Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সোনামুখীতে তৃণমূল নেতাকে গুলি কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত ধৃত

সোনামুখীতে তৃণমূল নেতাকে গুলি কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত ধৃত
  • ৪ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতেই সোনামুখীতে গুলি কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত সেকেন্দার খানকে পুলিস গ্রেপ্তার করল। ধৃতের বাড়ি সোনামুখী থানার চকাই গ্রামে। তার বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় বুথ সভাপতি নাসিম শেখকে গুলি করার অভিযোগ রয়েছে। গুলির করার পর পাল্টা জনরোষে জখম হয়ে সেকেন্দার বাঁকুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিল। পুলিস জানিয়েছে, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতেই রবিবার সেকেন্দারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ধৃতকে ১৪ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। 
Advertisement
প্রসঙ্গত, সোনামুখীর চকাই গ্রামে পঞ্চায়েতের একটি ড্রেন তৈরিকে কেন্দ্র করে দুই পাড়ার মধ্যে রেষারেষি চলছিল। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ড্রেন তৈরির কাজ সাময়িক স্থগিত রাখা হয়। শনিবার চকাই গ্রামের বাসিন্দা সেকেন্দার খান ও বকুল খান সহ তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা জোর করে নিজেদের পাড়ার দিকে ড্রেন তৈরির উদ্যোগ নেয়। তাতে বাধা দিতে যান তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ সভাপতি তথা ওই গ্রামেরই বাসিন্দা নাসিম শেখ। তখনই দু’পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। উত্তেজনা চরমে উঠলে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। লঙ্কার গুঁড়ো ছিটানো সহ একে অপরের দিকে যথেচ্ছভাবে ইট ছোঁড়া হয়। তখনই  সেকেন্দ্রার পিস্তল বের করে পরপর দু রাউণ্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ। একটি গুলি মাথার উপর দিয়ে বেরিয়ে গেলেও অপর একটি গুলি নাসিম সাহেবের পেটের চামড়া ছিঁড়ে পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। ঘটনার পরেই উত্তেজিত জনতা সেকেন্দারকে ধরে বেধড়ক মারধর করে। 
খবর পেয়ে গ্রামে বিশাল পুলিস বাহিনী পৌঁছে যায়। জখম অবস্থায় নাসিম সাহেব ও সেকেন্দারকে প্রথমে সোনামুখী ব্লক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় দু’জনকেই বাঁকুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে পুলিস তল্লাশি চালায়। ঘটনাস্থল থেকেই একটি ওয়ান শাটার বন্দুক ও এক রাউন্ড কার্তুজের খোল উদ্ধার করে পুলিস।
ওইদিন রাতেই নাসিম সাহেবের ভাই সেকেন্দার, বকুল সহ মোট সাত জনের বিরুদ্ধে সোনামুখী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে ওইদিন রাতেই পুলিস বকুল খানকে গ্রেপ্তার করে। রবিবার সন্ধ্যায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতেই মূল অভিযুক্ত সেকেন্দারকে পুলিস গ্রেপ্তার করে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ