সন্দীপন দত্ত, মালদহ: বিশেষ কাজে সরকারি পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে বিপাকে মালদহের এক যুবক। স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ যুবকের সরকারের খাতায় নাম নথিভুক্ত হল উচ্চ মাধ্যমিক পাশ হিসেবে। এমএ সার্টিফিকেট তো দূরের কথা। গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বিএ পাশের সার্টিফিকেটও পাননি। যদিও গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার্থে প্রভিশনাল সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান না হওয়া পর্যন্ত যার মেয়াদ থাকবে।
Advertisement
সম্প্রতি পুরাতন মালদহের এক যুবক বিশেষ কারণে সরকারি পরিচয়পত্রের জন্য আবেদন করেন। সেখানে তিনি সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এমএ পাশের উল্লেখ করেন। সেইমতো সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মী তাঁর কাছে এমএ পাশের সার্টিফিকেট চান। কারণ নিয়ম রয়েছে শিক্ষাগত যোগ্যতা শুধু উল্লেখ করলেই হবে না, আবেদন পত্রের সঙ্গে সার্টিফিকেটের একটি কপিও জমা দিতে হবে। কিন্তু ২০১৮ সালে গৌড় কলেজ থেকে স্নাতক এবং ২০২০ সালে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাশ করলেও তাঁর কাছে শুধুমাত্র মার্কশিট আছে। আজ পর্যন্ত তিনি সার্টিফিকেট পাননি।
এখানেই শেষ নয়। মালদহের এক যুবক কিছুদিন আগে কলকাতায় আকাশবাণীতে চাকরির জন্য আবেদন করেন। সেসময় ওই যুবকের কাছে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরের মার্কশিট দেখাতে পারলেও তিনি কোনও সার্টিফিকেট দেখাতে পারেননি। যার ফলে তাঁর চাকরি হয়নি বলে অভিযোগ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই যুবক জানান, সেই সময় মনে হচ্ছিল সমস্ত মার্কশিট ছিঁড়ে ফেলে দিই। এরপর আমি মালদহে ফিরে এসেই গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে যাই। কর্তৃপক্ষের কাছে সার্টিফিকেট চাইলে তাদের আশ্বাস, সমাবর্তন অনুষ্ঠান হলেই সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। কবে হবে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান? উত্তর নেই কারোর কাছেই। প্রশ্ন উঠছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে কেন মাশুল দেবে ছাত্রছাত্রীরা।
গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আধিকারিক অবশ্য বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই চাকরির সময় সংশ্লিষ্ট সংস্থা ওই ছাত্র বা ছাত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে জানতে চায়। সেই ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সেই ছাত্র বা ছাত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে অবগত করে থাকে।
এখানেই শেষ নয়। মালদহের এক যুবক কিছুদিন আগে কলকাতায় আকাশবাণীতে চাকরির জন্য আবেদন করেন। সেসময় ওই যুবকের কাছে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরের মার্কশিট দেখাতে পারলেও তিনি কোনও সার্টিফিকেট দেখাতে পারেননি। যার ফলে তাঁর চাকরি হয়নি বলে অভিযোগ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই যুবক জানান, সেই সময় মনে হচ্ছিল সমস্ত মার্কশিট ছিঁড়ে ফেলে দিই। এরপর আমি মালদহে ফিরে এসেই গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে যাই। কর্তৃপক্ষের কাছে সার্টিফিকেট চাইলে তাদের আশ্বাস, সমাবর্তন অনুষ্ঠান হলেই সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। কবে হবে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান? উত্তর নেই কারোর কাছেই। প্রশ্ন উঠছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে কেন মাশুল দেবে ছাত্রছাত্রীরা।
গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আধিকারিক অবশ্য বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই চাকরির সময় সংশ্লিষ্ট সংস্থা ওই ছাত্র বা ছাত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে জানতে চায়। সেই ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সেই ছাত্র বা ছাত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে অবগত করে থাকে।



