নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: টোটোর ব্যাটারিতে রাতভর চার্জ দিতে গিয়েই বাঁকুড়া শহরের লালবাজারের ওই বাড়িতে শর্ট সার্কিটের জেরে আগুন ধরে যায়। ফরেন্সিক তদন্তের পর পুলিস আধিকারিকরা এমনটাই জানিয়েছেন। টোটো চার্জের জন্য প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রিক সংযোগ বাড়িতে ছিল কি না তাও পুলিস খতিয়ে দেখছে। প্রয়োজনে বিষয়টি নিয়ে দমকল ও বিদ্যুৎ দপ্তরের সঙ্গে কথা বলা হবে বলে আধিকারিকরা জানান। বাঁকুড়া সদর থানার এক আধিকারিক বলেন, অগ্নিদগ্ধে মৃত বাড়ির মালিক নিতাই পালের একটি টোটো রয়েছে। সেটি অন্য লোকে চালাত। কিন্তু, প্রতিদিন রাতে নিতাইবাবুর বাড়িতেই সেটির ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা হতো। ঘটনার রাতেও বাড়ির দরজার সামনের গলিতে টোটো রাখা ছিল। চার্জ দেওয়ার জন্য বাড়ির সুইচ বোর্ড থেকে তার গলি পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তারফলেই শর্ট সার্কিট হয়েছিল বলে ফরেন্সিক দলের সদস্যরা অনুমান করছেন। আমাদেরও প্রাথমিক তদন্তে তা মনে হয়েছিল।
Advertisement
বাঁকুড়ার পুলিস সুপার বৈভব তেওয়ারি বলেন, শর্ট সার্কিটের জেরেই লালাবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। আগুনে গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে যায়। ফলে লেলিহান শিখা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফরেন্সিক তদন্তের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার মাঝরাতে লালবাজার মাজিপাড়ার ওই বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে বৃদ্ধ দম্পতি নিতাই পাল(৬৫) ও মিনা পালের(৬১) মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় তাঁদের ছোট মেয়ে ও দুই নাতনি দগ্ধ হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসার জন্য তাঁদের দুর্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। নিতাইবাবুর বড় মেয়ে টুম্পা পাল রক্ষিত বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের বিষয়টি জানি। ঘটনার সময় আমি নিজের বাড়িতে ছিলাম। ফলে কীভাবে তা ঘটেছে, তা পুলিস তদন্ত করে বলবে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, টোটো বা ই-রিকশ যেহেতু ব্যবসায়িকভাবে ব্যবহৃত হয়, ফলে তা বাড়ির ‘ডোমেস্টিক’ সংযোগে চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। তারজন্য বিদ্যুৎ দপ্তরের অনুমতিও প্রয়োজন। ফলে সেই দিকটিও পুলিস খতিয়ে দেখছে। জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, খাগরাগড় কাণ্ডের পর যে কোনও ধরনের বিস্ফোরণকেই আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখে থাকি। কখনও গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে বাড়ির একাংশ কার্যত উড়ে যায়। গোটা চত্বর ভূমিকম্পের মতো কেঁপে ওঠে। ফলে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগা এবং শর্ট সার্কিটেরও প্রকৃত কারণের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে আমরা ফরেন্সিক তদন্ত করিয়েছি। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য থেকেও খোঁজ নেওয়া হয়েছে। ফলে ফরেন্সিকের রিপোর্ট রাজ্যেও পাঠানো হতে পারে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার মাঝরাতে লালবাজার মাজিপাড়ার ওই বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে বৃদ্ধ দম্পতি নিতাই পাল(৬৫) ও মিনা পালের(৬১) মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় তাঁদের ছোট মেয়ে ও দুই নাতনি দগ্ধ হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসার জন্য তাঁদের দুর্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। নিতাইবাবুর বড় মেয়ে টুম্পা পাল রক্ষিত বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের বিষয়টি জানি। ঘটনার সময় আমি নিজের বাড়িতে ছিলাম। ফলে কীভাবে তা ঘটেছে, তা পুলিস তদন্ত করে বলবে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, টোটো বা ই-রিকশ যেহেতু ব্যবসায়িকভাবে ব্যবহৃত হয়, ফলে তা বাড়ির ‘ডোমেস্টিক’ সংযোগে চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। তারজন্য বিদ্যুৎ দপ্তরের অনুমতিও প্রয়োজন। ফলে সেই দিকটিও পুলিস খতিয়ে দেখছে। জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, খাগরাগড় কাণ্ডের পর যে কোনও ধরনের বিস্ফোরণকেই আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখে থাকি। কখনও গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে বাড়ির একাংশ কার্যত উড়ে যায়। গোটা চত্বর ভূমিকম্পের মতো কেঁপে ওঠে। ফলে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগা এবং শর্ট সার্কিটেরও প্রকৃত কারণের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে আমরা ফরেন্সিক তদন্ত করিয়েছি। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য থেকেও খোঁজ নেওয়া হয়েছে। ফলে ফরেন্সিকের রিপোর্ট রাজ্যেও পাঠানো হতে পারে।



