নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ১০ লক্ষ কোটি টাকা ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার টার্গেট। অর্থাৎ রেল, সড়ক, সেতু, বিদ্যুৎ, বন্দর ইত্যাদি পরিকাঠামো খাতে কেন্দ্র আগামী আর্থিক বছরে এই খরচ করবে বলে লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে বাজেটে। এরকম লক্ষ্যমাত্রা বিগত বছরেও নেওয়া হয়েছিল। যার ধারেকাছেও যায়নি ব্যয়। জানা যাচ্ছে, কেন্দ্র স্থির করেছে গঙ্গাজলে গঙ্গাপুজো মডেল নেওয়া হবে। যে মন্ত্রকগুলির পরিকাঠামো খাতে বরাদ্দ সবথেকে বেশি, সেই মন্ত্রকগুলির হাতে থাকা স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে, লিজ দিয়ে কিংবা চুক্তির মাধ্যমে বাণিজ্যের অধিকার বেসরকারি হাতে দিয়ে অর্থ আয় করা হবে। সেই লক্ষ্যে ২০২৫-২৬ আর্থিক বছরে লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে রেল, বন্দর, জাহাজ, বিদ্যুৎ, পেট্রলিয়াম সেক্টরের সম্পদ বিক্রি করে অথবা সম্পদের বেসরকারিকরণ করে অন্তত আড়াই লক্ষ কোটি টাকা আয় করা হবে।
Advertisement
২০২১ সালে প্রথমবার অ্যাসেট মানিটাইজেশনের নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল। অর্থাৎ সরকারি সম্পদকে বেসরকারি হাতে নিয়ে অর্থ রোজগার। কী কী উপায়? জমি, বাড়ি বিক্রি, স্থাবর সম্পদকে ভাড়া দেওয়া, লিজ দেওয়া, চুক্তিতে যৌথ বাণিজ্য এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ। ২০২৩ সালের টার্গেট ছিল ১ লক্ষ ৮৬ হাজার কোটি টাকা। সরকারি সম্পদ বিক্রি অথবা বেসরকারি হাতে দিয়ে আয় হয়েছে ১ লক্ষ ৫৩ হাজার কোটি টাকা।
বিলগ্নিকরণের মাধ্যমে আয় করার প্ল্যান দু’প্রকার। প্রথমত সরাসরি সরকারি সংস্থাকে বিক্রি করা অথবা শেয়ার বিক্রি করে দেওয়া। আর নীতি আয়োগের পরিকল্পনা অনুযায়ী নতুন মডেল সরকারের সংস্থা তথা মন্ত্রকের হাতে থাকা দেশজুড়ে থাকা অসংখ্যা স্থাবর সম্পদের বিক্রি অথবা সেইসব সম্পদকে বেসরকারি হাতে দেওয়া। এই অ্যাসেট মানিটাইজেশন প্রাথমিকভাবে ছিল রেল, টেলিকম, বন্দরের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ক্রমেই সম্প্রসারিত হয়েছে তার সীমা। সরকারি সূত্রে জানা যাচ্ছে, এবার এক ধাক্কয় আড়াই লক্ষ কোটি টাকা আয় করার প্ল্যানের কারণ তালিকায় যুক্ত হয়েছে পেট্রলিয়াম সেক্টর, বিদ্যুৎ মন্ত্রক, খনি এবং জলপথ পরিবহণ। ২০২২ সাল থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে টার্গেট ছিল ৬ লক্ষ কোটি টাকা আয় করা। আর মাত্র হাতে এক বছর। অতএব শেষ বছরে মরিয়া কেন্দ্র চাইছে অন্তত আড়াই লক্ষ কোটি টাকা আয় করে পরবর্তী পর্যায়ে যাওয়ার।
বিলগ্নিকরণের মাধ্যমে আয় করার প্ল্যান দু’প্রকার। প্রথমত সরাসরি সরকারি সংস্থাকে বিক্রি করা অথবা শেয়ার বিক্রি করে দেওয়া। আর নীতি আয়োগের পরিকল্পনা অনুযায়ী নতুন মডেল সরকারের সংস্থা তথা মন্ত্রকের হাতে থাকা দেশজুড়ে থাকা অসংখ্যা স্থাবর সম্পদের বিক্রি অথবা সেইসব সম্পদকে বেসরকারি হাতে দেওয়া। এই অ্যাসেট মানিটাইজেশন প্রাথমিকভাবে ছিল রেল, টেলিকম, বন্দরের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ক্রমেই সম্প্রসারিত হয়েছে তার সীমা। সরকারি সূত্রে জানা যাচ্ছে, এবার এক ধাক্কয় আড়াই লক্ষ কোটি টাকা আয় করার প্ল্যানের কারণ তালিকায় যুক্ত হয়েছে পেট্রলিয়াম সেক্টর, বিদ্যুৎ মন্ত্রক, খনি এবং জলপথ পরিবহণ। ২০২২ সাল থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে টার্গেট ছিল ৬ লক্ষ কোটি টাকা আয় করা। আর মাত্র হাতে এক বছর। অতএব শেষ বছরে মরিয়া কেন্দ্র চাইছে অন্তত আড়াই লক্ষ কোটি টাকা আয় করে পরবর্তী পর্যায়ে যাওয়ার।



