সংবাদদাতা, কাটোয়া: আউশগ্রামে দু’দিনের ব্যবধানে দু’টি কালী মন্দিরে চুরির ঘটনায় ঘুম উবেছে পুলিসের। তদন্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় বীরভূমের কয়েকজন যুবকের ছবি দিয়ে তাদের হন্যে হয়ে খুঁজছে গুসকরা ফাঁড়ির পুলিস। তারা ছদ্মবেশে দিনেরবেলায় ঘুরে বেড়ায়। রাত হলেই মন্দিরে গিয়ে চুরি করে। ওই যুবকদের দলটির খোঁজ পেলেই পুলিসকে জানানোর আবেদনও করেছে পুলিস। প্রাথমিক তদন্তে পুলিসের অনুমান, ওই দলটিই আউশগ্রামের দু’টি মন্দির চুরির ঘটনায় যুক্ত।
Advertisement
গুসকরা ফাঁড়ির পুলিস জানিয়েছে, কালীপুজোর রাত থেকে শুরু করে গুসকরার দেয়াশা, ব্রজপুর, গলসির খানো ছাড়াও অন্যান্য গ্রামে কালী মন্দিরে মায়ের সোনা ও রুপোর গয়না চুরি করে বেড়াচ্ছে বীরভূমের ওই দলটি। এরা দিনেরবেলায় খাবার চাওয়ার অছিলায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে মন্দিরে রেকি করে আসছে। গভীর রাতে চুরি করছে। এরা মৌমাছির চাকও ভেঙে বেড়ায়। সঙ্গে স্ত্রী ও শিশুদের নিয়ে ঘোরে। যেখানে সেখানে তাঁবু খাটিয়ে থাকে। কেউ কোনও খোঁজ পেলে গোপনে পুলিসকে জানাতে বলা হয়েছে। এরা ঘুলঘুলির দল বলেও পরিচিত গ্রামীণ এলাকায়।
প্রসঙ্গত, আউশগ্রাম-১ ব্লকের গুসকরা পুলিস ফাঁড়ির অধীনেই দেয়াশা ও ব্রজপুর গ্রাম দু’টি। ব্রজপুর গ্রামের কোঁয়ার বাড়ির প্রাচীন কালীমন্দিরের দরজার তালা ভেঙে চুরি হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, এক ভরি সোনা ও পাঁচ-ছ’ভরি রুপোর গয়না চুরি হয়েছে। কালীর গায়ে থাকা সীতাহার, টিপ, পায়ের নূপুর সব চুরি হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি মহাদেবের বেলপাতা, হার সব নিয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কালীপুজোর রাতেও আউশগ্রামের দেয়াশা গ্রামের দাস পরিবারের কালী মন্দিরে চুরি হয়। পুজো শেষে পরিবারের সদস্যরা মন্দির বন্ধ রেখে বাড়ি চলে যান। পরেরদিন সকালে তাঁরা মন্দিরের তালা খুলতে গিয়ে মন্দিরের সদর দরজার তালা ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পাশাপাশি মায়ের গায়ের সোনা ও রুপোর গয়না চুরি হয়ে গিয়েছে। দু’টি চুরিতেই এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস।
প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, বীরভূমের সাঁইথিয়া থানায় আহমদপুর এলাকায় বাস করা পাঁচজনের একটি দল এই চুরির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। এরা দিনেরবেলা এলাকায় ঘোরে। রাতে মন্দিরের দরজার তালা ভাঙে। এই দলটি এর আগেও পুলিসের হাতে ধরা পড়েছিল। তারা আবার পার্শ্ববর্তী এলাকায় গিয়ে সিঁদ কাটছে। গুসকরা ফাঁড়ির পুলিস জানিয়েছে, এরা চুরিতে ‘দক্ষ’। পুলিস জানিয়েছে, দু’টি মন্দিরে চুরির ঘটনার দ্রুত কিনারা করার চেষ্টা চলছে।
প্রসঙ্গত, আউশগ্রাম-১ ব্লকের গুসকরা পুলিস ফাঁড়ির অধীনেই দেয়াশা ও ব্রজপুর গ্রাম দু’টি। ব্রজপুর গ্রামের কোঁয়ার বাড়ির প্রাচীন কালীমন্দিরের দরজার তালা ভেঙে চুরি হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, এক ভরি সোনা ও পাঁচ-ছ’ভরি রুপোর গয়না চুরি হয়েছে। কালীর গায়ে থাকা সীতাহার, টিপ, পায়ের নূপুর সব চুরি হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি মহাদেবের বেলপাতা, হার সব নিয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কালীপুজোর রাতেও আউশগ্রামের দেয়াশা গ্রামের দাস পরিবারের কালী মন্দিরে চুরি হয়। পুজো শেষে পরিবারের সদস্যরা মন্দির বন্ধ রেখে বাড়ি চলে যান। পরেরদিন সকালে তাঁরা মন্দিরের তালা খুলতে গিয়ে মন্দিরের সদর দরজার তালা ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পাশাপাশি মায়ের গায়ের সোনা ও রুপোর গয়না চুরি হয়ে গিয়েছে। দু’টি চুরিতেই এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস।
প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, বীরভূমের সাঁইথিয়া থানায় আহমদপুর এলাকায় বাস করা পাঁচজনের একটি দল এই চুরির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। এরা দিনেরবেলা এলাকায় ঘোরে। রাতে মন্দিরের দরজার তালা ভাঙে। এই দলটি এর আগেও পুলিসের হাতে ধরা পড়েছিল। তারা আবার পার্শ্ববর্তী এলাকায় গিয়ে সিঁদ কাটছে। গুসকরা ফাঁড়ির পুলিস জানিয়েছে, এরা চুরিতে ‘দক্ষ’। পুলিস জানিয়েছে, দু’টি মন্দিরে চুরির ঘটনার দ্রুত কিনারা করার চেষ্টা চলছে।



