সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: এক সাফাইকর্মীকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বুধবার সকাল থেকে কাজ বন্ধ করে রাখেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অস্থায়ী সাফাইকর্মীরা। ফলে রোগী পরিষেবার ক্ষেত্রে ওয়ার্ড পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কাজে বিঘ্ন ঘটে।
Advertisement
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে চন্দন মল্লিক নামে এক সাফাইকর্মী হাসপাতালের একটি ভ্যাটের তালা ভাঙেন। হাসপাতাল সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক সিসি ক্যামেরায় সেই ফুটেজ দেখেন। তারপর হাসপাতালের তরফে তিনি পুলিসের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মেডিক্যাল ফাঁড়ির পুলিস ওই সাফাইকর্মীকে গ্রেপ্তার করে। চন্দনের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি সেখানে আবর্জনা ফেলতে গিয়েছিলেন। ভ্যাটের চাবি না পেয়ে বিষয়টি এক সুপারভাইজারকে জানান। ওই সুপারভাইজারের নির্দেশে ভ্যাটের তালা ভাঙেন। তারপর পুলিস ওই সুপারভাইজারকে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়।
অস্থায়ী সাফাই কর্মীদের নেতা মনোজ মল্লিক বলেন, ওই সুপারভাইজারকে ছেড়ে চন্দন মল্লিককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। যার নির্দেশে চন্দন মল্লিক তালা ভাঙল তাকে কেন ছেড়ে দেওয়া হল? যে নির্দোষ তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর প্রতিবাদে এবং চন্দন মল্লিকের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এদিন কোনও সাফাইকর্মী কাজ করেননি। চন্দনের মুক্তির দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। আমরা অনির্দিষ্টকালের জন্য হাসপাতালে সাফাইয়ের কাজ বন্ধ রেখেছি।
চন্দন যতক্ষণ না পর্যন্ত মুক্তি পাবে, ততক্ষণ আমাদের এই ধর্মঘট আন্দোলন চলবে। এদিকে, অস্থায়ী সাফাই কর্মীদের এই আন্দোলনের জেরে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এদিন নোংরা হয়ে থাকে। বড়দিনের ছুটি থাকায় সুপার বা হাসপাতালের শীর্ষ আধিকারিকদের দেখা মেলেনি। ফলে রোগীরা সমস্যায় পড়েন।
হাসপাতালের অ্যাডিশনাল সুপার ডাঃ নন্দন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া তালা ভাঙা ঠিক হয়নি। তাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়েছে। সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক টেলিফোনে বলেন, গোটা ঘটনা
ক্যামেরার ফুটেজে যেমনটি দেখা গিয়েছে সেই মতো পুলিসে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিস তদন্ত করে দেখবে। তবে সুপারভাইজারকে কেন ছেড়ে দেওয়া হল, সেব্যাপারে হাসপাতালের তরফে কেউ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
অস্থায়ী সাফাই কর্মীদের নেতা মনোজ মল্লিক বলেন, ওই সুপারভাইজারকে ছেড়ে চন্দন মল্লিককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। যার নির্দেশে চন্দন মল্লিক তালা ভাঙল তাকে কেন ছেড়ে দেওয়া হল? যে নির্দোষ তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর প্রতিবাদে এবং চন্দন মল্লিকের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এদিন কোনও সাফাইকর্মী কাজ করেননি। চন্দনের মুক্তির দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। আমরা অনির্দিষ্টকালের জন্য হাসপাতালে সাফাইয়ের কাজ বন্ধ রেখেছি।
চন্দন যতক্ষণ না পর্যন্ত মুক্তি পাবে, ততক্ষণ আমাদের এই ধর্মঘট আন্দোলন চলবে। এদিকে, অস্থায়ী সাফাই কর্মীদের এই আন্দোলনের জেরে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এদিন নোংরা হয়ে থাকে। বড়দিনের ছুটি থাকায় সুপার বা হাসপাতালের শীর্ষ আধিকারিকদের দেখা মেলেনি। ফলে রোগীরা সমস্যায় পড়েন।
হাসপাতালের অ্যাডিশনাল সুপার ডাঃ নন্দন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া তালা ভাঙা ঠিক হয়নি। তাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়েছে। সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক টেলিফোনে বলেন, গোটা ঘটনা
ক্যামেরার ফুটেজে যেমনটি দেখা গিয়েছে সেই মতো পুলিসে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিস তদন্ত করে দেখবে। তবে সুপারভাইজারকে কেন ছেড়ে দেওয়া হল, সেব্যাপারে হাসপাতালের তরফে কেউ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।



