Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সিপিএম ও কংগ্রেসের একাধিক পঞ্চায়েত সদস্যের তৃণমূলে যোগ

সিপিএম ও কংগ্রেসের একাধিক পঞ্চায়েত সদস্যের তৃণমূলে যোগ
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, করিমপুর: ২০২৬ সালে বিধানসভা ভোটে ভালো ফল করতে তৃণমূল সংগঠনকে আরও চাঙ্গা করতে চাইছে। সেই লক্ষ্যেই দলের জনসমর্থন বাড়াতে তারা উদ্যোগী হয়েছে। মঙ্গলবার তেহট্ট বিধানসভার করিমপুর-২ ব্লকের নারায়ণপুর-২ পঞ্চায়েতের তিনজন সিপিএম সদস্য ও নতিডাঙা-২ পঞ্চায়েতের একজন কংগ্রেস সদস্য সহ প্রায় ৩০০সমর্থক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এদিন তাঁরা কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের হাত থেকে দলীয় পতাকা হাতে তুলে নেন।
Advertisement
করিমপুর-১ ব্লকের আটটি ও করিমপুর-২ ব্লকের ছয়টি পঞ্চায়েত করিমপুর বিধানসভা তথা মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের আওতায় পড়ে। তবে করিমপুর-২ ব্লকের নতিডাঙা ১ ও ২ এবং নারায়ণপুর ১ ও ২ তেহট্ট বিধানসভা তথা কৃষ্ণনগর লোকসভার অন্তর্ভুক্ত। তেহট্ট বিধানসভায় জয়ের জন্য বরাবর নারায়ণপুর ১ ও ২ পঞ্চায়েত বড় ভূমিকা নেয়। লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে এই দুই পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা বরাবর তৃণমূলকে ভরসা দিয়েছেন। করিমপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সাজেজুল হক শাঁ মিঠু বলেন, একসময় এই এলাকা বামেদের শক্ত ঘাঁটি ছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একের পর এক উন্নয়নমূলক কাজে খুশি হয়ে এলাকার ৯০শতাংশ মানুষ আমাদের দলকে সমর্থন করেন। আগামী দিনে বাকি মানুষও আমাদের পক্ষে সামিল হবেন ও দলের সংগঠন মজবুত করবেন।সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া পল্টু হালসানা বলেন, অন্য দলে থেকে এলাকার মানুষের কোনও কাজ করতে পারছিলাম না। দিদির নেতৃত্বে উন্নয়নের শরিক হয়ে মানুষের জন্য কাজ করার উদ্দেশ্যে তৃণমূলে এলাম।কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন, করিমপুর-২ ব্লকের নারায়ণপুর এলাকায় বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি বিরোধী শিবির ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন। এছাড়া, বহু কর্মীসমর্থক ঘাসফুল শিবিরে এসেছেন। মানুষ বিরোধীদের মুখোশ চিনে ফেলেছে। তাই মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নয়নে শামিল হতেই জনপ্রতিনিধিরা ঘাসফুলের ঝান্ডা ধরলেন।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ