নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: শুক্রবার দুর্ঘটনায় জখম হন বীরভূমের মল্লারপুরের বাসিন্দা মামনি বাউরি। তাঁকে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন পরিজনরা। সেখান থেকে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরিবারের লোকজন কোনওরকমে একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করেন। সেই চালক তাঁকে বর্ধমানের শূলিপুকুরের কাছে একটি নার্সিংহোমে নিয়ে চলে আসে। পরিবারের লোকজন তখনও বিষয়টি বুঝতে পারেননি। পরে বিল চাইতেই তাঁদের হুঁশ ফেরে।
Advertisement
পরিবারের দাবি, দু’দিনে মোটা অঙ্কের টাকা বিল করা হয়। মামনির স্বামী ট্রাক্টর চালকের কাজ করেন। এত টাকা দাবি করায় তাঁর মাথায় হাত পড়ে যায়। তিনি বলেন, গ্রামের লোকজনদের কাছে চেয়ে ৩০ হাজার টাকা জোগাড় করি। নার্সিংহোমের এক দালালের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স চালকের সম্পর্ক রয়েছে। তারাই যোগসাজশ করে স্ত্রীকে ওই নার্সিংহোমে ভর্তি করে। বিল কমানোর জন্য ওদের হাতেপায়ে ধরেছিলাম। বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক এদিন নার্সিংহোম অ্যাসোসিয়াশনের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বলেন, এসব দালালি বন্ধ করতে হবে। অ্যাম্বুলেন্স চালকদের কমিশন দিয়ে রোগী নিয়ে আসা হচ্ছে। কার কী আর্থিক অবস্থা তা দেখা হচ্ছে না। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সুবিধা না থাকলে সেটাও স্পষ্ট করে বলা হচ্ছে না। অ্যাম্বুলেন্স চালকরা নার্সিংহোমে রোগী ভর্তি করে ২০-২৫হাজার টাকা নিয়ে চলে যাচ্ছে। বিল দিতে হচ্ছে রোগীর পরিবারের লোকজনকে। নার্সিংহোম মালিকদের একটু মানবিক হতে হবে। বহু নার্সিংহোমে পরিকাঠমো নেই। সেসব না দেখা হলে আমরা আন্দোলনে নামব। বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশ সরকার বলেন, নার্সিংহোম মালিকদের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের এই যোগসাজশ বন্ধ হওয়া দরকার।
বর্ধমান জেলা পরিষদের মেন্টর মহম্মদ ইসমাইল বলেন, অভিযোগ আসার পর শূলিপুকুরের ওই নার্সিংহোমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এক ব্যক্তি সেখানে কয়েকটি বেড ভাড়া নিয়েছিল। সে-ই অ্যাম্বুলেন্স চালকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই রোগীকে নিয়ে আসে। জখম ওই মহিলার মাথায় আঘাত রয়েছে। ওই নার্সিংহোমে নিউরো চিকিৎসার সেভাবে বন্দোবস্ত নেই। তারপরও সেখানে মোটা অঙ্কের বিল কীভাবে করা হল তা বুঝতে পারছি না। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জয়রাম হেমব্রম বলেন, রোগীর পরিবার অভিযোগ করলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কোনও রোগীকে ঠকানো যাবে না। আর এক আধিকারিক বলেন, শূলিপুকুরের ঘটনা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। নাসিংহোমের পক্ষে শঙ্খ ঘোষ বলেন, ওরা নিজেরাই রোগী নিয়ে এসেছিল। যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে তা ঠিক নয়।
বর্ধমান জেলা পরিষদের মেন্টর মহম্মদ ইসমাইল বলেন, অভিযোগ আসার পর শূলিপুকুরের ওই নার্সিংহোমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এক ব্যক্তি সেখানে কয়েকটি বেড ভাড়া নিয়েছিল। সে-ই অ্যাম্বুলেন্স চালকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই রোগীকে নিয়ে আসে। জখম ওই মহিলার মাথায় আঘাত রয়েছে। ওই নার্সিংহোমে নিউরো চিকিৎসার সেভাবে বন্দোবস্ত নেই। তারপরও সেখানে মোটা অঙ্কের বিল কীভাবে করা হল তা বুঝতে পারছি না। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জয়রাম হেমব্রম বলেন, রোগীর পরিবার অভিযোগ করলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কোনও রোগীকে ঠকানো যাবে না। আর এক আধিকারিক বলেন, শূলিপুকুরের ঘটনা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। নাসিংহোমের পক্ষে শঙ্খ ঘোষ বলেন, ওরা নিজেরাই রোগী নিয়ে এসেছিল। যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে তা ঠিক নয়।



