সংবাদদাতা, কল্যাণী: হরিণঘাটায় শ্বশুরবাড়িতে জামাইয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় অবশেষে গ্রেপ্তার করা হয়েছে স্ত্রীকে। ধৃত মহিলার নাম ঊমা সাহা। পুলিসের প্রাথমিক অনুমান, জামাই শুভেন্দু সাহা (৩৪) আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ২০২০ সালের ১৪ মার্চ হরিণঘাটা থানা এলাকার দাসপাড়ার বাসিন্দা ঊমার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল হাওড়ার দাশনগরের বাসিন্দা শুভেন্দুর। দম্পতির দুই মেয়ে রয়েছে। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই স্ত্রী তাঁকে মানসিকভাবে চাপ দিত বলে মৃত যুবকের পরিবারের অভিযোগ। মাস দু’য়েক আগে দাম্পত্য কলহের জন্য ঊমা দুই সন্তানকে নিয়ে বাপের বাড়িতে চলে আসেন। তারপর থেকে মাঝেমধ্যেই মেয়েদের দেখার নাম করে শ্বশুরবাড়িতে আসতেন শুভেন্দু। প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুন রবিবার হরিণঘাটায় শ্বশুরবাড়িতে এসেছিলেন শুভেন্দু। সোমবার সকালে ওই বাড়ির চিলেকোঠা থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তার পরের দিন দেহটি ময়নাতদন্তের পর তুলে দেওয়া হয় পরিবারের হাতে। সেই সময় মৃতের বাবা ‘ছেলেকে খুন করা হয়েছে’ বলে বউমা ও আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে হরিণঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এর দিনকয়েক পরেই বউমাকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। শুভেন্দুর বাবা বিশ্বজিৎ সাহার অভিযোগ, বউমার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। গত মাসেই বিষয়টি জানা যায়। তার প্রমাণও পেয়েছিল ছেলে। শুভেন্দু ওই সম্পর্কের মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। যে কারণে পরিকল্পিতভাবে অন্যান্যদের সঙ্গে নিয়ে বউমা ছেলেকে খুন করেছে বলে আমাদের অনুমান। গোটা ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে হরিণঘাটা থানার পুলিস।



