সংবাদদাতা, কালিয়াগঞ্জ: সীমান্তে অপরাধমূলক কাজে যুক্ত থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল হেমতাবাদ থানার পুলিস। ধৃতের নাম মকসেদ আলি। বাড়ি হেমতাবাদের ভরতপুর এলাকায়।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর পঞ্চাশের মকসেদ সীমান্তে কখনও পাচার করত। কখনও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিত। আরও একাধিক অবৈধ কাজে জড়িত ছিল এই ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার রাতে মকসেদকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। শুক্রবার ধৃতকে রায়গঞ্জ জেলা আদালতে তুলে ৩ দিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিস।
পুলিস ও গোয়েন্দার দাবি, ধৃত ব্যক্তি একাধিক সিম ও মোবাইল ব্যবহার করে বিভিন্ন তথ্য আদানপ্রদান করত বাংলাদেশে। কাফ সিরাপ সহ অবৈধ জিনিস পাচারে যুক্ত রয়েছে এই ব্যক্তি। অবৈধভাবেও বাংলাদেশি পারাপার করত। বহুদিন ধরেই মকসেদের কার্যকলাপে সন্দেহ ছিল পুলিসের। কিছুদিন আগেই ভরতপুর থেকে এক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে হেমতাবাদ থানার পুলিস। তাকে জেরা করেই মকসেদের নাম পায় তদন্তকারীরা। এরপর থেকেই ফেরার ছিল অভিযুক্ত। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিসের জালে ধরা পড়ে মকসেদ। হেমতাবাদ থানার আইসি সুজিত লামা বলেন, মকসেদের বিরুদ্ধে একাধিক অপরাধমূলক কার্যকলাপের অভিযোগ রয়েছে। ধৃতের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হবে। এই অবৈধ কাজের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তদন্ত শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের অস্থির পরিস্থিতিতে সীমান্তে অনুপ্রবেশ দিনদিন বাড়ছে। পুলিস জানিয়েছে, অনুপ্রবেশকারীদের এপারে এনে নিজের বাড়িতে আশ্রয় দিত মকসেদ। বিনিময়ে মোটা টাকা নিত ধৃত ব্যক্তি। অনুপ্রবেশকারীদের ভুয়ো পরিচয়পত্রও বানিয়ে দিত বলে অভিযোগ। বাংলাদেশি নাগরিকদের সঙ্গেও তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে বলে অভিযোগ। ধৃতের দাবি, বাংলাদেশে আমার আত্মীয় রয়েছে। আমি তাদের সঙ্গে কথা বলি। ভারতে আসা আত্মীয়দের আশ্রয় দিয়েছিলাম আমি। আমার বিরুদ্ধে ভুল অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিস ও গোয়েন্দার দাবি, ধৃত ব্যক্তি একাধিক সিম ও মোবাইল ব্যবহার করে বিভিন্ন তথ্য আদানপ্রদান করত বাংলাদেশে। কাফ সিরাপ সহ অবৈধ জিনিস পাচারে যুক্ত রয়েছে এই ব্যক্তি। অবৈধভাবেও বাংলাদেশি পারাপার করত। বহুদিন ধরেই মকসেদের কার্যকলাপে সন্দেহ ছিল পুলিসের। কিছুদিন আগেই ভরতপুর থেকে এক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে হেমতাবাদ থানার পুলিস। তাকে জেরা করেই মকসেদের নাম পায় তদন্তকারীরা। এরপর থেকেই ফেরার ছিল অভিযুক্ত। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিসের জালে ধরা পড়ে মকসেদ। হেমতাবাদ থানার আইসি সুজিত লামা বলেন, মকসেদের বিরুদ্ধে একাধিক অপরাধমূলক কার্যকলাপের অভিযোগ রয়েছে। ধৃতের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হবে। এই অবৈধ কাজের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তদন্ত শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের অস্থির পরিস্থিতিতে সীমান্তে অনুপ্রবেশ দিনদিন বাড়ছে। পুলিস জানিয়েছে, অনুপ্রবেশকারীদের এপারে এনে নিজের বাড়িতে আশ্রয় দিত মকসেদ। বিনিময়ে মোটা টাকা নিত ধৃত ব্যক্তি। অনুপ্রবেশকারীদের ভুয়ো পরিচয়পত্রও বানিয়ে দিত বলে অভিযোগ। বাংলাদেশি নাগরিকদের সঙ্গেও তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে বলে অভিযোগ। ধৃতের দাবি, বাংলাদেশে আমার আত্মীয় রয়েছে। আমি তাদের সঙ্গে কথা বলি। ভারতে আসা আত্মীয়দের আশ্রয় দিয়েছিলাম আমি। আমার বিরুদ্ধে ভুল অভিযোগ আনা হয়েছে।



