সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: পানীয় জলের সৌরচালিত পাম্প বসানোর ক’দিন পরই আর পরিষেবা মিলছে না। ফলে পরিস্রুত জলের অভাবকে সঙ্গী করেই পঠনপাঠন চালাতে হচ্ছে ধূপগুড়ির দক্ষিণ কাঠুলিয়া শিশুশিক্ষা কেন্দ্রে।
Advertisement
গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে ২০২৩-২৪ আর্থিকবর্ষে প্রায় ২লক্ষ ৪০হাজার টাকা ব্যয়ে বিদ্যাসাগর শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের সৌর জল প্রকল্পের কাজ করা হয়। পঞ্চায়েত প্রধান জানিয়েছেন, এই কাজের দায়িত্বে ছিলেন এলাকার তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান ধর্মনারায়ণ রায়। অভিযোগ, কাজ নিম্নমানের হয়েছে বলে ক’দিন পরিষেবার পর আর জল আসে না। এমনকী, বাকি কাজও শেষ করেনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। বাদ রয়েছে প্রকল্পের নীচের ঢালাই। এই নিয়ে ব্লক প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।
শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের কর্মী বিশাখী রায় বলেন, বাধ্য হয়ে রান্নার কাজের জন্য দূর থেকে জল নিয়ে আসতে হয়। অনিমা রায় নামে অভিভাবিকা বলেন, সৌর পাম্পটি কেউ দেখলেই বুঝতে পারবে, দায়সাড়া ভাবে কাজ হয়েছে। অথচ ব্লক প্রশাসন আধিকারিকরা পরিদর্শন করেছেন। দুঃস্থ পড়ুয়াদের জন্য পানীয় জলের প্রকল্প এভাবে নিম্নমানের কাজ করা একেবারেই উচিত হয়নি।
মাত্র ২৬ ফুট গর্ত করেই দায় সেরেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে জল ওঠার কোনও সম্ভাবনা নেই। বর্তমান গ্রাম প্রধান বিজয় রায় বলেন, এর দায়িত্বে ছিলেন এই গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান। তবে খুব তাড়াতাড়ি জলের ব্যবস্থা করা হবে। প্রাক্তন প্রধান ধর্মনারায়ণ রায় বলেন, এই বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেননি। শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের সহায়িকা সবিতা রায় বলেন, পানীয় জল ছাড়া ক্লাস করাতে খুবই সমস্যা হচ্ছে।
শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের কর্মী বিশাখী রায় বলেন, বাধ্য হয়ে রান্নার কাজের জন্য দূর থেকে জল নিয়ে আসতে হয়। অনিমা রায় নামে অভিভাবিকা বলেন, সৌর পাম্পটি কেউ দেখলেই বুঝতে পারবে, দায়সাড়া ভাবে কাজ হয়েছে। অথচ ব্লক প্রশাসন আধিকারিকরা পরিদর্শন করেছেন। দুঃস্থ পড়ুয়াদের জন্য পানীয় জলের প্রকল্প এভাবে নিম্নমানের কাজ করা একেবারেই উচিত হয়নি।
মাত্র ২৬ ফুট গর্ত করেই দায় সেরেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে জল ওঠার কোনও সম্ভাবনা নেই। বর্তমান গ্রাম প্রধান বিজয় রায় বলেন, এর দায়িত্বে ছিলেন এই গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান। তবে খুব তাড়াতাড়ি জলের ব্যবস্থা করা হবে। প্রাক্তন প্রধান ধর্মনারায়ণ রায় বলেন, এই বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেননি। শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের সহায়িকা সবিতা রায় বলেন, পানীয় জল ছাড়া ক্লাস করাতে খুবই সমস্যা হচ্ছে।



