সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: শুক্রবার রাতে সামশেরগঞ্জের ডাকবাংলা মোড় সংলগ্ন ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে এক লক্ষ টাকার জাল নোট সহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতের নাম আর্শাদ খান ও বৈদ্যনাথ মণ্ডল। ধৃত আর্শাদের বাড়ি ঝাড়খণ্ড হলেও বৈদ্যানাথের বাড়ি মালদহের বৈষ্ণবনগর থানা এলাকায়। ধৃতরা জালনোট হাত বদলের জন্য নিয়ে যাচ্ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে। তবে ওই নোটগুলি তারা কার কাছ থেকে সংগ্রহ করেছে, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিস। শনিবার ধৃতদের জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ধৃতদের পাঁচদিন পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। জালনোটের কারবারে আর কে বা কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী অফিসাররা।
Advertisement
এব্যাপারে সামশেরগঞ্জ থানার এক পুলিস অফিসার বলেন, পুলিসের কাছে জালনোট পাচারের আগাম খবর ছিল। সেই মতো সন্দেহভাজন দুই যুবককে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। তাদের ব্যাগে থাকা এক লক্ষ টাকার জালনোট উদ্ধার হয়। ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওইদিন রাতে দুই যুবক ডাক বাংলা এলাকায় হাতে বাজারের ব্যাগ নিয়ে সাধারণ যাত্রী সেজে বাস ধরার জন্য অপেক্ষা করছিল। সেখান থেকে সড়ক পথে ঝাড়খণ্ডে যাওয়ার পরিকল্পনা করে সে। সেখানেই এক এজেন্টকে নোটগুলি হাতবদল করার কথা ছিল। খবর পেয়ে আগেভাগেই সেখানে পৌঁছে যায় সামশেরগঞ্জ থানার পুলিস। ধৃতদের আটক করে তল্লাশি চালাতেই নোটগুলি উদ্ধার হয়। তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া সব জাল নোটই ছিল ৫০০ টাকার।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিস জানতে পারে, ধৃত যুবক মালদহ থেকে ফরাক্কা হয়ে সড়ক পথে সামশেরগঞ্জে আসে। ঝাড়খণ্ডে সেগুলো হাত বদল করতে যাওয়ার জন্যই ওই রুটের বাসের অপেক্ষা করছিল যুবক। মালদহের এক কারবারির কাছ থেকেই জাল নোটগুলি তারা আমদানি করেছে বলে পুলিস জানতে পেরেছে। সাধারণত মালদহের বৈষ্ণবনগর, কালিয়াচক থেকেই জালনোট আশপাশের জেলাগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু মালদহ থেকে জালনোট রাজ্যের বাইরে পাচারের বিষয়টি ভাবাচ্ছে পুলিসকে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওইদিন রাতে দুই যুবক ডাক বাংলা এলাকায় হাতে বাজারের ব্যাগ নিয়ে সাধারণ যাত্রী সেজে বাস ধরার জন্য অপেক্ষা করছিল। সেখান থেকে সড়ক পথে ঝাড়খণ্ডে যাওয়ার পরিকল্পনা করে সে। সেখানেই এক এজেন্টকে নোটগুলি হাতবদল করার কথা ছিল। খবর পেয়ে আগেভাগেই সেখানে পৌঁছে যায় সামশেরগঞ্জ থানার পুলিস। ধৃতদের আটক করে তল্লাশি চালাতেই নোটগুলি উদ্ধার হয়। তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া সব জাল নোটই ছিল ৫০০ টাকার।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিস জানতে পারে, ধৃত যুবক মালদহ থেকে ফরাক্কা হয়ে সড়ক পথে সামশেরগঞ্জে আসে। ঝাড়খণ্ডে সেগুলো হাত বদল করতে যাওয়ার জন্যই ওই রুটের বাসের অপেক্ষা করছিল যুবক। মালদহের এক কারবারির কাছ থেকেই জাল নোটগুলি তারা আমদানি করেছে বলে পুলিস জানতে পেরেছে। সাধারণত মালদহের বৈষ্ণবনগর, কালিয়াচক থেকেই জালনোট আশপাশের জেলাগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু মালদহ থেকে জালনোট রাজ্যের বাইরে পাচারের বিষয়টি ভাবাচ্ছে পুলিসকে।



