Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

এখনও ট্রমায় আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত যাত্রী

সিট নম্বর ‘১১এ’। নাম বিশ্বাস কুমার রমেশ। ১২ জুন আমেদাবাদের বিমান দুর্ঘটনায় বরাত জোরে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি। এদিক ওদিক পড়ে দগ্ধ দেহ আর বিমানের ধ্বংসাবশেষ।

এখনও ট্রমায় আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত যাত্রী
  • ১৪ জুলাই, ২০২৫ ১৬:০৭
Prefer us on Google

দিউ: সিট নম্বর ‘১১এ’। নাম বিশ্বাস কুমার রমেশ। ১২ জুন আমেদাবাদের বিমান দুর্ঘটনায় বরাত জোরে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি। এদিক ওদিক পড়ে দগ্ধ দেহ আর বিমানের ধ্বংসাবশেষ। মৃত্যপুরী থেকে একাই হেঁটে বেরিয়েছিলেন। সে দৃশ্য আজও ভোলা যায়নি। কেটে গিয়েছে প্রায় একমাস। কিন্তু এখনও বিশ্বাস কুমারের পিছু ছাড়েনি সেই আতঙ্ক। মাঝরাতে আচমকা ঘুম থেকে উঠে বসছেন। কারও সঙ্গে তেমন কথাও বলছেন না। কেমন জানি গুম মেরে রয়েছেন। মনোবিদের সাহায্যে দ্রুত সুস্থ-স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। সম্প্রতি এমনই জানালেন বিশ্বাস কুমারের তুতো ভাই সানি। 

Advertisement

সানির কথায়, ‘সেদিন এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি টেক অফের কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে। চারদিকে আগুন, ধোঁয়া, পোড়া মৃতদেহ। দুর্ঘটনায় ও নিজের ভাইকেও হারিয়েছিল। আর ওই ভয়াবহ মুহূর্তগুলোই ওকে এখনও তাড়া করে বেড়াচ্ছে। আমাদের অনেক আত্মীয় বিদেশে থাকেন। ঘটনার পর থেকে তাঁরা বারবার খোঁজখবর নিয়েছেন। ফোন করে বিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছেন। কিন্তু ও কারও সঙ্গে কথা বলেনি।’
গত ১৭ জুন আমেদাবাদের হাসপাতাল থেকে ছুটি পান বিশ্বাসকুমার। সেদিনই তাঁর ভাইয়ের দেহাংশ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরের দিন অর্থাৎ ১৮ জুন দিউতে ভাইয়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। তারপর থেকেই একেবারে চুপ হয়ে গিয়েছেন। তুতো ভাইয়ের কথায়, এখনও মাঝরাতে আচমকা ঘুম থেকে উঠে বসছে। তারপর অনেক চেষ্টা করেও আর ঘুমোতে পারছে না। দিন দুয়েক আগেই আমরা তাকে এক মনোবিদের কাছে নিয়ে গিয়েছিলাম। এখন এখানেই তার চিকিৎসা চলছে।

সম্পর্কিত সংবাদ