সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: ডেবরা ব্লকে বেদখল হয়ে যাচ্ছে সরকারি জমি। ঝোপঝাড়ে চোখের আড়ালে চলে গিয়েছে বেশ কিছু জমি। এবার সেগুলিকে চিহ্নিত করে উদ্ধারে নামল ভূমিদপ্তর। সেই সব জমি সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যবহার করা হচ্ছে। এরকমই ন’ডেসিমেল জমিতে তৈরি হবে দমকল কেন্দ্র। ডেবরার বিএলএলআরও রূপবিলাস মণ্ডল বলেন, দমকল কেন্দ্রের জন্য দ্বারিকাপুরে ন’ ডেসিমেল জমি চিহ্নিত করে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরকে সেই জমি দমকল দপ্তরকে হস্তান্তর করতে বলা হয়েছে। পঞ্চায়েত সূত্রে খবর, বর্তমানে ডেবরার কোথাও আগুন লাগলে প্রায় ত্রিশ কিলোমিটার দূরে খড়্গপুর থেকে দমকলকে আসতে হয়। ডেবরায় দমকল কেন্দ্র হলে এই দুর্ভোগ আর থাকবে না।
Advertisement
বিএলএলআরও বলেন, রাধামোহনপুর ২ পঞ্চায়েতের তুরিয়া কিসমৎ গ্রামে এক নম্বর খতিয়ানের ১ একর ১৪ ডেসিমেল জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ২২ লাখ টাকা। বৃহস্পতিবার সেই জমিতে সরকারি বোর্ড টাঙানো হয়। তিনি বলেন, এরকম অনেক সরকারি জমি আছে। সেইসব জমি চিহ্নিত করা শুরু হয়েছে। কোথাও জমি দখল হয়ে গিয়েছে, কোথাও আবার ঝোপঝাড়ের আড়ালে হারিয়ে গিয়েছে অনেক জমি। অনেক জায়গায় সরকারি জমি দখলের চেষ্ট হচ্ছে। সেইসব জমি উদ্ধার করে সরকারি বোর্ড টাঙানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত এই কাজ শেষ হবে। এক আধিকারিক বলেন, জমির অভাবে অনেক সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়িত করা যায় না। এবার সে ব্যাপারে কড়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে। বিএলএলআরও বলেন, এখন জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের উদ্যোগে জল জীবন মিশন প্রকল্পের কাজ চলছে। সেখানে আমাদের জমি দিতে হচ্ছে। এই ব্লকে বেশ কিছু জমি দেওয়া হয়েছে। সেইসব জমিতে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। আরও জমি লাগতে পারে। তাই জমি চিহ্নিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
এই প্রকল্প ছাড়াও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জন্য জমি চাওয়া হয়েছে। আমরা কিছু জমি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জন্য চিহ্নিত করে প্রস্তাব জমা দিয়েছি। দপ্তর থেকে তাদের জমি হস্তান্তর করা হয়। পূর্তদপ্তরকেও জমি দেওয়া হবে। জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ শান্তি টুডু বলেন, এই ব্লকে প্রায় দশটা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ব্যক্তিগত বাড়িতে চলে। বালিচক মার্কেটে স্বসহায়ক গোষ্ঠীর ঘরে চলে। আমরা নিজস্ব ঘর করার জন্য জমি চেয়েছি। কিছু জায়গায় সেই সব জমিতে ঘর তৈরির কাজ শুরুও হয়েছে।
এই প্রকল্প ছাড়াও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জন্য জমি চাওয়া হয়েছে। আমরা কিছু জমি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জন্য চিহ্নিত করে প্রস্তাব জমা দিয়েছি। দপ্তর থেকে তাদের জমি হস্তান্তর করা হয়। পূর্তদপ্তরকেও জমি দেওয়া হবে। জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ শান্তি টুডু বলেন, এই ব্লকে প্রায় দশটা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ব্যক্তিগত বাড়িতে চলে। বালিচক মার্কেটে স্বসহায়ক গোষ্ঠীর ঘরে চলে। আমরা নিজস্ব ঘর করার জন্য জমি চেয়েছি। কিছু জায়গায় সেই সব জমিতে ঘর তৈরির কাজ শুরুও হয়েছে।



