সংবাদদাতা, কালিয়াগঞ্জ: সীমান্ত লাগোয়া কালিয়াগঞ্জের রাধিকাপুরে তৈরি হচ্ছে ইকো পার্ক। ইতিমধ্যে টাঙন নদীর পাড়ে ২০ বিঘা জমি প্রাচীর দিয়ে ঘেরা হচ্ছে। এই কাজ শেষের পথে। পার্কের ভিতরে দুটি বড় পুকুর হচ্ছে। একটি পুকুরে বিভিন্ন ধরনের শৌখিন মাছ, কচ্ছপ ছাড়া হবে পর্যটকদের দেখার জন্য। আরেকটি পুকুরে চালু হবে বোটিং। জেলা পরিষদ, কালিয়াগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতি ও রাধিকাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত যৌথভাবে অর্থ বরাদ্দ করেছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, ইকো পার্ক তৈরিতে বাজেট ধরা হয়েছে ৩ কোটি টাকা। আপাতত এককোটি টাকার কাজ চলছে। ধাপে ধাপে বাকি টাকা বরাদ্দ হবে।
Advertisement
পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হিরন্ময় সরকার বলেন, আগামী দু’বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইকো পার্কটিতে বোটিংয়ের ব্যবস্থা, গেস্ট হাউস, ফোয়ারা, ছোটদের জন্য মনোরঞ্জনের ব্যবস্থা থাকবে। গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ভরনা রায় বলেন, রাধিকাপুর সীমান্ত ঘেঁষা এলাকা। নদীর পাড়ে ইকো পার্ক তৈরি হওয়ায় এলাকার আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
উত্তর দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন ফরেস্টে ইতিমধ্যে পিকনিক বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। ফলে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে রাধিকাপুরের টাঙন নদীর পাড়। প্রতিবছর পিকনিকের মরশুমে ভিড় বাড়ে এখানে। সীমান্ত এলাকায় এই পার্ক তৈরি হওয়ায় খুশি রাধিকাপুরের বাসিন্দারা। সেখানকার পঙ্কজ দাসের কথায়, সীমান্তের এই পার্কে পর্যটক এলে এখানকার মানুষেরও কর্মসংস্থান হবে। সীমান্ত এলাকায় ইকো পার্কের কাজ শুরু হওয়ায় খুশি এলাকাবাসী।
(কালিয়াগঞ্জের রাধিকাপুরে তৈরি হচ্ছে ইকো পার্কের সীমানা প্রাচীর।-নিজস্ব চিত্র)
উত্তর দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন ফরেস্টে ইতিমধ্যে পিকনিক বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। ফলে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে রাধিকাপুরের টাঙন নদীর পাড়। প্রতিবছর পিকনিকের মরশুমে ভিড় বাড়ে এখানে। সীমান্ত এলাকায় এই পার্ক তৈরি হওয়ায় খুশি রাধিকাপুরের বাসিন্দারা। সেখানকার পঙ্কজ দাসের কথায়, সীমান্তের এই পার্কে পর্যটক এলে এখানকার মানুষেরও কর্মসংস্থান হবে। সীমান্ত এলাকায় ইকো পার্কের কাজ শুরু হওয়ায় খুশি এলাকাবাসী।
(কালিয়াগঞ্জের রাধিকাপুরে তৈরি হচ্ছে ইকো পার্কের সীমানা প্রাচীর।-নিজস্ব চিত্র)



