সংবাদদাতা, বর্ধমান: সরকার নিযুক্ত স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর হাজির না থাকায় সিপিএম নেতা প্রদীপ তা ও কমল গায়েন খুনের মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে গেল। শুক্রবার বর্ধমানের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হওয়ার কথা ছিল। অভিযুক্ত ১৬ জন আদালতে হাজির ছিল। কিন্তু, ঘটনার অভিযোগকারী প্রবীরকুমার তা আদালতে গরহাজির ছিলেন। এই মামলায় সরকার দেবাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করেছে। তিনিও এদিন আদালতে হাজির হননি। যদিও অপর সরকারি আইনজীবী মানস বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে হাজির ছিলেন। তিনি স্পেশাল পিপি নিয়োগের বিষয়টি বিচারককে জানান। অভিযুক্তদের আইনজীবী বিশ্বজিৎ দাস ও আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে রয়েছে। অভিযোগকারী সাক্ষ্য দিতে আসছেন না। ফলে, অভিযুক্তদের ভুগতে হচ্ছে। এরপরই প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক বিভাস চট্টোপাধ্যায় আগামী বছর ২৪ এপ্রিল মামলার শুনানির দিন ধার্য করেছেন। সেদিন স্পেশাল পিপি ও অভিযোগকারীকে আদালতে হাজির থাকার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
Advertisement
২০১২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি দেওয়ানদিঘি এলাকায় সিপিএম একটি মিছিল বের করে। নেতৃত্বে ছিলেন প্রদীপ তা ও কমল গায়েন। দেওয়ানদিঘি মোড়ের কাছে তৃণমূলের লোকজন মিছিলে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। দুই সিপিএম নেতাকে ফেলে বেধড়ক পেটানো হয়। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক প্রদীপকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরজনকে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি মারা যান। ঘটনার বিষয়ে প্রবীর তা অভিযোগ দায়ের করেন। ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা পড়ে।



