সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: সরকারি গাইডলাইনের তোয়াক্কা না করে রমরমিয়ে চলছে বালির স্টকইয়ার্ড। নকশালবাড়ির ঢাকনাজোতে ২ নম্বর এশিয়ান হাইওয়ের পাশে এরকম দুটি স্টকইয়ার্ড চলছে। অভিযোগ, সেখানে সরকারি গাইডলাইন মানা হচ্ছে না। কারণ, দূষণ রুখতে জমিয়ে রাখা বালির থেকে দুই ফুট উঁচু প্রাচীর দিতে হয়। কিন্তু, সেখানে তা দেওয়াই হয়নি। জনবসতি ঘেঁষে বালির স্টক ইয়ার্ড চলায় সমস্যা বেড়েছে। শুধু তাই নয়, কর্মাশিয়াল জমিতে বাণিজ্যিক সংক্রান্ত কাজের লিজ পাওয়া যায়। কিন্তু, চাষের জমিতেই চলছে কারবার। এমনকি, সংশ্লিষ্ট লিজ হোল্ডারদের নদীর ঘাটের বদলে অন্য নদীঘাট থেকে অবৈধভাবে বালি এনে জমিয়ে রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ। সেখানে সিসিক্যামেরারও নজরদারি নেই।
Advertisement
অভিযোগের জবাবে স্টকইয়ার্ডের লিজ হোল্ডার নিতু দুবের স্বামী দয়াশঙ্কর দুবে বলেন, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ছাড়পত্র পেয়েছি। সেটির ৫ বছর মেয়াদ রয়েছে। ওই জমিটি লিজ নিয়ে কাজ শুরু করেছি। ধুলোবালি নিয়ন্ত্রণ করতে সকাল বিকেল জল ঢালছি। এক সপ্তাহের মধ্যে সীমানা প্রাচীর সহ অন্য গাইডলাইন পূরণ করব। অপরএক লিজ হোল্ডার প্রশান্ত হাইত বলেন, ফাঁকা জায়গা হওয়ায় সিসিক্যামরা, কম্পিউটার সবটাই চুরি হচ্ছে। আমরা কমার্শিয়াল জমি ভাড়া নিয়ে কাজ করছি। অস্থায়ী জমিতে অতিরিক্ত সীমানা প্রাচীর বানানো ব্যায়বহুল বিষয়।
ওই ছাড়পত্রে জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসকের (ল্যান্ড) অনুমোদন রয়েছে। তাতে ১১ নম্বর শর্তে ভূমিদপ্তরের ব্লক, মহকুমাস্তরের আধিকারিকদের পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া আছে। অথচ বিষয়টি জানেন না নকশালবাড়ি বিএলআরও দেবরাজ বাগ। তিনি বলেন, স্টকইয়ার্ডের জন্য পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড ছাড়পত্র দিয়েছে। এতে আমাদের কোনও ভূমিকা নেই। কী গাইডলাইন রয়েছে তা আমার জানা নেই। এনিয়ে জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক (ল্যান্ড ) প্রেমকুমার তামাংকে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি উত্তর দেননি।
ওই ছাড়পত্রে জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসকের (ল্যান্ড) অনুমোদন রয়েছে। তাতে ১১ নম্বর শর্তে ভূমিদপ্তরের ব্লক, মহকুমাস্তরের আধিকারিকদের পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া আছে। অথচ বিষয়টি জানেন না নকশালবাড়ি বিএলআরও দেবরাজ বাগ। তিনি বলেন, স্টকইয়ার্ডের জন্য পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড ছাড়পত্র দিয়েছে। এতে আমাদের কোনও ভূমিকা নেই। কী গাইডলাইন রয়েছে তা আমার জানা নেই। এনিয়ে জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক (ল্যান্ড ) প্রেমকুমার তামাংকে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি উত্তর দেননি।



