Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সন্তোষ ট্রফি বিজয়ী ‘রবি’র কিরণে আলোময় মঙ্গলকোট, সংবর্ধনা

সন্তোষ ট্রফি বিজয়ী ‘রবি’র কিরণে আলোময় মঙ্গলকোট, সংবর্ধনা
  • ৬ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, কাটোয়া: মঙ্গলকোটের মাটিতেই গড়ে উঠুক ফুটবল অ্যাকাডেমি। যে সব খেলোয়াড় টাকার অভাবে হারিয়ে যায়, তাদের তুলে ধরতে চাই। রবিবার মঙ্গলকোটে পা রেখে এমনটাই বললেন সদ্য সন্তোষ ট্রফি জয়ী বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক রবি হাঁসদা। তিনি বলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাশে থাকার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। আরও বড় জায়গায় পৌঁছনোর ইচ্ছে আছে। রবিকে পেয়ে এদিন আপ্লুত হন মঙ্গলকোটবাসী। এদিন সকাল ১১টায় মঙ্গলকোটে আসে রবি হাঁসদার গাড়ি। স্ত্রী ভারতী ও মেয়ে রিমিকে নিয়ে গাড়ি থেকে নামেন তিনি। মঙ্গলকোটের মশারু গ্রামে পৌঁছতেই আদিবাসী মানুষ রবিকে ফুল ছুঁড়ে স্বাগত জানান। রবি এই গ্রামেরই বাসিন্দা। তিনি আদিবাসী মহল্লার গর্ব। আদিবাসীরা ধামসা-মাদল নিয়ে মঙ্গলকোটের গর্ব রবিকে অভ্যর্থনা জানান। এদিন মঙ্গলকোটের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরীও তাঁকে সংবর্ধনা দেন। বিধায়ক বলেন, রবির জন্য মঙ্গলকোটের মাটি ধন্য হল। আমরা ফুটবলের উন্নয়নে রবির পরামর্শ মেনে চলব। রবিকে দলে নেওয়ার জন্য সম্প্রতি কলকাতার দু’টি নামী ক্লাব দড়ি টানাটানি শুরু করেছে। রবি এদিন বলেন, আমি আগে কলকাতায় যাই। তারপর সিদ্ধান্ত নেব। আমি শুধু বলব, যারা মোবাইলে গেম খেলায় বুঁদ হয়ে থাকে, তারা সবাই যেন মাঠে যায়। তাতে বাংলার ফুটবল তথা ক্রীড়াজগৎ আবার চাঙ্গা হবে। এদিন ছেলেকে দেখামাত্র আনন্দে রবির মা তুলসী হাঁসদা কেঁদে ফেলেন। তিনি মাটির বাড়ির দাওয়ায় বসে ছিলেন। রবিকে জড়িয়ে ধরেন। তারপরে আদিবাসী রীতি অনুযায়ী ছেলেকে বরণ করে নেন। তুলসীদেবী বলেন, আজকের দিনে ওর বাবার কথা খুব মনে পড়ছে। মাঠে কাজ করে রবিকে খেলোয়াড় তৈরি করেছেন। তিনি বেঁচে থাকলে আজ বড় খুশি হতেন। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ