Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রিলসের নেশায় বেপরোয়া স্টান্টবাজি কিছু যুবকের, পুলিসি অভিযানে পাকড়াও চার

কখনও আবার দ্রুতগতিতে বাইক ছুটিয়ে আচমকা ব্রেক কষে শূন্য তুলে দেওয়া হচ্ছে সামনের চাকা।

রিলসের নেশায় বেপরোয়া স্টান্টবাজি কিছু যুবকের, পুলিসি অভিযানে পাকড়াও চার
  • ৮ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: চলন্ত বাইকে প্রায় শুয়ে পড়ে চলছে স্টান্টবাজি। কখনও আবার দ্রুতগতিতে বাইক ছুটিয়ে আচমকা ব্রেক কষে শূন্য তুলে দেওয়া হচ্ছে সামনের চাকা। দূর থেকে একজন সেসব মোবাইলে ভিডিও করছেন। রিলসের নেশায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্যানিংয়ের ব্যস্ত মাতলা সেতুতে এভাবেই চলছে এই বাইকচালকদের কীর্তিকলাপ। তাঁদের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ যাত্রীরা। বিকেল থেকে শুরু হয় এই যুবকদের বাইক নিয়ে কেরামতি। পুলিসের টহল শুরু হলে আড়ালে চলে যান তাঁরা। উর্দিধারীদের ভ্যান চলে গেলে ফের শুরু হয় এই কাজ। মাতলা সেতু ছাড়াও জীবনতলা যাওয়ার মৌখালি সেতুতেও শুরু হয়েছে এই স্টান্টবাজি। পুলিসও চুপ নেই। গত সপ্তাহ দুয়েক ধরে ক্যানিং থানার তরফে লাগাতার অভিযান চলেছে। তাতে ১২টি বাইক ধরেছে পুলিস। গ্রেপ্তার করা হয়েছে চারজনকে। দেখা গিয়েছে, অনেক বাইকের সঠিক কাগজপত্রও নেই। জানা গিয়েছে, বাসন্তী ও জীবনতলার কিছু যুবক এই কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত। প্রায় প্রতিদিনই ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে তাঁরা মাতলা সেতুতে এসে স্টান্টবাজি করছেন। ঠিক গোধূলি লগ্নে শুরু হয় তাঁদের আনাগোনা। সূর্যাস্তের সময় ভালো ভিডিও হবে, এই ধরে নিয়ে চলে বাইকের খেলা। মাতলা সেতু দিয়ে অনবরত নানা গাড়ি যাতায়াত করে। তার মধ্যেই যেভাবে কেরামতি দেখাতে থাকেন ওই বাইকচালকরা, তাতে যখন-তখন ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। প্রতি আধ ঘণ্টা অন্তর পুলিস সেতুর উপর অভিযান চালায়। তখন স্টান্টবাজি বন্ধ থাকে। তবে রাত সাড়ে ১০টার পরও এসব চলে। মৌখালি ব্রিজ তুলনামূলক ফাঁকা থাকে। ফলে সেখানে এদের দৌরাত্ম্য আরও বেশি। নিজেদের পাশাপাশি অন্যান্য যাত্রীদের জীবনও ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছেন তাঁরা।

Advertisement

বারুইপুর পুলিস জেলার এক শীর্ষ আধিকারিক বলেন, যাঁরা এই কাজ করছেন, তাঁদের বেশিরভাগের লাইসেন্স নেই। বাইকের কাগজপত্র দেখাতে বললে সেটাও পারেন না তাঁরা। এখন লাগাতার চলবে এই অভিযান, তাতে যদি বন্ধ করা যায় এইসব কাজ।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ