নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: রবি মরশুমের শুরুতেই সার ও বীজ বিক্রি নিয়ে অনিয়ম। সর্বাধিক মূল্যের থেকেও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সার। অনেক ক্ষেত্রে চাষিদের দেওয়া হচ্ছে না ক্যাশ মেমো। সার কেনাবেচা নিয়ে এমনই সব অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে উত্তর দিনাজপুর জেলায়। বুধবার এনিয়ে জেলাশাসক দপ্তরের দ্বারস্থ হয় একটি সংগঠন।
Advertisement
ওই সংগঠন ও স্থানীয় সূত্রে দাবি,অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত রবি চাষ হয়। এই জেলার ক্ষেত্রে এই সময়কালে ভুট্টা, গম, আলু সহ ফুলকপি, বাঁধাকপি, লঙ্কা ও শীতের শাকসব্জি চাষ চলে। এরমধ্যে ভুট্টা, গম, আলুর জন্যই নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে সারের চাহিদা বেশি থাকে। এই সময় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সার নিয়ে কালোবাজারির চেষ্টা করেন। চাষিরা নির্ধারিত সময়ে চাষ শুরুর জন্য সার কিনতে মরিয়া থাকেন। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অযথা আকাল বলে গুজব রটিয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করার অভিযোগ উঠছে।
সামাজিক ন্যায় ও স্বাধিকার মঞ্চের অন্যতম সদস্য শাহিদুর রহমান এদিন বলেন, জেলার বিভিন্নপ্রান্তে সার বিকোচ্ছে বেশি দামে। বীজ ও সার কেনার ক্ষেত্রে ক্যাশ মেমো দিচ্ছে না ব্যবসায়ীরা। সার্টিফায়েড বীজের সঙ্গে নিম্নমানের মিশিয়ে বিক্রি হচ্ছে। দোকানের স্টক বোর্ডও ঠিক থাকে না।
এদিন অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) মানস মণ্ডলের কাছে চিঠি দিয়ে সমস্যার বিষয়টি তুলে ধরেছে ওই সংগঠন। অতিরিক্ত জেলাশাসকের প্রতিক্রিয়া জানতে তাঁর কার্যালয়ে গেলেও তিনি দেখা করেননি। ফোনও ধরেননি। পরে জেলা কৃষি আধিকারিক প্রিয়নাথ দাস বলেন, আমাদের কাছে ওই সংগঠন কোনও অভিযোগ করেনি। যথাসাধ্য নজরদারি চলছে। জেলার প্রায় দু’হাজার সারের দোকানে ধাপে ধাপে কথা বলছি। সার ব্যবসায়ী ও কৃষকদের নিয়ে একাধিকবার আলোচনায় বসা হয়েছে।
সামাজিক ন্যায় ও স্বাধিকার মঞ্চের অন্যতম সদস্য শাহিদুর রহমান এদিন বলেন, জেলার বিভিন্নপ্রান্তে সার বিকোচ্ছে বেশি দামে। বীজ ও সার কেনার ক্ষেত্রে ক্যাশ মেমো দিচ্ছে না ব্যবসায়ীরা। সার্টিফায়েড বীজের সঙ্গে নিম্নমানের মিশিয়ে বিক্রি হচ্ছে। দোকানের স্টক বোর্ডও ঠিক থাকে না।
এদিন অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) মানস মণ্ডলের কাছে চিঠি দিয়ে সমস্যার বিষয়টি তুলে ধরেছে ওই সংগঠন। অতিরিক্ত জেলাশাসকের প্রতিক্রিয়া জানতে তাঁর কার্যালয়ে গেলেও তিনি দেখা করেননি। ফোনও ধরেননি। পরে জেলা কৃষি আধিকারিক প্রিয়নাথ দাস বলেন, আমাদের কাছে ওই সংগঠন কোনও অভিযোগ করেনি। যথাসাধ্য নজরদারি চলছে। জেলার প্রায় দু’হাজার সারের দোকানে ধাপে ধাপে কথা বলছি। সার ব্যবসায়ী ও কৃষকদের নিয়ে একাধিকবার আলোচনায় বসা হয়েছে।



