সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: সামশেরগঞ্জের জ্বালাদিপুরে গাছের ফুল তোলাকে কেন্দ্র করে গণ্ডগোলের জেরে এক যুবককে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল তিন প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম সুজয় দাস(২৬)। তাঁর বাড়ি সামশেরগঞ্জ থানার জ্বালাদিপুরে। পেশায় তিনি তেল মিলের শ্রমিক ছিলেন। পুলিস জানিয়েছে, ওই বিবাদের পর যুবককে একা পেয়ে প্রতিবেশীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন তাঁকে মহেশাইল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পর পুলিস অপূর্ব দাস নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। বাকিরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। পুলিস মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
Advertisement
ফরাক্কার এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিস সুপারের নির্দেশ মতো আমরা তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নিয়েছি। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। দু’টি পরিবারের মধ্যে বিবাদের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে বৃদ্ধা মিলনী দাস বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে গাছের ফুল তুলতে যান। সেখানেই মৃত সুজয় দাসের মা সুলেখা দাসের সঙ্গে তাঁর বচসা বাঁধে। দুই মহিলার ঝগড়া কিছুক্ষণ পরে থেমেও যায়। তারপরই সুজয় দাস রাস্তা দিয়ে কারখানায় কাজে যাচ্ছিলেন। রাস্তায় যুবককে একা পেয়ে বৃদ্ধার ছেলে, বউমা, নাতি ও আত্মীয়রা ধরে বেধড়ক মারধর করে। কোদালের বাঁট দিয়ে আঘাত করা হয়। তার জেরেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই প্রতিবেশীর মধ্যে সামান্য বিষয় নিয়ে প্রায়ই ঝামেলা হয়। এদিনও সকালে মিলনী দাস সুজয় দাসের বাড়ির সামনে ফুল তুলতে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন বলে অভিযোগ। তারই প্রতিবাদ করেন সুলেখাদেবী। সুজয় দাস তেমন কিছু জানতেন না। প্রতিদিনের মতো তিনি কাজে যাচ্ছিলেন। পরিকল্পনা করেই সবাই মিলে ঘিরে ধরে তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে মৃতের মায়ের দাবি। সুজয় পরিবারের একমাত্র ছেলে সন্তান। দিদির বিয়ে হয়ে গিয়েছে। বাবাও শ্রমিকের কাজ করেন। সুলেখাদেবী বলেন, সকালে এসে বাড়ির সামনে গালাগালি করছিল, আমি শুধু বলেছিলাম সাতসকালে কেন গালাগাল দিচ্ছ। ছেলে কিছু জানত না, ও কাজে যাচ্ছিল। ওরা ছেলেকে পরিকল্পনা করে পিটিয়ে খুন করেছে। ওদের উপযুক্ত শাস্তি দিক পুলিস।
ঘটনার পর অভিযুক্তরা বাড়ি থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও অপূর্ব দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। স্থানীয় বাসিন্দা রতন দাস বলেন, স্কুল থেকে এসে জানতে পারি পাড়ায় একটা ঝামেলা হয়েছে। সুজয় খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আমরা কয়েকজন তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাই। হাসপাতালে নিয়ে যেতেই সে মারা গিয়েছে। ঘটনার পরই ফরাক্কা এসডিপিওর নেতৃত্ব বিশাল পুলিস বাহিনী যায়। এলাকায় পুলিস পিকেট বসানো হয়েছে। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে বৃদ্ধা মিলনী দাস বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে গাছের ফুল তুলতে যান। সেখানেই মৃত সুজয় দাসের মা সুলেখা দাসের সঙ্গে তাঁর বচসা বাঁধে। দুই মহিলার ঝগড়া কিছুক্ষণ পরে থেমেও যায়। তারপরই সুজয় দাস রাস্তা দিয়ে কারখানায় কাজে যাচ্ছিলেন। রাস্তায় যুবককে একা পেয়ে বৃদ্ধার ছেলে, বউমা, নাতি ও আত্মীয়রা ধরে বেধড়ক মারধর করে। কোদালের বাঁট দিয়ে আঘাত করা হয়। তার জেরেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই প্রতিবেশীর মধ্যে সামান্য বিষয় নিয়ে প্রায়ই ঝামেলা হয়। এদিনও সকালে মিলনী দাস সুজয় দাসের বাড়ির সামনে ফুল তুলতে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন বলে অভিযোগ। তারই প্রতিবাদ করেন সুলেখাদেবী। সুজয় দাস তেমন কিছু জানতেন না। প্রতিদিনের মতো তিনি কাজে যাচ্ছিলেন। পরিকল্পনা করেই সবাই মিলে ঘিরে ধরে তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে মৃতের মায়ের দাবি। সুজয় পরিবারের একমাত্র ছেলে সন্তান। দিদির বিয়ে হয়ে গিয়েছে। বাবাও শ্রমিকের কাজ করেন। সুলেখাদেবী বলেন, সকালে এসে বাড়ির সামনে গালাগালি করছিল, আমি শুধু বলেছিলাম সাতসকালে কেন গালাগাল দিচ্ছ। ছেলে কিছু জানত না, ও কাজে যাচ্ছিল। ওরা ছেলেকে পরিকল্পনা করে পিটিয়ে খুন করেছে। ওদের উপযুক্ত শাস্তি দিক পুলিস।
ঘটনার পর অভিযুক্তরা বাড়ি থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও অপূর্ব দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। স্থানীয় বাসিন্দা রতন দাস বলেন, স্কুল থেকে এসে জানতে পারি পাড়ায় একটা ঝামেলা হয়েছে। সুজয় খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আমরা কয়েকজন তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাই। হাসপাতালে নিয়ে যেতেই সে মারা গিয়েছে। ঘটনার পরই ফরাক্কা এসডিপিওর নেতৃত্ব বিশাল পুলিস বাহিনী যায়। এলাকায় পুলিস পিকেট বসানো হয়েছে। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।



