নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: বিরোধী দল নয়। এবার শিলিগুড়ি পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে ‘বাগ্যুদ্ধে’ জড়ালেন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দুই কাউন্সিলার। একজন জঞ্জাল সাফাই বিভাগের মেয়র পারিষদ মানিক দে। অপরজন ‘প্রতিবাদীমুখ’ ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার রঞ্জন শীলশর্মা। শনিবার সভায় জঞ্জাল সাফাই ইস্যু নিয়ে উভয়ের মধ্যে তুমুল কথা কাটাকাটি হয়। মেয়র গৌতম দেব বিষয়টি নিয়ে রিভিউ মিটিংয়ের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
Advertisement
এদিন বোর্ড মিটিংয়ে শহরের জঞ্জাল সাফাই নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিপিএম কাউন্সিলার মৌসুমি হাজরা। তাঁর অভিযোগ, শহরের সর্বত্র নিয়মিত সাফাই অভিযান চলছে না। নিকাশি নালায় জঞ্জাল জমছে। যার ফলে মশার উপদ্রব বাড়ছে। দীর্ঘদিন পাঁচজন সাফাইকর্মী ছুটিতে থাকলেও নতুন করে লোক দেওয়া হচ্ছে না।
সঙ্গে সঙ্গে জঞ্জাল সাফাই নিয়ে সরব হন স্থানীয় রাজনীতিতে বিতর্কিত ও প্রতিবাদীমুখ হিসেবে পরিচিত ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার রঞ্জন। তিনি বলেন, টেন্ডার ডেকে দ্রুত জঞ্জাল সাফাইয়ের নতুন সরঞ্জাম কেনা হয়। কিন্তু, খারাপ হওয়া যন্ত্রাংশ সারাই হয় না। এ ব্যাপারে বরো অফিসে বার বার জানিয়েও লাভ হচ্ছে না। হচ্ছে হবে বলে কাটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমার ওয়ার্ডে স্প্রে টিম দশটি। অথচ মেশিন মাত্র দু’টি। জোড়াপানি নদী সাফাইও বন্ধ রয়েছে।
জবাবে জঞ্জাল সাফাই বিভাগের মেয়র পরিষদ অবশ্য বলেন, এবার রেকর্ড বৃষ্টি হলেও শহরে জল দাঁড়ায়নি। সাফাই কর্মীরা ভালো কাজ করছেন বলেই শহরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোথাও কোনও সমস্যা হলে জঞ্জাল সাফাই বিভাগে জানাতে হবে। জোড়াপানি নদী সেচ দপ্তর সংস্কার করবে। এজন্য সেখানে লেবার নিয়োগ করা হয়নি। ছটপুজোর সময় সেখানে আর্থমুভার পাঠানো হয়েছিল। সেই সময় তা নেননি স্থানীয় কাউন্সিলার।
পাল্টা রঞ্জন বলেন, সেখানে আর্থ মুভার পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু, সেই নদীতে আর্থ মুভার নামানোর পরিস্থিতি নেই। কাজেই আর্থ মুভার ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে আপনার কাছে সঠিক তথ্য নেই। জঞ্জাল বিভাগের মেয়র পরিষদ আবার সরব হন। রঞ্জনও গলা ফাটান। দু’জনের বক্তব্য, পাল্টা বক্তব্যে সরগরম হয়ে ওঠে সভাকক্ষ।
এরপরেই মেয়র হস্তক্ষেপ করেন। তিনি বলেন, শহরে জঞ্জাল সাফাই সহ নাগরিক পরিষেবার মান অনেক উন্নত হয়েছে। জঞ্জাল সাফাইয়ের বিষয়টি নিয়ে শীঘ্রই রিভিউ মিটিং করা হবে।
সঙ্গে সঙ্গে জঞ্জাল সাফাই নিয়ে সরব হন স্থানীয় রাজনীতিতে বিতর্কিত ও প্রতিবাদীমুখ হিসেবে পরিচিত ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার রঞ্জন। তিনি বলেন, টেন্ডার ডেকে দ্রুত জঞ্জাল সাফাইয়ের নতুন সরঞ্জাম কেনা হয়। কিন্তু, খারাপ হওয়া যন্ত্রাংশ সারাই হয় না। এ ব্যাপারে বরো অফিসে বার বার জানিয়েও লাভ হচ্ছে না। হচ্ছে হবে বলে কাটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমার ওয়ার্ডে স্প্রে টিম দশটি। অথচ মেশিন মাত্র দু’টি। জোড়াপানি নদী সাফাইও বন্ধ রয়েছে।
জবাবে জঞ্জাল সাফাই বিভাগের মেয়র পরিষদ অবশ্য বলেন, এবার রেকর্ড বৃষ্টি হলেও শহরে জল দাঁড়ায়নি। সাফাই কর্মীরা ভালো কাজ করছেন বলেই শহরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোথাও কোনও সমস্যা হলে জঞ্জাল সাফাই বিভাগে জানাতে হবে। জোড়াপানি নদী সেচ দপ্তর সংস্কার করবে। এজন্য সেখানে লেবার নিয়োগ করা হয়নি। ছটপুজোর সময় সেখানে আর্থমুভার পাঠানো হয়েছিল। সেই সময় তা নেননি স্থানীয় কাউন্সিলার।
পাল্টা রঞ্জন বলেন, সেখানে আর্থ মুভার পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু, সেই নদীতে আর্থ মুভার নামানোর পরিস্থিতি নেই। কাজেই আর্থ মুভার ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে আপনার কাছে সঠিক তথ্য নেই। জঞ্জাল বিভাগের মেয়র পরিষদ আবার সরব হন। রঞ্জনও গলা ফাটান। দু’জনের বক্তব্য, পাল্টা বক্তব্যে সরগরম হয়ে ওঠে সভাকক্ষ।
এরপরেই মেয়র হস্তক্ষেপ করেন। তিনি বলেন, শহরে জঞ্জাল সাফাই সহ নাগরিক পরিষেবার মান অনেক উন্নত হয়েছে। জঞ্জাল সাফাইয়ের বিষয়টি নিয়ে শীঘ্রই রিভিউ মিটিং করা হবে।



