Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

অশোকনগরে মেরে শাশুড়ির নাক ফাটালেন জামাই

অশোকনগরে মেরে  শাশুড়ির নাক  ফাটালেন জামাই
  • ২৩ মে, ২০২৫ ০৪:০১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ক’দিন পরেই জামাই ষষ্ঠী। সেদিন জামাইদের যারপরনাই আদর-আপ্যায়ন করবেন শাশুড়িরা। কিন্তু, তার আগেই উল্টো চিত্র অশোকনগরে! জামাই ষষ্ঠীর আগে মেয়ের বাড়িতে এসে আক্রান্ত হলেন শাশুড়ি। জামাইয়ের মারে নাক ফাটল তাঁর। জামাই-শাশুড়ির এই  হাতাহাতিতে মাথায় চোটও পেয়েছেন জামাই। প্রাথমিক চিকিৎসার পর জামাইয়ের বিরুদ্ধে অশোকনগর থানায় এসে লিখিত অভিযোগ করেছেন শাশুড়ি ঝুমুর দাস। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, অশোকনগরের প্রান্তিক ক্লাব সংলগ্ন এলাকাতেই বাড়ি সায়ন দাসের। তিনি মাঠে কাজকর্ম করেন। বছর তিন আগে সায়নের সঙ্গে বিয়ে হয় বনগাঁর হরিদাসপুরের খুশির। তাঁদের দেড় বছরের একটি সন্তানও আছে। সংসারের খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে দাম্পত্য অশান্তি থাকলেও তা কখনও বড় আকার নেয়নি। বুধবার সকালে কাজে যান সায়ন। বাড়িতে দেড় বছরের ছেলেকে নিয়েই ছিলেন স্ত্রী খুশি। দুপুরের দিকে ছেলেকে কোলে নেওয়ার সময় অসাবধানতাবশত হাত ফস্কে খুশির কোল থেকে মাটিতে পড়ে যায় ছেলে। স্ত্রী সে কথা জানান স্বামীকে। তা শুনে তড়িঘড়ি বাড়ি ফিরে আসেন সায়ন। এরপরেই শুরু হয় স্বামী-স্ত্রীর বিবাদ। খুশি বিষয়টি তাঁর বাপের বাড়িতে জানান। অশান্তি মেটাতে তড়িঘড়ি সায়নের শাশুড়ি ঝুমুর দাস আসেন মেয়ের বাড়িতে।

Advertisement

বুধবার রাতে এনিয়ে প্রথমে বচসা শুরু হয় জামাই, শাশুড়ির মধ্যে। অভিযোগ, বচসার মধ্যেই একটি কাঠ এনে শাশুড়ির নাকে সজোরে আঘাত করেন জামাই। রক্তাক্ত হন শাশুড়ি। অসুস্থ অবস্থায় খুশি মাকে নিয়ে আসেন অশোকনগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। নাকে আটটি সেলাই পড়েছে তাঁর। এরপর জামাইয়ের বিরুদ্ধে অশোকনগর থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। শাশুড়ি ঝুমুর বলেন, অশান্তি মেটাতে এসেছিলাম, আর জামাই মেরে আমার নাক ফাটিয়ে দিল! আমি ওঁর শাস্তি দাবি করছি।
ষষ্ঠীতে নিমন্ত্রণ করবেন না জামাইকে? উত্তরে রেগে গিয়ে শাশুড়ি বলেন, জামাই ষষ্ঠীতে ভালো করে খাওয়াবো ওকে! আর খুশি বলেন, মায়ের নাক ফাটিয়ে দিয়েছে স্বামী। পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ