক হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, বছরে শীতের দুই মাসই বেশি পর্যটকের দেখা পাওয়া যায়। বারবার বোমাবাজি, গুলি চালাচালির ঘটনা ঘটলে পর্যটকরা নবাবের শহর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন। লালবাগ মহকুমা পুলিস আধিকারিক আকুলকর রাকেশ মহাদেব বলেন, ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি বাকিদের খোঁজ চলছে।
প্রসঙ্গত, সোমবার সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদ পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গোলাপবাগে পর্যটন দপ্তরের অধীনে থাকা সরকারি জমি দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বিবাদে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চলে। ঘটনায় শহরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। জানা গিয়েছে, সরকারি তিন কাঠা জমির দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদ শুরু। সূত্রের খবর, এক পক্ষ ওই তিন কাঠা জমির চারিদিকে সীমানা প্রাচীর দিয়েছিল। অপর পক্ষ ওই সীমানা প্রাচীর ভেঙে দখলের চেষ্টা করে। তা নিয়েই ওইদিন সন্ধ্যায় দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। যার জেরে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চলে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি।
এদিকে চলতি মাসের প্রথম দিকে পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রামকৃষ্ণ পল্লিতে বোমা বিস্ফোরণ এবং সোমবার গুলি চালানোর ঘটনায় পুলিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন নাগরিকরা। পর্যটন মরশুমে শহর অশান্ত হয়ে ওঠায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে। শহরের এক হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, বছরে শীতের দুই মাসই বেশি পর্যটকের দেখা পাওয়া যায়। বারবার বোমাবাজি, গুলি চালাচালির ঘটনা ঘটলে পর্যটকরা নবাবের শহর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন। লালবাগ মহকুমা পুলিস আধিকারিক আকুলকর রাকেশ মহাদেব বলেন, ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি বাকিদের খোঁজ চলছে।



