Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সীমান্ত অঞ্চলে দুয়ারে সরকার শিবিরে মিলছে ব্যাপক সাড়া

সীমান্ত অঞ্চলে দুয়ারে সরকার শিবিরে মিলছে ব্যাপক সাড়া
  • ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, ডোমকল: দুয়ারে সরকারে ব্যাপক সাড়া মিলছে ডোমকল মহকুমার সীমান্তের ব্লকগুলিতে। থানা এলাকার স্কুল-কলেজ ছাড়াও প্রত্যন্ত এলাকাতেও বসছে দুয়ারে সরকারের শিবির। সরকারি পরিষেবা নিতে সেখানে ভিড় জমাচ্ছেন প্রচুর মানুষ। চলছে ৩৭টি প্রকল্পের জন্য আবেদনপত্র গ্রহণের কাজ। তবে আবেদনের দিক দিয়ে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পকে রীতিমতো টক্কর দিচ্ছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। আবেদনের দিক দিয়ে পিছিয়ে নেই বার্ধক্য ভাতা ও বিনামূল্যে সামাজিক সুরক্ষা যোজনার মত প্রকল্পগুলিও। সবমিলিয়ে রীতিমতো উৎসবের মেজাজে ডোমকল মহকুমায় চলছে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি।
Advertisement
একাধিক সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের দরজায় দরজায় পৌঁছে দিতে ২০২০ সাল থেকে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি শুরু করেছে রাজ্য সরকার। এবছর তার নবমতম সংস্করণ। এবার দুয়ারে সরকারে এক ছাতার তলায় আনা হয়েছে ৩৭টি প্রকল্পকে। তাতেই মিলেছে ব্যাপক সাড়া। মহকুমাজুড়ে রেকর্ড সংখ্যক শিবিরের আয়োজন করছে প্রশাসন। এরফলে উপকৃত হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ।
প্রশাসন সূত্রের খবর, সব প্রকল্পেই মানুষ ভালো সাড়া দিয়েছেন। কোন প্রকল্পে কত মানু্ষ সাড়া দিয়েছেন, সেটা নির্দিষ্ট করে না জানানো হলে এবারও খাদ্যসাথী, স্বাস্থ্যসাথী, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী প্রকল্পে নাম লেখাতে সব থেকে বেশি সংখ্যক মানুষকে দেখা গিয়েছে। এছাড়া আধার কার্ড সংক্রান্ত কাজ, ভবিষ্যৎ ক্রেডিট কার্ড, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড নিয়েও ভালো সাড়া মিলেছে বলে সূত্রের খবর। তবে সীমান্তের ব্লকগুলিতে আবেদনের নিরিখে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প অনেকটাই এগিয়ে আছে। বার্ধক্য ভাতা ও বিনামূল্যে সামাজিক সুরক্ষা যোজনাতেও ভালো সাড়া পড়েছে। প্রবীণ নাগরিকদের জন্য মোবাইল ক্যাম্পের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল।
জলঙ্গির উদয়নগরের পঞ্চায়েত সদস্য আজাদ আলি বলেন, আমাদের মতো প্রত্যন্ত চরেও ভালোই সাড়া মিলছে দুয়ারে সরকারে। রানিনগরের হাসিনা বিবি বলেন, আমার স্বামী কেরলে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। স্বামীর জন্য কর্মসাথী প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করলাম। সঙ্গে আমার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্মও জমা দিলাম। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেলে সংসারের অনেক সমস্যাই মিটবে বলে আশা করছি। 
ডোমকলের এসডিও শুভঙ্কর বালা বলেন, কমবেশি সমস্ত প্রকল্পেই ব্যাপক সাড়া মিলছে। বার্ধক্য ভাতা, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, খাদ্যসাথী, স্বাস্থ্যসাথীর মতো প্রকল্পগুলিতেও বেশ সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। এইসব প্রকল্পের মাধ্যমে প্রচুর মানুষ উপকৃত হবেন।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ