সংবাদদাতা, ঘাটাল: বীরসিংহে সরকারিভাবে থাকার জায়গা রয়েছে, কিন্তু বীরসিংহ থেকে সেই সমস্ত ঘর বুকিং করার সুযোগ নেই। তাই এলাকায় থাকার সুযোগ না পেয়ে প্রাতঃস্মরণীয় মনীষীর জন্মস্থান বেড়াতে গিয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন বহু দর্শনার্থীরা। বার বার স্থানীয়ভাবে রুম বুকিংয়ের দাবি তুলেছেন দর্শনার্থীরা। কিন্তু দাবিকে মান্যতা দেয়নি কেউই। বীরসিংহ গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান তথা স্থানীয় তৃণমূল নেতা প্রশান্ত রায় বলেন, ‘আমারও বার বার দাবি জানিয়ে আসছি মহকুমা শাসকের কার্যালয় কিংবা বীরসিংহ উন্নয়ন পর্ষদের অফিস থেকে যেন বীরসিংহের গেস্ট হাউসের বুকিংয়ের ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু আমাদের প্রস্তাবকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এর ফলে দূরদূরান্তের দর্শনার্থীদের প্রায়ই সমস্যায় পড়তে হয়।’ বিগত শতাব্দীর নয়ের দশক বীরসিংহে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে থাকে থেকে। ওই সময় বাংলায় সাক্ষরতা অভিযান শুরু হয়। তখনই বঙ্গীয় সাক্ষরতা প্রসার সমিতির উদ্যোগে বীরসিংহে বিদ্যাসাগর মেলারও সূচনা করা হয়। ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে আয়োজিত ওই মেলাতে বিভিন্ন জেলা থেকে প্রচুর পরিমাণ মানুষ আসতে শুরু করে। কয়েক বছর মেলা চলার পরই বঙ্গীয় সাক্ষরতা প্রসার সমিতির সম্পাদক তথা সিপিএম নেতা বিমান বসু বীরসিংহে একটি গেস্ট হাউস তৈরি করার প্রস্তাব দেন। তারপরেই রাজ্য সরকারের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের উদ্যোগে বীরসিংহে একটি গেস্ট হাউস তৈরি হয়।
Advertisement
ওই গেস্ট হাউসের বর্তমান কেয়ারটেকার সুভাষ সাঁতরা জানান, গেস্ট হাউসটিতে ভিআইপিদের জন্য দুটি রুম আছে। এছাড়াও দুটি ডরমেটরিতে মোট ১১টি শয্যা রয়েছে। সেই সঙ্গে কিচেন এবং রান্না করার মতো প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। মোট কথা ঘর বুকিং থাকলে কোনও সমস্যা হয় না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বামফ্রন্ট সরকারের আমলে ওই গেস্ট হাউসে থাকার জন্য স্থানীয়ভাবেই রুম বুকিং করা যেত। কিন্তু রাজ্যে পালা বদলের পর থেকে সেই নিয়ম বদলে যায়। বর্তমানে সল্টলেকের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের প্রধান কার্যালয় থেকে বীরসিংহের গেস্ট হাউস বুকিং করতে হয়।
২০১৯ সালে বিদ্যাসাগরের জন্ম দ্বিশত বার্ষিকীর সূচনা অনুষ্ঠানের সূচনা করতে বীরসিংহে এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই সময় তিনি বীরসিংহকে সাজিয়ে তোলার জন্য নানা রকম পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য বিভিন্ন দপ্তরকে নির্দেশ দেন। সেই থেকে বীরসিংহ ক্রমশ সেজে উঠছে। দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীও হয়ে উঠছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা গেল, বর্তমানে প্রতিদিন দূর দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা পরিবার নিয়ে বীরসিংহে আসেন। তাঁদের মধ্যে অনেকে দুপুরে বিশ্রাম বা রাতে থাকার জন্য ঘর খোঁজেন। বীরসিংহে বেরসরকারি কোনও থাকার জায়গা নেই। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা ওই গেস্ট হাউসে থাকতে চান। কিন্তু বুকিং করার সুযোগ না মেলায় দর্শনার্থীরা সমস্যায় পড়ে যান। জেলার জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের এক ইঞ্জিনিয়ার বলেন, ‘আমরাও জানি সল্টলেক থেকে বীরসিংহের গেস্ট হাউস বুকিং করে এখানে থাকাটা খুবই সমস্যার বিষয়। কিন্তু এটাই এখন সিস্টেম হয়ে গিয়েছে। তাই করার কিছু নেই।’
ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি বিকাশ কর বলেন, ‘এটা একটা সমস্যা ঠিকই। ওই গেস্ট হাউসটিকে আরও সাজিয়ে তারপর আমরা স্থানীয়ভাবে ঘর বুকিংয়ের ব্যবস্থা করার জন্য উদ্যোগ নেব।’
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বামফ্রন্ট সরকারের আমলে ওই গেস্ট হাউসে থাকার জন্য স্থানীয়ভাবেই রুম বুকিং করা যেত। কিন্তু রাজ্যে পালা বদলের পর থেকে সেই নিয়ম বদলে যায়। বর্তমানে সল্টলেকের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের প্রধান কার্যালয় থেকে বীরসিংহের গেস্ট হাউস বুকিং করতে হয়।
২০১৯ সালে বিদ্যাসাগরের জন্ম দ্বিশত বার্ষিকীর সূচনা অনুষ্ঠানের সূচনা করতে বীরসিংহে এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই সময় তিনি বীরসিংহকে সাজিয়ে তোলার জন্য নানা রকম পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য বিভিন্ন দপ্তরকে নির্দেশ দেন। সেই থেকে বীরসিংহ ক্রমশ সেজে উঠছে। দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীও হয়ে উঠছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা গেল, বর্তমানে প্রতিদিন দূর দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা পরিবার নিয়ে বীরসিংহে আসেন। তাঁদের মধ্যে অনেকে দুপুরে বিশ্রাম বা রাতে থাকার জন্য ঘর খোঁজেন। বীরসিংহে বেরসরকারি কোনও থাকার জায়গা নেই। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা ওই গেস্ট হাউসে থাকতে চান। কিন্তু বুকিং করার সুযোগ না মেলায় দর্শনার্থীরা সমস্যায় পড়ে যান। জেলার জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের এক ইঞ্জিনিয়ার বলেন, ‘আমরাও জানি সল্টলেক থেকে বীরসিংহের গেস্ট হাউস বুকিং করে এখানে থাকাটা খুবই সমস্যার বিষয়। কিন্তু এটাই এখন সিস্টেম হয়ে গিয়েছে। তাই করার কিছু নেই।’
ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি বিকাশ কর বলেন, ‘এটা একটা সমস্যা ঠিকই। ওই গেস্ট হাউসটিকে আরও সাজিয়ে তারপর আমরা স্থানীয়ভাবে ঘর বুকিংয়ের ব্যবস্থা করার জন্য উদ্যোগ নেব।’



