নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: বাংলাদেশে অস্থির পরিস্থিতির প্রভাব রায়গঞ্জ ব্লকের বিন্দোল গ্রাম পঞ্চায়েতের বহোর এলাকায়। একেবারে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হওয়ায় বর্তমানে বহোর এলাকায় বিএসএফের কড়াকড়ি চলছে। তাতেই অসন্তোষ বাড়ছে এলাকায়। এ ব্যাপারে নানা দাবিদাওয়া নিয়ে বুধবার জেলাশাসকের দ্বারস্থ হন সীমান্তের বাসিন্দাদের একাংশ। গোপালচন্দ্র বর্মন, মজেন বর্মন বলেন, ১৯৯৮ সালে এলাকার সীমান্তে তারকাঁটার বেড়া নির্মাণের জন্য জিরো লাইন থেকে ১৫০ গজ দূরে সার্ভে হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই বেড়া নির্মাণ হয় জিরো লাইন থেকে ৪০০ থেকে ৬০০ মিটার দূরে বহোর-বিন্দোলগামী একমাত্র রাস্তার পাশে দিয়ে। তার ফলে এলাকার অনেকের চাষের খেত কাঁটাতারের ওপারে পড়ে যায়। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের উত্তাল পরিস্থিতির জন্য বিএসএফের তরফেও কড়াকড়ি বেড়েছে। এতে বহোর-বিন্দোলগামী একমাত্র রাস্তা দিয়ে বাসিন্দাদের চলাচলে ব্যাপক অসুবিধার মুখে পড়তে হচ্ছে। ঘনঘন বিএসএফের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হচ্ছে। এলাকায় সামাজিক অনুষ্ঠান করতে গিয়েও সমস্যা হচ্ছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে ভুট্টার মতো অর্থকরী ফসল চাষ করতে পারছেন না সীমান্তের চাষিরা। কাটাতার সংলগ্ন এপার ও ওপারের জমিতে কোনও ফসল চাষ করলে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা সেসব কেটে নিয়ে চলে যাচ্ছে। এদিন এই সমস্যা মেটাতে জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন গোপাল, মজেনরা। গোপাল বলেন, এখন আমাদের এলাকায় পুরনো বেড়া বদলে নতুন বেড়া দিচ্ছে বিএসএফ। আমাদের দাবি, ১৯৯৮ সালে জিরো লাইন থেকে ১৫০ গজ দূরে যে অংশে সার্ভে হয়েছিল, সেই অংশে বিএসএফ কাঁটাতার দিক। তাহলে বিন্দোল-বহোরগামী রাস্তা দিয়ে আমরা যাতায়াত করতে পারব। জেলাশাসককে স্মারকলিপি বহোরের বাসিন্দাদের।-নিজস্ব চিত্র



