নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহার জেলা মানেই বিস্তীর্ণ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। কোথাও কাঁটাতারের বেড়া রয়েছে। কোথাও আবার তাও নেই। রয়েছে নদী। কাঁটাতারের বেড়ার ওপারের ভারতীয় ভূখণ্ড। কোথাও দীর্ঘ পথ নৌকায় পাড়ি দিয়ে পৌঁছতে হয়। কোথাও আবার হেঁটে। তাই প্রত্যন্ত এসব এলাকায় যাতায়াত যেমন সমস্যা, তেমনই সবসময়ের জন্য নজরদারি চালানোও যথেষ্ট কঠিন পুলিসের পক্ষে। এসব সীমান্ত ঘেঁষা জায়গায় জেলা পুলিসের মোট ১২টি ক্যাম্প রয়েছে। সীমান্ত সংলগ্ন এসব এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর জন্য এই ক্যাম্পগুলিকে আরও জোরদার করা হচ্ছে। একইসঙ্গে এসব এলাকায় টহলদারি বাড়ানো হচ্ছে। আর সব থেকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সাইবার অপরাধ সম্পর্কে গ্রামীণ মানুষকে সচেতনতার উপর।
Advertisement
জেলা পুলিসের দাবি, অভাব ও অজ্ঞতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সাইবার অপরাধীরা অনেক সময়েই অন্যের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অপরাধ সংগঠিত করে। যা বর্তমানে ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এর আগেও দিনহাটার এক ব্যক্তিকে এই ধরনের কাজে যুক্ত সন্দেহে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। ল্যাপটপ সহ অন্যান্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।
সম্প্রতি জেলার পুলিস সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য সীমান্তবর্তী এসব গ্রামগুলিতে যাচ্ছেন। জেলার সব থেকে দুর্গম এলাকা ছিট বড় লাউকুঠি। দীর্ঘ নদীপথ পেরিয়ে সেখানে গিয়েছেন এসপি। একইভাবে চর বালাভুত, দেওয়ানবস, কলসী গ্রাম, জারিধরলা দরিবস, শ্রীলঙ্কা প্রভৃতি সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলিতে একের পর নিজেই পৌঁছে যাচ্ছেন তিনি। এর কারণ কি? সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ রয়েছে। তার পরেও পুলিসি টহলদারি বাড়ানো হয়েছে ছিট বড় লাউকুঠি গ্রামে।
জেলায় মোট ৫৪০ কিমি সীমান্ত এলাকা রয়েছে। এই সমস্ত সীমান্ত ঘেঁষা এলাকাগুলিতে রয়েছে মোট ১২টি পুলিস ক্যাম্প। এই ক্যাম্পগুলিকেই এবার জোরদার করার লক্ষ্য নিয়েছে জেলা পুলিস। যাতে সাইবার অপরাধ, বাল্য বিবাহ সহ একাধিক অপরাধমূলক কাজ রুখে দেওয়া যায়। বালাভূত, মানসাই, জোড়াই প্রভৃতি এলাকার পুলিস ক্যাম্পগুলিতে টহলদারি বাড়ানো হচ্ছে।
এসপি বলেন, জেলার সীমান্তবর্তী এলাকার পুলিস ক্যাম্পগুলিকে জোরদার করা হচ্ছে। সাইবার অপরাধ সহ অন্যান্য অপরাধ রুখতে টহলদারি বাড়ানো হচ্ছে। গ্রামবাসীদের ফোন নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে যাতে কোনও অপরাধ না হয় সেই বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে।
সম্প্রতি জেলার পুলিস সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য সীমান্তবর্তী এসব গ্রামগুলিতে যাচ্ছেন। জেলার সব থেকে দুর্গম এলাকা ছিট বড় লাউকুঠি। দীর্ঘ নদীপথ পেরিয়ে সেখানে গিয়েছেন এসপি। একইভাবে চর বালাভুত, দেওয়ানবস, কলসী গ্রাম, জারিধরলা দরিবস, শ্রীলঙ্কা প্রভৃতি সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলিতে একের পর নিজেই পৌঁছে যাচ্ছেন তিনি। এর কারণ কি? সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ রয়েছে। তার পরেও পুলিসি টহলদারি বাড়ানো হয়েছে ছিট বড় লাউকুঠি গ্রামে।
জেলায় মোট ৫৪০ কিমি সীমান্ত এলাকা রয়েছে। এই সমস্ত সীমান্ত ঘেঁষা এলাকাগুলিতে রয়েছে মোট ১২টি পুলিস ক্যাম্প। এই ক্যাম্পগুলিকেই এবার জোরদার করার লক্ষ্য নিয়েছে জেলা পুলিস। যাতে সাইবার অপরাধ, বাল্য বিবাহ সহ একাধিক অপরাধমূলক কাজ রুখে দেওয়া যায়। বালাভূত, মানসাই, জোড়াই প্রভৃতি এলাকার পুলিস ক্যাম্পগুলিতে টহলদারি বাড়ানো হচ্ছে।
এসপি বলেন, জেলার সীমান্তবর্তী এলাকার পুলিস ক্যাম্পগুলিকে জোরদার করা হচ্ছে। সাইবার অপরাধ সহ অন্যান্য অপরাধ রুখতে টহলদারি বাড়ানো হচ্ছে। গ্রামবাসীদের ফোন নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে যাতে কোনও অপরাধ না হয় সেই বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে।



