নবি মুম্বই: এই মুহূর্তে মহিলাদের ক্রিকেটে ‘চোকার্স’ তকমা সেঁটে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়ার সঙ্গে। রবিবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে হাতে সাত উইকেট নিয়েও ৫৪ বলে ৫৬ রান করা যায়নি। ‘হৃদয়বিদারক’ সেই পরাজয়ের ফলে মহিলাদের ওডিআই বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে ওঠার রাস্তা কঠিন হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ কার্যত কোয়ার্টার ফাইনাল। জিতলে শেষ চারের টিকিট মিলবে। হারলে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্যদের দিকে। পাশাপাশি, জিততেই হবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে।
তবে তার আগে কিউয়িদের হারানোই এখন স্মৃতি মান্ধানা, দীপ্তি শর্মাদের পাখির চোখ। কিন্তু টানা তিন ম্যাচে পরাজয় জোর ধাক্কা দিয়েছে আত্মবিশ্বাসে। অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ড— তিনটি দলই উঠেছে সেমি-ফাইনালে। বাকি একটামাত্র জায়গার জন্য লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ড ও ভারত। মুশকিল হল, তিনটি পরাজয়েই প্রতিফলিত, চাপের মুখে হরমনপ্রীত ব্রিগেডের ভেঙে পড়ার প্রবণতা। অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা তুলে ধরেছে ভারতীয় বোলিংয়ের দুর্দশা। আর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রকট হয়েছে রান তাড়া করায় সীমাবদ্ধতা। ভারতের প্রথমদিকের কোনও ব্যাটার শেষ পর্যন্ত থেকে ম্যাচ জিতিয়ে ফেরার দক্ষতার পরিচয় দেননি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মান্ধানা ও হরমনপ্রীত কার্যত উপহার দেন উইকেট। তারপর বাকিরাও যোগ দেন ভুলভাল শটের প্রদর্শনীতে। ভারতীয় বোলাররাও ধারাবাহিক নন। তার উপর টিম কম্বিনেশন নিয়েও সমস্যা কম নয়। ষষ্ঠ বিশেষজ্ঞ বোলার খেলাতে গেলে বাদ পড়ছেন জেমাইমা রডরিগেজ। এতে ব্যাটিং গভীরতা কমছে। অন্যদিকে, জেমাইমাকে খেলালে আবার বোলিং বৈচিত্র্যের অভাব ধরা পড়ছে। তখন হাত ঘোরাতে হচ্ছে হরমনপ্রীতকে।
ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামের পিচ সাধারণত ব্যাটিং সহায়ক হয়। তাই টস জিতলে ব্যাটিং নেওয়াই উচিত। কিন্তু, শিশিরের কারণে পরে বল করাও কঠিন হয়ে উঠছে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে যেমন ৩৩০ রানের পুঁজি নিয়েও জেতা যায়নি। চিন্তায় রাখছে আবহাওয়াও। মঙ্গলবার ভারতের অনুশীলন বাতিলই হয়ে যায় বৃষ্টিতে। তাই পিচের পাশাপাশি আকাশের দিকেও চোখ থাকবে দুই দলের।
ম্যাচ শুরু বিকাল ৩টেয়।
সরাসরি সম্প্রচার স্টার স্পোর্টসে।