নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: তাঁরা বসবাস করছেন শহরে। নিয়মিত গুনতে হচ্ছে পুরসভার ট্যাক্স। অথচ পানীয় জল পাচ্ছেন না! ঘটনাটি শান্তিপুরের কেসি দাস রোড সংলগ্ন ১১ নম্বর ওয়ার্ডের। প্রায় বছরখানেক ধরে শতাধিক পরিবারে ট্যাপ লাগানো থাকলেও জল আসেনি। কারণ শহরের ব্যস্ত রাস্তা কেটে পাইপ লাইন আনা যাচ্ছে না। ফলে দিনের পর দিন পানীয় জলের সমস্যা যত বাড়ছে ততই বাড়ছে ক্ষোভ।
Advertisement
শান্তিপুর শহরের অন্যতম জনবহুল এলাকা সূত্রাগড়। আর সেই অঞ্চলে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম কেসি দাস রোড। বলাই বাহুল্য, শান্তিপুর পুরসভা এলাকার এটি অন্যতম ব্যস্ত রাস্তা। কিন্তু, সেই রাস্তা সংলগ্ন ১১ নম্বর ওয়ার্ডে শতাধিক বাড়ি প্রতিনিয়ত পানীয় জলের সমস্যায় ভুগছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পানীয় জলের জন্য তাঁরা দিনের পর দিন প্রশাসনের কাছে দরবার করেছেন। কিন্তু, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। শহরের অন্যান্য ওয়ার্ডগুলিতে পানীয় জল এসে গেলেও তাঁরা ন্যূনতম পরিষেবা পাচ্ছেন না। দেড় বছর আগে থেকেই বাড়ি বাড়ি কানেকশন পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, তাতে জল কবে আসবে? এই প্রশ্নের উত্তর মেলে না।
স্থানীয় বাসিন্দা বন্দনা সরকার বলেন, বাড়ির সামনে ট্যাপ লাগিয়ে দিয়ে গিয়েছে পুরসভা। কিন্তু, তাতে জল কবে পড়বে সেটা বলে যায়নি। অনেকবার জিজ্ঞাসা করেছি। উত্তরে বলে রাস্তা পার করে পাইপ লাইন আনার সমস্যা। তার বিকল্প ব্যবস্থা কী হবে? সেটা নিয়ে প্রশাসন ভাবছে কি না আমরা জানি না।
গীতা প্রামাণিক বলেন, আজ কাল করতে করতে বছর পার করে গেল। কিন্তু, পানীয় জল পাইনি। ন্যূনতম পরিষেবাই যদি পুরসভার থেকে না পাব, তাহলে আর পুরসভা থেকে লাভ কী? পানীয় জলের প্রচণ্ড সমস্যা। গ্রীষ্মকালে তা চূড়ান্ত দুর্ভোগে পরিণত হয়। এর একটা পাকাপাকি সমাধান চাই। আশা করছি প্রশাসন আমাদের কথাটা এবার অন্তত ভাববে।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলার স্নিগ্ধা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমার ওয়ার্ডের অধিকাংশ জায়গাতেই পানীয় জলের কানেকশন রয়েছে। সংলগ্ন ১২ এবং ১৮ নম্বর ওয়ার্ড থাকায় সেখান থেকে পাইপ লাইন নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু, যেখানে সমস্যার কথা উঠে আসছে, সেখানে শতাধিক বাড়ি রয়েছে ঠিকই কিন্তু জল দিতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।
কারণ কেসি দাস রোডের দিকে পাইপ লাইন নেই। রাস্তা পার করে পাইপলাইন আনতে গেলে ওই রাস্তাটির অনেক অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এজন্য আমরা বিকল্প পথ ভাবছি। পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা চেষ্টা করছেন। আশা করছি, দ্রুত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
স্থানীয় বাসিন্দা বন্দনা সরকার বলেন, বাড়ির সামনে ট্যাপ লাগিয়ে দিয়ে গিয়েছে পুরসভা। কিন্তু, তাতে জল কবে পড়বে সেটা বলে যায়নি। অনেকবার জিজ্ঞাসা করেছি। উত্তরে বলে রাস্তা পার করে পাইপ লাইন আনার সমস্যা। তার বিকল্প ব্যবস্থা কী হবে? সেটা নিয়ে প্রশাসন ভাবছে কি না আমরা জানি না।
গীতা প্রামাণিক বলেন, আজ কাল করতে করতে বছর পার করে গেল। কিন্তু, পানীয় জল পাইনি। ন্যূনতম পরিষেবাই যদি পুরসভার থেকে না পাব, তাহলে আর পুরসভা থেকে লাভ কী? পানীয় জলের প্রচণ্ড সমস্যা। গ্রীষ্মকালে তা চূড়ান্ত দুর্ভোগে পরিণত হয়। এর একটা পাকাপাকি সমাধান চাই। আশা করছি প্রশাসন আমাদের কথাটা এবার অন্তত ভাববে।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলার স্নিগ্ধা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমার ওয়ার্ডের অধিকাংশ জায়গাতেই পানীয় জলের কানেকশন রয়েছে। সংলগ্ন ১২ এবং ১৮ নম্বর ওয়ার্ড থাকায় সেখান থেকে পাইপ লাইন নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু, যেখানে সমস্যার কথা উঠে আসছে, সেখানে শতাধিক বাড়ি রয়েছে ঠিকই কিন্তু জল দিতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।
কারণ কেসি দাস রোডের দিকে পাইপ লাইন নেই। রাস্তা পার করে পাইপলাইন আনতে গেলে ওই রাস্তাটির অনেক অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এজন্য আমরা বিকল্প পথ ভাবছি। পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা চেষ্টা করছেন। আশা করছি, দ্রুত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।



