সংবাদদাতা, কান্দি: বুধবার বড়ঞা ব্লকের কয়থা গ্রামে কৃষিদপ্তরের দেওয়া মিনিকিট তথা মসুর ও সর্ষের বীজ বিলি হল বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে। যদিও বিলি হওয়ার কথা কৃষিদপ্তরের অফিস থেকে। এনিয়ে স্থানীয় চাষি থেকে তৃণমূল নেতৃত্ব ব্যাপক ক্ষুব্ধ। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন কান্দির বিধায়ক তথা তৃণমূলের বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার একটি ট্রাক্টরে ওই বীজের বস্তাগুলি ডাকবাংলা গ্রামের কৃষিদপ্তরের অফিস থেকে নিয়ে যাওয়া হয় কয়থা গ্রামে। এরপর বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আবুল হাসনাতের বাড়িতে পৌঁছয় বীজভর্তি ট্রাক্টর। মঙ্গলবার হাসনাত সাহেবের বাড়ির একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, বস্তা থেকে ওই বীজগুলি প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগে ওজন করে ভরছেন দু’জন। পাশে আরও একজন রয়েছেন। দূরে চেয়ারে বসে রয়েছেন এক যুবক। আর লুঙ্গি পরে নির্দেশ দিচ্ছেন হাসনাত সাহেব। সেখানে কৃষিদপ্তরের কোনও কর্মীকে দেখা যায়নি। বাড়ির উঠানে বীজের প্যাকেটগুলি ডাঁই করে রাখা রয়েছে। পাশে রয়েছে বস্তা বস্তা মসুর ও সর্ষে বীজ। বুধবার ওই বীজের প্যাকেটগুলি এলাকার চাষিদের মধ্যে বিলি করা হচ্ছিল।
তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে বীজ বিলি হওয়ায় ক্ষুব্ধ চাষিরা। তাঁরা বলেন, এতদিন সরকারি বীজ তাঁরা কৃষিদপ্তর থেকেই নিয়ে এসেছেন। লাইন দিয়ে ওই বীজ নিতে হয়। কিন্তু এবছরই প্রথম তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে বীজ নিয়ে আসতে হচ্ছে। এতে তাঁদের আত্মসম্মানে লেগেছে।
এবিষয়ে পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হাসনাত সাহেব বলেন, চর্তুদিকে বীজ বিলি করা হচ্ছে। আসলে এই বীজগুলি লাঙলহাটা বিল এলাকার। ওই এলাকায় অনেক গ্রাম আছে। যাঁরা আসতে পারছেন না তাঁদের বাড়িতে পৌঁছে দিতে হচ্ছে। যাঁরা এনিয়ে আপত্তি তুলছেন তাঁরা আমার সঙ্গে দেখা করলে বিষয়টি বুঝিয়ে বলব। এনিয়ে স্থানীয় চাষি সহ তৃণমূল নেতৃত্ব ব্যাপক ক্ষুব্ধ।
বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা ব্লক তৃণমূলের সহকারী সভাপতি মাহে আলম বলেন, ওই বীজ বিলি হওয়া উচিত ছিল কৃষিদপ্তরের অফিস থেকে। কিন্তু বিলি করা হচেছ বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে। উনি সরকারি বীজ বিলিতে স্বজনপোষণ করছেন। টোটো করে নিজের কাছের লোকদের কাছে বীজ পাঠিয়ে দিচ্ছেন। এতে রাজ্য সরকারকে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে। যাঁরা এই বীজের আসল প্রাপক তাঁরা পাচ্ছেন না।
ঘটনায় বড়ঞা ব্লক সহকারী কৃষি অধিকর্তা সম্বিত মজুমদার বলেন, এব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারছি না। তবে এই ঘটনায় জেলা উপ কৃষি অধিকর্তা(প্রশাসন) মোহনলাল কুমার বলেন, বীজ বিলির ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত সমিতি যা সিদ্ধান্ত নেয় সেই মতোই বিলি করা হয়। মাস্টার রোল পাওয়ার পরই আমরা বীজ দিয়ে থাকি। যোগ্য চাষি এই বীজ পাচ্ছেন কিনা সেটাই দেখার। যদিও অপূর্ববাবু বলেন, রাজ্য সরকার পরিষ্কার বলেছে কৃষিদপ্তর থেকেই বীজ বিলি হবে। কোনও নেতার বাড়ি থেকে নয়। তাই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রীকে অভিযোগ জানানো হবে।
তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে বীজ বিলি হওয়ায় ক্ষুব্ধ চাষিরা। তাঁরা বলেন, এতদিন সরকারি বীজ তাঁরা কৃষিদপ্তর থেকেই নিয়ে এসেছেন। লাইন দিয়ে ওই বীজ নিতে হয়। কিন্তু এবছরই প্রথম তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে বীজ নিয়ে আসতে হচ্ছে। এতে তাঁদের আত্মসম্মানে লেগেছে।
এবিষয়ে পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হাসনাত সাহেব বলেন, চর্তুদিকে বীজ বিলি করা হচ্ছে। আসলে এই বীজগুলি লাঙলহাটা বিল এলাকার। ওই এলাকায় অনেক গ্রাম আছে। যাঁরা আসতে পারছেন না তাঁদের বাড়িতে পৌঁছে দিতে হচ্ছে। যাঁরা এনিয়ে আপত্তি তুলছেন তাঁরা আমার সঙ্গে দেখা করলে বিষয়টি বুঝিয়ে বলব। এনিয়ে স্থানীয় চাষি সহ তৃণমূল নেতৃত্ব ব্যাপক ক্ষুব্ধ।
বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা ব্লক তৃণমূলের সহকারী সভাপতি মাহে আলম বলেন, ওই বীজ বিলি হওয়া উচিত ছিল কৃষিদপ্তরের অফিস থেকে। কিন্তু বিলি করা হচেছ বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে। উনি সরকারি বীজ বিলিতে স্বজনপোষণ করছেন। টোটো করে নিজের কাছের লোকদের কাছে বীজ পাঠিয়ে দিচ্ছেন। এতে রাজ্য সরকারকে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে। যাঁরা এই বীজের আসল প্রাপক তাঁরা পাচ্ছেন না।
ঘটনায় বড়ঞা ব্লক সহকারী কৃষি অধিকর্তা সম্বিত মজুমদার বলেন, এব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারছি না। তবে এই ঘটনায় জেলা উপ কৃষি অধিকর্তা(প্রশাসন) মোহনলাল কুমার বলেন, বীজ বিলির ক্ষেত্রে পঞ্চায়েত সমিতি যা সিদ্ধান্ত নেয় সেই মতোই বিলি করা হয়। মাস্টার রোল পাওয়ার পরই আমরা বীজ দিয়ে থাকি। যোগ্য চাষি এই বীজ পাচ্ছেন কিনা সেটাই দেখার। যদিও অপূর্ববাবু বলেন, রাজ্য সরকার পরিষ্কার বলেছে কৃষিদপ্তর থেকেই বীজ বিলি হবে। কোনও নেতার বাড়ি থেকে নয়। তাই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রীকে অভিযোগ জানানো হবে।



