সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: একশৃঙ্গ গন্ডারের আবাসভূমি জলদাপাড়া। এই জাতীয় উদ্যানে কার ও এলিফ্যান্ট সাফারির অনলাইন বুকিং প্রথা তুলে দেওয়া হয়েছে। এখন টিকিট মিলছে অফলাইনে। ফলে হাতি, কার সাফারির টিকিটের জন্য রাতারাতি দালালচক্র গজিয়ে উঠেছে বলে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীদের অভিযোগ। অনলাইনে টিকিট কাটলে হকের টাকা সহজে পেয়ে যেতেন গাইড ও পর্যটকদের মনোরঞ্জনে নিযুক্ত আদিবাসীনৃত্য ও সঙ্গীতশিল্পীরা। অভিযোগ, সেই টাকা পেতে এখন অযথা হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁদের।
Advertisement
তাই দালালচক্র হটাতে সাফারির জন্য আগের মতোই অনলাইন বুকিং চালুর দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। তাঁরা গাইড, নৃত্য ও সঙ্গীত শিল্পীদের টাকা আগের মতোই টিকিট কাউন্টার থেকে দেওয়ার দাবি তুলেছেন। এই দাবিতে পর্যটন ব্যবসায়ীরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ইস্টার্ন ডুয়ার্স ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক আর বিমলার মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দাবিপত্র পাঠায়।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, হাতি ও কার সাফারির জন্য অনলাইন বুকিং প্রথা উঠে যাওয়ায় আমরা সমস্যায় পড়েছি। এলাকায় দালালচক্র গজিয়ে উঠেছে। তাই আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আগের মতোই হাতি, কার সাফারির অনলাইন বুকিং চালুর দাবি জানিয়েছি।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পর্যটন ব্যবসায়ীদের ওই দাবিপত্র নবান্নে পাঠানো হবে। উল্লেখ্য, হাতি ও কার সাফারির জন্য দেশ-বিদেশের পর্যটকরা আগে ঘরে বসেই সাফারির জন্য অনলাইন বুকিং করতে পারতেন। গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে এই সুবিধা তুলে দেওয়া হয়। এখন টিকিট কাউন্টারে লাইনে দাঁড়িয়ে ‘আগে এলে আগে পাবেন’ এই পদ্ধতিতে বুকিং হচ্ছে। আর অনলাইন বুকিং পদ্ধতি চালু থাকার সময় গাইড ও পর্যটকদের মনোরঞ্জনে স্থানীয় শিল্পীরা টিকিট কাউন্টার থেকেই সরকারিভাবে তাঁদের পারিশ্রমিক টাকা পেতেন। এখন সরাসরি পর্যটকদের কাছ থেকে সেই টাকা পেতে অযথা হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে তাঁদের অভিযোগ। যদিও পর্যটন ব্যবসায়ীদের অভিযোগ নিয়ে বনপ্তরের আধিকারিকরা কেউ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, হাতি ও কার সাফারির জন্য অনলাইন বুকিং প্রথা উঠে যাওয়ায় আমরা সমস্যায় পড়েছি। এলাকায় দালালচক্র গজিয়ে উঠেছে। তাই আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আগের মতোই হাতি, কার সাফারির অনলাইন বুকিং চালুর দাবি জানিয়েছি।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পর্যটন ব্যবসায়ীদের ওই দাবিপত্র নবান্নে পাঠানো হবে। উল্লেখ্য, হাতি ও কার সাফারির জন্য দেশ-বিদেশের পর্যটকরা আগে ঘরে বসেই সাফারির জন্য অনলাইন বুকিং করতে পারতেন। গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে এই সুবিধা তুলে দেওয়া হয়। এখন টিকিট কাউন্টারে লাইনে দাঁড়িয়ে ‘আগে এলে আগে পাবেন’ এই পদ্ধতিতে বুকিং হচ্ছে। আর অনলাইন বুকিং পদ্ধতি চালু থাকার সময় গাইড ও পর্যটকদের মনোরঞ্জনে স্থানীয় শিল্পীরা টিকিট কাউন্টার থেকেই সরকারিভাবে তাঁদের পারিশ্রমিক টাকা পেতেন। এখন সরাসরি পর্যটকদের কাছ থেকে সেই টাকা পেতে অযথা হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে তাঁদের অভিযোগ। যদিও পর্যটন ব্যবসায়ীদের অভিযোগ নিয়ে বনপ্তরের আধিকারিকরা কেউ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।



