Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সীমান্তে কাঁটাতার না থাকার কারণে বাড়ছে অনুপ্রবেশ

সীমান্তে কাঁটাতার না থাকার কারণে বাড়ছে অনুপ্রবেশ
  • ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, ডোমকল: ডোমকল মহকুমায় ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্ত আলাদা করেছে কোথাও মজে যাওয়া খাল, কোথাও নদী, আবার কোথাও বিস্তীর্ণ ফসলের খেত। কাঁটাতারের কোনও বালাই নেই। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই ডোমকল মহকুমার সীমান্ত হয়ে উঠেছে অবৈধ পারাপারের করিডর। 
Advertisement
সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদের প্রায় ১২৫ কিমিজুড়ে রয়েছে বাংলাদেশ সীমান্ত। তার মধ্যে প্রায় ৪২ কিমি স্থল সীমান্ত। আর বাকি অংশে সীমান্ত ভাগ করেছে বিভিন্ন নদী। ১২৫ কিমি দীর্ঘ এই সীমান্তের মধ্যে ডোমকল মহকুমার রানিনগর থেকে জলঙ্গি পর্যন্ত রয়েছে প্রায় ৩০ কিমি সীমান্ত। সীমান্তে কোথাও পদ্মা নদী, কোথাও আবার ফসলের খেত। যার মধ্যে রানিনগরের সামান্য একটি অংশ ছাড়া কোথাও তেমন কাঁটাতারের বেড়া নেই। গত কয়েক মাসে ডোমকলের বিভিন্ন থানা এলাকার সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার হয়েছে অন্তত কুড়িজন বাংলাদেশি। তাদের অধিকাংশ হয় কাঁটাতার পেরিয়ে এপারে আসার সময় ধরে পড়েছেন, নয় তো নিজের দেশে ফেরত যাওয়ার সময়ে ধরা পড়েছেন। কাঁটাতারহীন ওইসব সীমান্ত দিয়ে মাঝেমধ্যেই ওপার বাংলা থেকে অনুপ্রবেশকারীরা ঢুকে পড়ছে এপারে। এপারে থেকে আবার ফিরে যাচ্ছে ওপারে। মাঝেমধ্যে ধরাও পড়ছে। কিন্তু এত বড় অংশে কাঁটাতার না থাকায় কিছুতেই রাশ টানা যাচ্ছে না অবৈধ পারাপারে। ওপারের কুখ্যাত সমাজবিরোধীরা এপার বাংলায় এসে অপরাধ করে সহজেই পালিয়ে যায় বাংলাদেশে। সীমান্তের বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, কাঁটাতারহীন এলাকা দুষ্কৃতীদের মুক্তাঞ্চল। কাঁটাতার ছাড়া সীমান্তে নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো হওয়া সম্ভব নয়।
তাঁদের আরও দাবি, কাঁটাতার না থাকায় ওপারের লোকেরা সহজেই এপারের গ্রামে এসে গা ঢাকা দিচ্ছে। এলাকায় দুষ্কৃতীমূলক কাজকর্ম করে পুনরায় ফিরে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, এই মুহূর্তে কত অংশে কাঁটাতার দেওয়া হয়েছে, কত অংশে বাদ রয়েছে বলে সম্ভব নয়। বিভিন্ন খোলা সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য জমি অধিগৃহীত হয়েছে, কোথাও কোথাও কাজও শুরু হয়েছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ