নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: রাজ্যের সুপোষিত গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি দেখতে আসছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। বিভিন্ন জেলায় তারা ওই পঞ্চায়েতগুলি ঘুরে দেখবেন। আপাতত রাজ্যের ১৭টি পঞ্চায়েতকে সুপোষিত হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। তারমধ্যে পূর্ব বর্ধমানে তিনটি পঞ্চায়েত রয়েছে। সুপোষিত গ্রাম পঞ্চায়েত চিহ্নিত করার জন্য বেশকিছু গাইডলাইন কেন্দ্রীয় সরকার বেঁধে দিয়েছিল। ওই পঞ্চায়েত এলাকার ৮০ শতাংশের বেশি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শৌচালয় থাকতে হবে। স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরির জন্য যা কিছু দরকার সব করতে হবে। ওই পঞ্চায়েত এলাকাগুলিতে অপুষ্ট শিশুর সংখ্যা কম থাকতে হবে। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলি মাসে ২১দিন খোলা রাখতে হবে। নথিভুক্ত থাকা অধিকাংশ উপভোক্তাকে হাজির থাকতে হবে। ৮০ শতাংশ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পানীয় জলের বন্দোবস্ত থাকতে হবে। এই সমস্ত বিষয়গুলি মেনে চললেই সুপোষিত গ্রাম পঞ্চায়েত ঘোষণা করা হবে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক আয়েশা রানি এ বলেন, আমাদের জেলার বাগিলা, আমারুন ও হাটকালনা পঞ্চায়েত সুপোষিত।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলবেন। ঠিকমতো সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে কিনা তা জানতে উপভোক্তাদের সঙ্গেও কথা বলবেন। এক আধিকারিক বলেন, একসময় জেলার বহু পঞ্চায়েতেই স্থায়ী অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ছিল না। গ্রামের কারও বাড়ি বা ক্লাবে খাবার দেওয়া হতো। এখন সেই অবস্থার বদল হয়েছে। অধিকাংশ গ্রামেই পাকাবাড়িতে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চলে। কেন্দ্রের সামনে পুষ্টি বাগান তৈরি করতেও উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। তবে সেটা অধিকাংশ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রেই হয়নি।
জেলা প্রশাসনের আরেক আধিকারিক বলেন, অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলি ভালোভাবে চলছে। আগামী দিনে জেলায় সুপোষিত গ্রাম পঞ্চায়েতের সংখ্যা আরও বাড়বে। প্রতিটি জেলাতেই এই টার্গেট নেওয়া হয়েছে। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে পানীয় জল পৌঁছানোর কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। জল জীবন মিশন প্রকল্পেও কেন্দ্রগুলিতে জল পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি কেন্দ্রে টয়লেট তৈরির উপর জোর দেওয়া হবে। বহু অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের নিজস্ব জায়গা না থাকায় শৌচালয় তৈরি করা যায়নি। স্থায়ী জায়গা পাওয়া গেলে ১০০ শতাংশ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রেই শৌচালয় তৈরি করা যাবে।
তাছাড়া জেলায় সার্বিকভাবে অপুষ্ট শিশুর সংখ্যাও কমে গিয়েছে। অপুষ্ট শিশুদের চিহ্নিত করে আগেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাদের বাড়িতে আলাদাভাবে খাবার পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। অনেক আধিকারিক নিজের উদ্যোগেও এই কাজ করেছেন। সেই সাফল্যর কথাও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের কাছে রাজ্য সরকার তুলে ধরবে।
জেলা প্রশাসনের আরেক আধিকারিক বলেন, অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বাংলার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলি ভালোভাবে চলছে। আগামী দিনে জেলায় সুপোষিত গ্রাম পঞ্চায়েতের সংখ্যা আরও বাড়বে। প্রতিটি জেলাতেই এই টার্গেট নেওয়া হয়েছে। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে পানীয় জল পৌঁছানোর কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। জল জীবন মিশন প্রকল্পেও কেন্দ্রগুলিতে জল পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি কেন্দ্রে টয়লেট তৈরির উপর জোর দেওয়া হবে। বহু অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের নিজস্ব জায়গা না থাকায় শৌচালয় তৈরি করা যায়নি। স্থায়ী জায়গা পাওয়া গেলে ১০০ শতাংশ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রেই শৌচালয় তৈরি করা যাবে।
তাছাড়া জেলায় সার্বিকভাবে অপুষ্ট শিশুর সংখ্যাও কমে গিয়েছে। অপুষ্ট শিশুদের চিহ্নিত করে আগেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাদের বাড়িতে আলাদাভাবে খাবার পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। অনেক আধিকারিক নিজের উদ্যোগেও এই কাজ করেছেন। সেই সাফল্যর কথাও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের কাছে রাজ্য সরকার তুলে ধরবে।



