লন্ডন-নিবাসী খ্যাতনামা শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী চন্দ্রা চক্রবর্তীর সঙ্গীতচর্চা শুরু হয় পণ্ডিত এ.কানন, মালবিকা কানন ও পদ্মবিভূষণ বিদূষী গিরিজা দেবীর সান্নিধ্যে। খেয়াল, ঠুমরি থেকে নজরুলগীতি, সবই তিনি পরিবেশন করেন অনায়াস দক্ষতায়, যা শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। কলাকার আর্টস ইউকে-র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও চন্দ্রা, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বহু বছর ধরে কাজ করে চলেছেন। তাঁর সংগঠন বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শিল্পীদের নিয়ে আসছে একই মঞ্চে, যেখানে সঙ্গীত শুধু বিনোদন নয়, একটি সংস্কৃতি, একটি ইতিহাস।
Advertisement
সম্প্রতি স্টেজ থ্রি ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হন চন্দ্রা। তবু থেমে যাননি তিনি। জীবনের কাছে হার মানেননি। বরং অসুস্থতার মধ্যেও তিনি সঙ্গীতের শিক্ষাদান করে গিয়েছেন সুযোগ মতো। এমনকী হাসপাতাল থেকেও অনলাইনে ক্লাস নিয়েছেন। ছাত্র-ছাত্রীদের নতুন কোনও রাগ শেখানোই তখন তাঁর জীবনের আনন্দ হয়ে উঠেছে। রোগের বেদনা ভুলে থেকেছেন তিনি।
বিগত কয়েক বছর ধরে চন্দ্রা একটি লাইভ মিউজিক্যাল ড্রামা মঞ্চস্থ করছেন, নাম ‘টেল অব তওয়ায়েফস’। সেখানে ভারতের খ্যাতনামা ও উপেক্ষিত বারবণিতাদের জীবন ও সঙ্গীতচর্চাকে অভিনয়, গান ও নাচের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন তিনি। তাঁদের বেদনা, সংগ্রাম ও প্রতিভাকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দেওয়ার জন্যই এই প্রচেষ্টা। অনুষ্ঠানে চন্দ্রার সঙ্গে থাকছেন বিলেতের বিশিষ্ট সঙ্গীত ও নৃত্যশিল্পীরা। সিদ্ধার্থ করগুপ্ত, অনি বর্ধন, পারমিতা ঘোষ, গৈরিকা মাথুর, তনুশ্রী গুহ, অমিত দে, কামালবীর নান্দ্রা, জুনাইদ আলী, অরুনাভ বর্ধন ও শ্রীতমা মুখোপাধ্যায় তাঁদেরই কয়েকজন।
চন্দ্রা চক্রবর্তী প্রমাণ করেছেন যে ক্যানসার জীবনের সমাপ্তির সুর নয়। সঙ্গীতের প্রতি নিষ্ঠা, শিক্ষাদানের প্রতি অপরিসীম ভালোবাসা, এবং ইতিহাসকে বাঁচিয়ে রাখার দায়বদ্ধতা— সব মিলিয়ে তিনি আজ এক অনুপ্রেরণা।
বিগত কয়েক বছর ধরে চন্দ্রা একটি লাইভ মিউজিক্যাল ড্রামা মঞ্চস্থ করছেন, নাম ‘টেল অব তওয়ায়েফস’। সেখানে ভারতের খ্যাতনামা ও উপেক্ষিত বারবণিতাদের জীবন ও সঙ্গীতচর্চাকে অভিনয়, গান ও নাচের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন তিনি। তাঁদের বেদনা, সংগ্রাম ও প্রতিভাকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দেওয়ার জন্যই এই প্রচেষ্টা। অনুষ্ঠানে চন্দ্রার সঙ্গে থাকছেন বিলেতের বিশিষ্ট সঙ্গীত ও নৃত্যশিল্পীরা। সিদ্ধার্থ করগুপ্ত, অনি বর্ধন, পারমিতা ঘোষ, গৈরিকা মাথুর, তনুশ্রী গুহ, অমিত দে, কামালবীর নান্দ্রা, জুনাইদ আলী, অরুনাভ বর্ধন ও শ্রীতমা মুখোপাধ্যায় তাঁদেরই কয়েকজন।
চন্দ্রা চক্রবর্তী প্রমাণ করেছেন যে ক্যানসার জীবনের সমাপ্তির সুর নয়। সঙ্গীতের প্রতি নিষ্ঠা, শিক্ষাদানের প্রতি অপরিসীম ভালোবাসা, এবং ইতিহাসকে বাঁচিয়ে রাখার দায়বদ্ধতা— সব মিলিয়ে তিনি আজ এক অনুপ্রেরণা।



