সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: সোনামুখীতে দুর্ঘটনায় ঘাতক গাড়ির চালক ও খালাসি আটক। গাড়িতে থাকা ১০টি গোরু নিয়ে আতান্তরে পড়েছে পুলিস। ফাঁড়ির ঘেরা মাঠে বন্দি তারাও। দেখভালের জন্য মোতায়েন করা হয়েছে একাধিক সিভিক ভলান্টিয়ার। তবে তাদের খাবারের জন্য খড়ের আকাল দেখা দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন পুলিস কর্তারা। তাই তাঁরা চাইছেন দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে গোরুগুলি বিক্রেতাদের কাছে ফিরিয়ে দিতে।
Advertisement
পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, ঘাতক গাড়িতে থাকা ১০টি গোরুর খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। খড় পাওয়া যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার ফাঁড়ির ঘেরা মাঠে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। সেখানে নিজেরাই মাঠে ঘাস খেয়ে পেট ভরিয়েছে। শুক্রবার কোনও রকমে একদিনের খড় জোগাড় করা হয়েছে। এরপর কী হবে তা ভেবে পাচ্ছি না। তাই যে হাট থেকে গোরু কেনা হয়েছিল। সেই হাট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দুপুরে সোনামুখী শহরের সিনেমাতলা এলাকায় গোরু বোঝাই একটি পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় এক বাইক আরোহীর মৃত্যু হয়। অপর এক আরোহী জখম হন। ঘটনায় উত্তেজিত জনতা ঘাতক ভ্যানের চালককে বেধড়ক পেটায়। তাকে উদ্ধার করতে গেলে পুলিসের সঙ্গে তাদের বচসা বাধে। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরে চালক ও খালাসিকে আটক করার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়। ঘাতক পিকআপ ভ্যানটিকে আটক করা হয়। আইন অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়। পিকআপ ভ্যানে থাকা গোরুগুলিকে পুলিস ফাঁড়ির মাঠে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাদের খাবার জোগাড় করতে পুলিস বেশ বিপাকে পড়ে। ওইদিন ফাঁড়ির মাঠে খোঁটা পুঁতে তাদের বাঁধারও ব্যবস্থাও হয়। পাঁচিল ঘেরা থাকায় সেখানে মাটিতে ঘাস ছিল। সেখানে ছেড়ে তাদের ঘাসও খাওয়ানো হয়। ওইভাবে একটা দিন কেটে যায়। সিভিক ভলান্টিয়াররা তাদের খাবারের জন্য জলের ব্যবস্থা করে। কিন্তু শুক্রবার সকালে গ্রামের দিকে ম্যানেজ করে কিছু খড়েরও ব্যবস্থা করা হয়। এরপর কী হবে, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন পুলিস আধিকারিকরা।
তাঁরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকায় খোঁজ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও আমন ধান মাঠে। তাই চাষিদের ঘরে খড় নেই। তাছাড়া জলদি ধান কিছু কাটা হলেও বর্তমানে মেশিনে ধান কাটায় খড় পাওয়া যাচ্ছে না। তাই কীভাবে তাদের খাবার জোগাড় হবে, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন তাঁরা। সেজন্য গোরুগুলি যে হাট থেকে আনা হয়েছিল। সেই হাট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ক্রেতাদের পরিবারের লোকেদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে দু’পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসা হবে। তারা নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করলে বিক্রেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দুপুরে সোনামুখী শহরের সিনেমাতলা এলাকায় গোরু বোঝাই একটি পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় এক বাইক আরোহীর মৃত্যু হয়। অপর এক আরোহী জখম হন। ঘটনায় উত্তেজিত জনতা ঘাতক ভ্যানের চালককে বেধড়ক পেটায়। তাকে উদ্ধার করতে গেলে পুলিসের সঙ্গে তাদের বচসা বাধে। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরে চালক ও খালাসিকে আটক করার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়। ঘাতক পিকআপ ভ্যানটিকে আটক করা হয়। আইন অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়। পিকআপ ভ্যানে থাকা গোরুগুলিকে পুলিস ফাঁড়ির মাঠে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাদের খাবার জোগাড় করতে পুলিস বেশ বিপাকে পড়ে। ওইদিন ফাঁড়ির মাঠে খোঁটা পুঁতে তাদের বাঁধারও ব্যবস্থাও হয়। পাঁচিল ঘেরা থাকায় সেখানে মাটিতে ঘাস ছিল। সেখানে ছেড়ে তাদের ঘাসও খাওয়ানো হয়। ওইভাবে একটা দিন কেটে যায়। সিভিক ভলান্টিয়াররা তাদের খাবারের জন্য জলের ব্যবস্থা করে। কিন্তু শুক্রবার সকালে গ্রামের দিকে ম্যানেজ করে কিছু খড়েরও ব্যবস্থা করা হয়। এরপর কী হবে, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন পুলিস আধিকারিকরা।
তাঁরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকায় খোঁজ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও আমন ধান মাঠে। তাই চাষিদের ঘরে খড় নেই। তাছাড়া জলদি ধান কিছু কাটা হলেও বর্তমানে মেশিনে ধান কাটায় খড় পাওয়া যাচ্ছে না। তাই কীভাবে তাদের খাবার জোগাড় হবে, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন তাঁরা। সেজন্য গোরুগুলি যে হাট থেকে আনা হয়েছিল। সেই হাট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ক্রেতাদের পরিবারের লোকেদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে দু’পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসা হবে। তারা নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করলে বিক্রেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।



