Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বরে ৬.৩ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিল এসবিআই, বিগত ৪ বছরে সবচেয়ে বেহাল দশায় জিডিপি

সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বরে ৬.৩ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিল এসবিআই, বিগত ৪ বছরে সবচেয়ে বেহাল দশায় জিডিপি
  • ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিক, অর্থাৎ ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৬.২ থেকে ৬.৩ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে। সাম্প্রতিক রিপোর্টে এমনটাই দাবি করেছে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (এসবিআই)। তাদের বক্তব্য, দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক, অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি যা ছিল, তার চেয়ে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। প্রসঙ্গত, সরকারিভাবে তৃতীয় ত্রৈমাসিকের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়ার কথা ২৮ ফেব্রুয়ারি। 
Advertisement
কেন্দ্রীয় সরকারের পরিসংখ্যান বিভাগ তাদের এর আগের পূর্বাভাসে জানায়, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে সার্বিকভাবে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার হতে পারে ৬.৪ শতাংশ। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই) পূর্বাভাস ছিল, জিডিপি বৃদ্ধির হার হতে পারে ৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ সরকার তার পূর্বাভাসে আরবিআইয়ের চেয়ে এই হার আরও ২০ বেসিস পয়েন্ট কমিয়েছে। প্রসঙ্গত, এত কম জিডিপি বৃদ্ধির হার গত চার বছরে হয়নি। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এই হার ছিল ৮.২ শতাংশ।
এসবিআই এর আগে তাদের এক রিপোর্টে দাবি করেছিল যে, চলতি অর্থবর্ষ শেষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার আরও ১০ বেসিস পয়েন্ট কমে গিয়ে হতে পারে ৬.৩ শতাংশ। তৃতীয় মাসিকের পূর্বাভাস দেওয়ার সময়ও তারা সারা বছরের পূর্বাভাসের পরিবর্তন করেনি, তা ৬.৩ শতাংশই রাখা হয়েছে। এসবিআই জানিয়েছে, চলতি ত্রৈমাসিক, অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে জিডিপি বৃদ্ধি পেতে পারে ৬.৫ শতাংশ হারে। তাদের দাবি, দেশের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণকারী মূল ক্ষেত্রগুলি বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, দ্বিতীয়ের তুলনায় তৃতীয় ত্রৈমাসিকে দেশের পরিস্থিতি ভালো হয়েছে। এই ব্যাপারে একটি সূচক ব্যবহার করেছে তারা। প্রথম  ত্রৈমাসিকে সেই সূচক ছিল ৭৮। দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে তা নেমে ৭১-এ পৌঁছয়। তৃতীয় ত্রৈমাসিকে তা ৭৫ হয়েছে, জানিয়েছে এসবিআই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির উপর আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির বিরূপ প্রভাব পড়েছে। তাঁদের কথায়, আমেরিকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এর আগে বিশ্বজুড়ে যে অস্থিরতার বাতাবরণ তৈরি করেছিল, মার্কিন  নির্বাচনের পর সেই অস্থিরতা আরও বেড়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার মাত্রা এতটা হবে, তা আগে বোঝা যায়নি। আমেরিকার নির্বাচনের প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে ইউরোপ এবং চীনের অর্থনীতির উপর, ব্যতিক্রম হয়নি ভারতের ক্ষেত্রেও।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ