নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান ও সংবাদদাতা, কালনা: চেনা ছকের বাইরে হাঁটতে পারল না সিপিএম। দলে নতুন প্রজন্মকে গুরুত্ব দেওয়ার দাবি উঠেছিল। কিন্তু সেই পুরনোদেরই প্রাধান্য দিল বামেরা। সিপিএমের জেলা সম্পাদক পদেও নতুন মুখ আনার সাহসও তারা দেখায়নি। সৈয়দ হোসেনই ফের জেলা সম্পাদক হয়েছেন। অনেকেই অন্য এক নেতাকে পদে বসানোর পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। কিন্তু সেই দাবি দলে গুরুত্ব পায়নি। জেলা কমিটিতেও সেই পুরনো নেতাদেরই রাখা হয়েছে। তিনদিন ধরে চলা জেলা সম্মেলন রবিবার শেষ হয়েছে। কালনার পুরশ্রী মঞ্চে এই সম্মেলন হয়। এবারের সম্মেলনে জেলা কমিটি বর্ধিত করে ৫৫ থেকে ৬০জনের করা হয়েছে। জেলা সম্পাদক পদে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন সৈয়দ হোসেন। সম্মেলনের প্রথম দিনে ২৭ ডিসেম্বর প্রকাশ্য সভা করেন সিপিএমের রাজ্য কমিটির সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। পাশাপাশি শনি ও রবিবার দু’দিন ধরে কালনার পুরশ্রী মঞ্চে দলীয় কর্মসূচি পালিত হয়। মহম্মদ সেলিম ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন যুব নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় সহ নেতৃত্বরা। সম্মেলনে দলীয় কর্মীদের আরও জনসংযোগ বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে দলের কর্মীদের দাবি। এছাড়াও কাটোয়ার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও কালনার সেতুর ইস্যু নিয়ে সম্মেলনে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
Advertisement
রবিবার সম্মেলনের শেষদিনে সাংবাদিক সম্মেলনে মহম্মদ সেলিমকে প্রশ্ন করা হয়, নবীন প্রজন্মকে তেমনভাবে দলীয় কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না কেন ? প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, নবীন-প্রবীণদের সমন্বয়ে কমিটি তৈরি হয়েছে। একত্রিশের নীচের নবীন ও পঞ্চাশের ঊর্ধ্ব প্রবীণদের নিয়ে কমিটি হয়েছে। রাতারাতি প্রবীণদের সরিয়ে দিতে পারি না। সমন্বয়ের মধ্যে দিয়ে মানুষের পাশে থেকে দল এগিয়ে যাবে।
সিপিএম সূত্রে জানা গিয়েছে, মানুষের কাছে না পৌঁছতে পারার জন্য একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দলের কিছু নেতা বলেন, প্রতিকূলতা থাকবে। এসবকে অতিক্রম করেই বামেদের এগিয়ে যেতে হয়। কিন্তু সেই লড়াইয়ের মানসিকতা অনেকের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে না। নবীন নেতাদের একাংশের মধ্যে লড়াই করার মানসিকতা রয়েছে। তাঁদের আরও বেশি করে গুরুত্ব দেওয়া হবে। প্রবীণ নেতাদের জায়গা করে দেওয়ার জন্যই জেলা কমিটিতে সদস্যর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। মহিলাদের আরও বেশি করে জেলা কমিটিতে গুরুত্ব দেওয়ার দরকার ছিল বলে দলের একাংশর দাবি। তাঁদের মতে, মহিলারাই তৃণমূলের বড় ভোটব্যাঙ্ক। বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার তাঁদের মন জয় করেছে। কিন্তু এরাজ্যে মহিলাদের উপর আক্রমণও বেড়েছে। সেসব কিছু তুলে ধরার জন্যই কমিটিতে মহিলাদের গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে তাঁদের দাবি।
সিপিএম সূত্রে জানা গিয়েছে, মানুষের কাছে না পৌঁছতে পারার জন্য একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দলের কিছু নেতা বলেন, প্রতিকূলতা থাকবে। এসবকে অতিক্রম করেই বামেদের এগিয়ে যেতে হয়। কিন্তু সেই লড়াইয়ের মানসিকতা অনেকের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে না। নবীন নেতাদের একাংশের মধ্যে লড়াই করার মানসিকতা রয়েছে। তাঁদের আরও বেশি করে গুরুত্ব দেওয়া হবে। প্রবীণ নেতাদের জায়গা করে দেওয়ার জন্যই জেলা কমিটিতে সদস্যর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। মহিলাদের আরও বেশি করে জেলা কমিটিতে গুরুত্ব দেওয়ার দরকার ছিল বলে দলের একাংশর দাবি। তাঁদের মতে, মহিলারাই তৃণমূলের বড় ভোটব্যাঙ্ক। বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার তাঁদের মন জয় করেছে। কিন্তু এরাজ্যে মহিলাদের উপর আক্রমণও বেড়েছে। সেসব কিছু তুলে ধরার জন্যই কমিটিতে মহিলাদের গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে তাঁদের দাবি।



