আচার্য চিন্ময় লাহিড়ি, বাংলা রাগপ্রধান সংগীতের অন্যতম পথিকৃৎ। সৃষ্টি করে গিয়েছেন অসংখ্য রাগ-রাগিনী। শিল্পীর স্মৃতিতে নিবেদিত সংস্থা মগন মন্দির। সঙ্গীতাচার্য পণ্ডিত চিন্ময় লাহিড়ীর পুত্র পণ্ডিত শ্যামল লাহিড়ি ও পুত্রবধূ মন্দিরা লাহিড়ির হাতে ২০১৬ সালে সংস্থাটির জন্ম। শিল্পীর স্মরণে সম্প্রতি গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অফ কালচারের বিবেকানন্দ হলে সংস্থার পক্ষ থেকে বার্ষিক শাস্ত্রীয় সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সমবেত উপস্থাপনার মধ্যে দিয়ে এদিনের অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এবছর সংস্থার পক্ষ থেকে সম্মানিত করা হয় বিশিষ্ট সুরকার তথা শিল্পী কল্যাণ সেন বরাটকে। একক বাঁশিবাদনে ছিলেন ইন্দ্রজিৎ বসু। তিনি পরিবেশন করেন রাগ ভীমপলশ্রী। তবলায় সঙ্গত করেন সৌম্যজিত চট্টোপাধ্যায়। এরপর বিদুষী মন্দিরা লাহিড়ী এবং ওঁর দুই শিষ্য অনির্বাণ দাস এবং দীপ্তম সিনহা বিশ্বাস সঙ্গীতাচার্য পণ্ডিত চিন্ময় লাহিড়ী সৃষ্ট বিভিন্ন রাগ গেয়ে শোনান। এরপর পণ্ডিত দেবজ্যোতি বোসের সরোদে রাগ ছায়ানাটের সুরেলা উপস্থাপনার সঙ্গে দুর্দান্ত তবলা সঙ্গতে ছিলেন পণ্ডিত তন্ময় বোস। দু’জনের রসায়ন আন্দোলিত করে শ্রোতাদের। এদিনের শেষ শিল্পী ছিলেন বিশিষ্ট তবলাশিল্পী বঙ্গ বিভূষণ পণ্ডিত অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়। তাঁর জাদুকরী হাতের স্পর্শে তিন তালের উপস্থাপনা মুগ্ধ করে শ্রোতাদের।
পিয়ালী দাস



