সোমনাথ চক্রবর্তী, ময়নাগুড়ি: বৃহস্পতিবার ময়নাগুড়ির মর্নিং স্টার স্কুলে পালিত হল বসন্ত উৎসব। যার নাম রাখা হয়েছিল ‘রাঙিয়ে দিয়ে যাও’। সকালে শোভাযাত্রার মধ্যেদিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। স্কুলের কাছেই দেবীনগরপাড়ার মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্কুলের কচিকাঁচাদের পাশাপাশি শিক্ষিকারাও অংশগ্রহণ করেন। বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান দেখতে পথচলতি প্রচুর মানুষ ভিড় জমায় মাঠে।
কিছুদিন আগে স্কুলের পক্ষ থেকে আনন্দমেলা, সরস্বতী পুজোর দিন বিজ্ঞান মেলা, স্কুলের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে যারা অংশগ্রহণ করেছিল এবং নজর কেড়েছিল তাদের এদিন ‘রাঙিয়ে দিয়ে যাও’ অনুষ্ঠান মঞ্চে পুরস্কৃত করা হয়। এদিন শোভাযাত্রার পর কচিকাঁচারা প্রথমে কবিতা পাঠ করে। পরে গান ও নৃত্যানুষ্ঠানে তারা অংশ নেয়। স্কুলের প্রতিটি ক্লাসের পড়ুয়া এই বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।
মর্নিং স্টার স্কুলে ২০১২ সাল থেকে বসন্ত উৎসব হয়ে আসছে। এই উৎসব শুরু করেছিলেন স্কুলের কর্ণধার বাবলু বণিক। জলপাইগুড়ি জেলায় এই স্কুল পঠনপাঠনের পাশাপাশি খেলাধুলোয় যথেষ্ট নাম করেছে। উৎকৃষ্টমানের পঠনপাঠনের জন্য দিল্লি থেকে ‘ইন্ডিয়ান গ্লোরি অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে এই স্কুল।
১৯৭৭ সালে স্থাপিত হয় মর্নিং স্টার স্কুল। এই স্কুলে প্লে হাউস থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি শিক্ষাতেও ছাত্রছাত্রীদের সমভাবে এখানে দক্ষ করে তোলা হয়। পড়াশোনার পাশাপাশি কম্পিউটার, নাচ, গান, কবিতা, তাইকোন্ড শেখানো হয়। ছাত্রছাত্রীদের স্পোকেন ইংলিশেও জোর দেওয়া হয়।
স্কুলের প্রিন্সিপাল পিয়ালী বণিক ঘোষ বলেন, আমাদের স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের ছোট থেকেই মানসিক বিকাশ ঘটানো হয়। ছোট বয়সের শিশুদের জন্য রয়েছে প্লে হাউজ। বসন্ত উৎসব উপলক্ষ্যে নাচ, গান ও কবিতার পাঠ করে পড়ুয়ারা। আমরা ভেষজ আবির দিয়ে প্রত্যেকে সুশৃঙ্খলভাবে দোল উৎসব পালন করলাম। বর্তমানে আমাদের স্কুলে পড়ুয়া ৬০০ জন। শিক্ষক শিক্ষিকা ৩২ জন। স্কুল আয়োজিত দোল উৎসবে প্রত্যেক পড়ুরা আনন্দ করেছে।