জয়ন্ত সেন: ব্যাটল অব মিডফিল্ড। রবিবারের মহারণে মাঝমাঠের লড়াই দেখতে তর সইছে না। রড্রি, ওলমো বনাম এনজো ফর্নান্ডেজ, ম্যাক অ্যালিস্টার। সবুজ ক্যানভাসে স্ফুলিঙ্গ ছোটার অপেক্ষা। প্রতিপক্ষের উপর চাপ বাড়াতে হলে মাঝমাঠের দখল নেওয়াই প্রধান শর্ত।
জয়ন্ত সেন: ব্যাটল অব মিডফিল্ড। রবিবারের মহারণে মাঝমাঠের লড়াই দেখতে তর সইছে না। রড্রি, ওলমো বনাম এনজো ফর্নান্ডেজ, ম্যাক অ্যালিস্টার। সবুজ ক্যানভাসে স্ফুলিঙ্গ ছোটার অপেক্ষা। প্রতিপক্ষের উপর চাপ বাড়াতে হলে মাঝমাঠের দখল নেওয়াই প্রধান শর্ত।
আর্জেন্তিনা কোচ স্কালোনি ৪-৪-২ ফর্মেশনে দলকে খেলান। দ্রুতগতিতে প্রেসিংয়ের সঙ্গে প্রতিপক্ষের ছন্দ নষ্ট করাই প্রাথমিক লক্ষ্য। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিমিওনেকে নামিয়েছিলেন স্কালোনি। তরুণ মিডিও যেন খ্যাপা বাইসন। ফিজিক্যাল ফুটবলে বেলিংহ্যামদের ছন্দ নষ্ট করে দিলেন তিনিই। পারাদেসের অনুমান ক্ষমতার তারিফ করতে হয়। আসলে কাতার বিশ্বকাপের পর আর্জেন্তিনা স্কোয়াড তেমন বদলায়নি। ফুটবলারদের মধ্যে টেলিপ্যাথির যোগ। চোখে কাপড়ের ফেট্টি বেঁধেও নিখুঁত পাস বাড়াতে সমস্যা নেই। এনজো ফার্নান্ডেজও বিধ্বংসী। বক্সের বাইরে থেকে গোলার মতো শটে জাল কাঁপাতে দক্ষ। আর্জেন্তিনা মাঝমাঠে স্কিলের সঙ্গে দারুণভাবে পাওয়ার ফুটবল মিলিয়েছেন কোচ স্কালোনি। অনুমান করাই যায় যে, ইয়ামালদের কোনো স্পেস দেবে না স্কালোনি ব্রিগেড।
লুই ডে লা ফুয়েন্তে তিকি-তাকার পূজারি। পাসিং ফুটবলের রংমশাল। তাতে সৌন্দর্য অগাধ। কিন্তু টাফ ফুটবলের লেশমাত্র নেই। পাস খেলে প্রতিপক্ষের হতাশা বাড়ায় স্পেন। সেই ফাঁদে পা দিয়ে হাঁফফাঁস করে উলটোদিকের দল। রক্ষণ ও আপফ্রন্টের মধ্যে সেতুর কাজটা করেন রড্রি। সঙ্গী ওলমো ও রুইজ। স্পেন মাঝমাঠের অমর, আকবর, অ্যান্টনি। ব্যক্তিগত মত, ধুরন্ধর স্কালোনি প্রথমেই রড্রিকে অকেজো করতে চাইবেন। তবে ফুয়েন্তেও কোচেদের কোচ। নিশ্চয়ই আগাম ভাবনা তৈরি প্রফেসরের। দুর্জয় ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ফুয়েন্তের অসামান্য টেকনিক্যাল ফুটবল ভোলা যায় না। কিন্তু আর্জেন্তিনা কঠিন ইস্পাত। সেই বর্ম ভাঙতে গেলে অন্য ভাবনা দরকার।