নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: দুষ্কৃতী পাঠিয়ে ভয় দেখাচ্ছেন কাউন্সিলার। পুরসভা ও বর্ধমান থানায় স্থানীয় বাসিন্দাদের নাম করে এমনই অভিযোগ জমা পড়েছে। বর্ধমানের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের শাসকদলের কাউন্সিলার রূপালি কৈবর্ত্যর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট গড়ে তোলাবাজি, রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে। এছাড়া, গোদা এলাকার এক জনপ্রতিনিধির স্বামীর বিরুদ্ধেও সিন্ডিকেট চালানোর অভিযোগ প্রশাসনের কাছে জমা পড়েছে।
Advertisement
পুরসভা ও থানায় যে অভিযোগ জমা পড়েছে, তাতে লেখা হয়েছে, ’১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলারের সন্ত্রাসের হাত থেকে বাঁচান। তেলিপুকুর সংলগ্ন মোহনবাগান, তেজগঞ্জ এলাকার আমরা বাসিন্দা। কয়েকমাস ধরে কাউন্সিলার রূপালি কৈবর্ত্য দুষ্কৃতী পাঠিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কিত।’
লিখিত অভিযোগে আরও জানানো হয়েছে, কাউন্সিলার এলাকায় বিভিন্ন সময়ে সরকারি পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছেন। অনেকের উপর শারীরিক অত্যাচার হয়েছে। সিন্ডিকেট গড়ে অনেকের কাছে টাকা দাবি করা হচ্ছে। কয়েকদিন আগে এলাকায় ট্যাপকল ও মিটার চুরির সময় এক যুবক হাতেনাতে ধরা পড়ে। অভিযোগ, কাউন্সিলারের লোকজন সেই যুবককে পার্টি অফিসে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু স্থানীয়রা তাতে বাধা দিয়ে থানায় খবর দেয়। পুলিস ওই যুবককে পাকড়াও করে নিয়ে যায়। তাতে কাউন্সিলার ক্ষুদ্ধ হন। লোকজন পাঠিয়ে তিনি একটি পরিবারের উপর হামলা করান বলেও অভিযোগ। অভিযুক্ত কাউন্সিলার বলেন, মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। এলাকায় এসে তদন্ত করলেই সব বোঝা যাবে।
পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশ সরকার বলেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বর্ধমান থানার এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তৃণমূল নেতা দেবু টুডু বলেন, কোনও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠা উচিত নয়। দল এসব প্রশ্রয় দেয় না।
এদিকে, গোদা এলাকায় তৃণমূলের এক জনপ্রতিনিধির স্বামীর বিরুদ্ধেও সিন্ডিকেট চালানোর অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বিরুদ্ধেও প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। দুই জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রশাসন তদন্ত করে দেখছে। অভিযোগ, গোদা এলাকার ওই জনপ্রতিনিধির স্বামী জলাশয় ভরাট করতেও ছাড়ছে না। এলাকায় বাড়ি তৈরি করতে গেলে তাকে টাকা দিতে হয়। নির্মাণসামগ্রীও তার লোকজনের থেকে নিতে হয়। তা না হলে তিনি নানাভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। দলেও ওই জনপ্রতিনিধির স্বামীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। তারপরও তিনি বেপরোয়া মনোভাব দেখাচ্ছেন। তৃণমূল সূত্রে খবর, নেতৃত্বের স্ক্যানারে সবকিছুই রয়েছে। সময়মতো পদক্ষেপ করা হবে।
লিখিত অভিযোগে আরও জানানো হয়েছে, কাউন্সিলার এলাকায় বিভিন্ন সময়ে সরকারি পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছেন। অনেকের উপর শারীরিক অত্যাচার হয়েছে। সিন্ডিকেট গড়ে অনেকের কাছে টাকা দাবি করা হচ্ছে। কয়েকদিন আগে এলাকায় ট্যাপকল ও মিটার চুরির সময় এক যুবক হাতেনাতে ধরা পড়ে। অভিযোগ, কাউন্সিলারের লোকজন সেই যুবককে পার্টি অফিসে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু স্থানীয়রা তাতে বাধা দিয়ে থানায় খবর দেয়। পুলিস ওই যুবককে পাকড়াও করে নিয়ে যায়। তাতে কাউন্সিলার ক্ষুদ্ধ হন। লোকজন পাঠিয়ে তিনি একটি পরিবারের উপর হামলা করান বলেও অভিযোগ। অভিযুক্ত কাউন্সিলার বলেন, মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। এলাকায় এসে তদন্ত করলেই সব বোঝা যাবে।
পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশ সরকার বলেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বর্ধমান থানার এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তৃণমূল নেতা দেবু টুডু বলেন, কোনও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠা উচিত নয়। দল এসব প্রশ্রয় দেয় না।
এদিকে, গোদা এলাকায় তৃণমূলের এক জনপ্রতিনিধির স্বামীর বিরুদ্ধেও সিন্ডিকেট চালানোর অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বিরুদ্ধেও প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। দুই জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রশাসন তদন্ত করে দেখছে। অভিযোগ, গোদা এলাকার ওই জনপ্রতিনিধির স্বামী জলাশয় ভরাট করতেও ছাড়ছে না। এলাকায় বাড়ি তৈরি করতে গেলে তাকে টাকা দিতে হয়। নির্মাণসামগ্রীও তার লোকজনের থেকে নিতে হয়। তা না হলে তিনি নানাভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। দলেও ওই জনপ্রতিনিধির স্বামীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। তারপরও তিনি বেপরোয়া মনোভাব দেখাচ্ছেন। তৃণমূল সূত্রে খবর, নেতৃত্বের স্ক্যানারে সবকিছুই রয়েছে। সময়মতো পদক্ষেপ করা হবে।



