নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ ও সংবাদদাতা চোপড়া: সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর লাগামহীন অত্যাচার, মন্দির ভাঙার অভিযোগ। এমনকী মন্দিরে যাওয়া যাবে না বলেও ফতোয়া জারি করা হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা না মানলে অপহরণ করার হুমকিও দিচ্ছে কট্টরপন্থীরা। সীমাহীন আতঙ্কের সেই পরিবেশে থাকতে না পেরে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আন্তর্জাতিক সীমানা পেরিয়ে ভারতে ঢুকল এক নাবালিকা। তাকে আটক করে চোপড়া থানার পুলিসের হাতে তুলে দিয়েছে বিএসএফ। আইন অনুসারে নাবালিকাকে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের সামনে হাজির করে পুলিস। বুধবার বোর্ড তাকে হোমে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।
Advertisement
বিএসএফ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ওই নাবালিকার চোখেমুখে গভীর আতঙ্ক। কোনও বৈধ নথি ছাড়াই আন্তর্জাতিক সীমানা পেরিয়ে চোপড়ার বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে সে এদেশে ঢুকেছিল। পুলিস সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া নাবালিকা ওপারের পঞ্চগড় এলাকার বাসিন্দা। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। একটি ধর্মীয় সংস্থারও সদস্য। সেখানে পূজার্চনা ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত যোগ দিত। এই জন্য তাকে বাংলাদেশি কট্টরপন্থীদের ফতোয়ার মুখে পড়তে হয়। বিএসএফের কাছেও নিজের এই অসহায়তার কথা জানিয়েছে ওই নাবালিকা। অবশেষে পুলিস এ দেশে তার এক আত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে ডেকে পাঠায়। সম্পর্কের দাদুকেও নাবালিকা বাংলাদেশে আতঙ্কের কথা জানিয়েছে।
জানা গিয়েছে, নাবালিকার দাদু জলপাইগুড়ি জেলার বেলাকোবার বাসিন্দা। বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ওই নাবালিকা দাদুর বাড়িতেই আশ্রয় নিতে এসেছিল। ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, ধৃত নাবালিকা সম্পর্কে আমার নাতনি। বাংলাদেশে একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ভক্ত বলে ওর উপর অত্যাচার হয়েছে। অপহরণ করবে বলে ভয় দেখানোও হয়। নাতনি অত্যন্ত অসহায় অবস্থায় এদেশে ঢুকেছে। ওর বাবা পক্ষাঘাতগ্রস্ত। মা অসুস্থ। ওই নাবালিকার দাদুর প্রশ্ন, যেভাবে ওখানে কট্টরপন্থীরা অত্যাচার, হুমকি দিচ্ছে, ছোট ছোট মেয়েরা কীভাবে থাকবে? ভারত সরকার পদক্ষেপ নিলে ভালো হয়। ইসলামপুরের পুলিস জেলার সুপার জবি থমাস বলেন, মঙ্গলবার রাতে অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে এক নাবালিকার এ দেশে আসা নিয়ে বিএসএফ অভিযোগ জানিয়েছে চোপড়া থানায়। মেয়েটিকে উদ্ধার করে পুলিসের হাতে তুলে দিয়েছে বিএসএফ। আইন অনুযায়ী রায়গঞ্জের একটি হোমে তাকে প্রাথমিকভাবে রাখা হয়েছে। বুধবার তাকে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের সামনেও হাজির করা হয়। ওই বোর্ডের সরকারি আইনজীবী প্রদীপ অধিকারী বলেন, মেয়েটিকে হোমে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বোর্ড। আতঙ্কগ্রস্ত নাবালিকার কাউন্সেলিং চলছে।
জানা গিয়েছে, নাবালিকার দাদু জলপাইগুড়ি জেলার বেলাকোবার বাসিন্দা। বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ওই নাবালিকা দাদুর বাড়িতেই আশ্রয় নিতে এসেছিল। ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, ধৃত নাবালিকা সম্পর্কে আমার নাতনি। বাংলাদেশে একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ভক্ত বলে ওর উপর অত্যাচার হয়েছে। অপহরণ করবে বলে ভয় দেখানোও হয়। নাতনি অত্যন্ত অসহায় অবস্থায় এদেশে ঢুকেছে। ওর বাবা পক্ষাঘাতগ্রস্ত। মা অসুস্থ। ওই নাবালিকার দাদুর প্রশ্ন, যেভাবে ওখানে কট্টরপন্থীরা অত্যাচার, হুমকি দিচ্ছে, ছোট ছোট মেয়েরা কীভাবে থাকবে? ভারত সরকার পদক্ষেপ নিলে ভালো হয়। ইসলামপুরের পুলিস জেলার সুপার জবি থমাস বলেন, মঙ্গলবার রাতে অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে এক নাবালিকার এ দেশে আসা নিয়ে বিএসএফ অভিযোগ জানিয়েছে চোপড়া থানায়। মেয়েটিকে উদ্ধার করে পুলিসের হাতে তুলে দিয়েছে বিএসএফ। আইন অনুযায়ী রায়গঞ্জের একটি হোমে তাকে প্রাথমিকভাবে রাখা হয়েছে। বুধবার তাকে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের সামনেও হাজির করা হয়। ওই বোর্ডের সরকারি আইনজীবী প্রদীপ অধিকারী বলেন, মেয়েটিকে হোমে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বোর্ড। আতঙ্কগ্রস্ত নাবালিকার কাউন্সেলিং চলছে।



