Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সম্পতি নিয়ে বিবাদ, দাদাকে হাঁসুয়ার কোপ

সম্পতি নিয়ে বিবাদ, দাদাকে হাঁসুয়ার কোপ
  • ৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: দাদাকে ধারালো অস্ত্র হাঁসুয়া দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানোর অভিযোগ উঠল ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রীর বিরুদ্ধে। ঘটনায় গুরুতর জখম অবস্থায় রায়গঞ্জ মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন রায়গঞ্জের ছটপড়ুয়া এলাকার বাসিন্দা অমল বর্মন। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির সম্পতির ভাগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মেজ ভাই শ্যামলের সঙ্গে ঝামেলা চলছিল অমলের।  দুপুরে এনিয়ে কথা কাটাকাটি ও বচসা হয়। এরপর শ্যামল ও তাঁর স্ত্রী অমলের নামে রায়গঞ্জের কর্ণজোড়া ফাঁড়িতে অভিযোগ করে। অভিযোগ, বিষয়টি জানার পর অমল তার ভাইকে মারধর করে। এরপরই শ্যামল ও তার স্ত্রী মিতালি ধারালো অস্ত্র নিয়ে অমলের উপর চড়াও হয়। মারধরের পাশাপাশি অমলের মাথা, কোমর, পায়ে হাঁসুয়া দিয়ে কোপ মারে। 
Advertisement
অমলের স্ত্রী শেফালি বলেন, স্বামীকে চোখের সামনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আমার দেওর ও তার বউ। আমি আটকাতে গেলে আমাকেও ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়। এলাকার লোক এসে দুই ভাইয়ের মারামারি থামায়। অমল গুরুতর জখম হয়। জখম অবস্থায় রায়গঞ্জের কর্ণজোড়া ফাঁড়িতে অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিসের তরফ থেকে প্রথমে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা করতে বলা হয়। গুরুতর জখম অমলকে রায়গঞ্জ মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়। ক্ষত বেশি হওয়ায় অপারেশনও করা হয়। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন আহতের স্ত্রী।
বচসা ও মারধরের কথা স্বীকার করলেও হাঁসুয়া দিয়ে আঘাতের বিষয়টি অস্বীকার করেছে শ্যামল বর্মন। বলে, দাদা প্রতিদিনই মদ খেয়ে এসে আমাদের গালিগালাজ করে। যে জায়গা নিয়ে ঝামেলা সেটি আমার। আমার নামে কাগজপত্র রয়েছে। তারপরও সেই জায়গা দখল করার চেষ্টা করে। এনিয়ে বচসা হয় মঙ্গলবার। বাড়ির বাইরে আমাকে মারধর করে। আমিও মেরেছি। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যে। রায়গঞ্জ থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার বলেন, অভিযোগ পেয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সম্পর্কিত সংবাদ