মুম্বই: মহারাষ্ট্রে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এবং উপ মুখ্যমন্ত্রী একনাথ সিন্ধের ‘ঠান্ডাযুদ্ধে নয়া মোড়’ দেবেন্দ্রর হাতেই রয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর। সম্প্রতি একনাথ সিন্ধপন্থী শিবসেনার ২০ জন বিধায়কের নিরাপত্তা ওয়াই প্লাস থেকে মাত্র একজন কনস্টেবলে নামিয়ে আনা হয়েছে। অনেকের আবার নিরাপত্তা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে। সূত্রের খবর, এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এবং উপ মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে তীব্র টানাপোড়েন চলছে। ফড়নবিশ শিবিরের পক্ষ থেকে অবশ্য যুক্তি দেওয়া হয়েছে, কয়েকজন বিজেপি বিধায়ক ও অজিত পাওয়ারপন্থী এনসিপি বিধায়কেরও নিরাপত্তা কমানো হয়েছে। তাই এই বিতর্ক অমূলক। তবে দেখা যাচ্ছে, সিন্ধেপন্থী শিবসেনা বিধায়কদের তুলনায় অনেক কম সংখ্যক বিজেপি বিধায়কের নিরাপত্তা কমানো হয়েছে।
Advertisement
দ্বৈরথ এখানেই থেমে নেই। সোমবারই শিবসেনার মন্ত্রী উদয় সামন্তের হাতে থাকা শিল্প দপ্তরের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে রিভিই
মিটিং ডাকেন সিন্ধে। অথচ গত মাসেই শিল্প দপ্তরের কাজকর্মের অগ্রগতি যাচাই করতে বৈঠক ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। সেই বৈঠকের পরেই দপ্তরের মন্ত্রী উদয় অভিযোগ করেন, আধিকারিকরা নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা তাঁর কাছে গোপন রাখছে। এরপরেই আলাদা বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেন একনাথ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই ধরনের বৈঠক ডাকার কোনও এক্তিয়ারই উপ মুখ্যমন্ত্রীর নেই। দুই বৈঠকে দু’রকম সিদ্ধান্ত হলে কাজের উপর তার বিরূপ প্রভাব পড়বে। এতে কাজের গতি থমকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মিটিং ডাকেন সিন্ধে। অথচ গত মাসেই শিল্প দপ্তরের কাজকর্মের অগ্রগতি যাচাই করতে বৈঠক ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। সেই বৈঠকের পরেই দপ্তরের মন্ত্রী উদয় অভিযোগ করেন, আধিকারিকরা নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা তাঁর কাছে গোপন রাখছে। এরপরেই আলাদা বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেন একনাথ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই ধরনের বৈঠক ডাকার কোনও এক্তিয়ারই উপ মুখ্যমন্ত্রীর নেই। দুই বৈঠকে দু’রকম সিদ্ধান্ত হলে কাজের উপর তার বিরূপ প্রভাব পড়বে। এতে কাজের গতি থমকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।



