সংবাদদাতা, ডোমকল: মাথাপিছু সাত হাজারেই হয়েছিল অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের রফা। টাকার বিনিময়ে সাত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে নিরাপদে নিজের দেশে পৌঁছে দিতে কাজ করেছিল দালাল নেটওয়ার্ক। জলঙ্গিতে সাত বাংলাদেশি ও তিন ভারতীয় দালালকে পাকড়াও করার পর এমনই তথ্য উঠে এসেছে তদন্তে। কিন্তু এই প্রথম নয়, সীমান্তে কাঁটাতার না থাকার সুযোগকে হাতিয়ার করে সীমান্তজুড়ে এখন সক্রিয় অবৈধভাবে বাংলাদেশে পারাপারের দালাল সিন্ডিকেট। কেউ নিচ্ছে সাত হাজার, কোথাও আবার রেট একটু কম, কোথাও খানিকটা বেশি! সীমান্তজুড়ে সক্রিয় এই ধরনের দালাল সিন্ডিকেটই পুলিস-বিএসএফের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে, এই চক্র নিয়ে অবহিত পুলিস থেকে বিএসএফ। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করেছে তারা। চলছে আরও সুলুকসন্ধান। কিন্তু তারপরেও যেন কিছুতেই রাশ টানা যাচ্ছে সীমান্তেজুড়ে সক্রিয় থাকা দালাল সিন্ডিকেটের রমরমায়।
Advertisement
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকালে জলঙ্গির সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে যাওয়ার সময় সময় দুই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে পাকড়াও করেছিল বিএসএফ। এরপরে তাদের মাধ্যমে টোপ দিয়ে এক ভারতীয় দালালকে পাকড়াও করে। পরে ওই দালালের মাধ্যমে টোপ দিয়ে আরও পাঁচ বাংলাদেশিকে পাকড়াও করে বিএসএফ। শেষে আরও দুই ভারতীয় দালাল সহ মোট সাত বাংলাদেশিকে পাকড়াও করেছিল বিএসএফ।
ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে, মাথাপিছু সাত হাজার টাকার বিনিনিয়ে ওই সাত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে সীমান্ত পারাপারে সহযোগিতা করেছিল একটি দালাল সিন্ডিকেট। ওই দালাল সিন্ডিকেটের পাঁচ এজেন্ট বিভিন্নভাবে তাদের সহযোগিতা করেছিল। তাদের মধ্যে তিনজন গ্রেপ্তারও হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
তবে এই ঘটনা নতুন নয়। মাস কয়েকের মধ্যেই জলঙ্গি, রানিনগর, সুতি সীমান্তে একাধিক জায়গায় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের গ্রেপ্তারির পর তদন্তে উঠে এসেছে এমনই সব দালাল সিন্ডিকেটের তথ্য।
কীভাবে কাজ করে এই দালাল সিন্ডিকেট? নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে খোলাসা করলেন পুলিসের এক আধিকারিক নিজেই। তিনি জানালেন, তদন্তে যা উঠে এসেছে, তাতে জেলা সহ ভিন রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে রয়েছে এইরকম দালাল চক্রের বিভিন্ন এজেন্ট। সীমান্ত পারাপারের জন্য ওই দালালদের খোঁজ পাচ্ছে তারা। চলছে দালালের সঙ্গে দর কষাকষি। রফা হলেই দালাল তার সমস্ত নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে কোন পথ দিয়ে তাদের আসতে হবে, কখন আসতে হবে, সমস্ত কিছু জানিয়ে দিচ্ছে। এরপরে সীমান্তের গ্রামে এসে থাকছে দালালের গোপন সব জায়গায়। পরে সুযোগ বুঝে তারা একেবারে পর্যন্ত পৌঁছে দিচ্ছে সীমান্তে।
প্রসঙ্গত, মুর্শিদাবাদের ১২৫ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকার অনেক অংশে কাঁটাতার নেই। বিশেষ করে রানিনগর, সাগরপাড়া, জলঙ্গির বিশাল অংশে কাঁটাতার নেই। ফেন্সিংহীন এইসব এলাকাগুলিকেই টার্গেট করছে দালাল সিন্ডিকেট। জেলায় একের পর এক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তারির পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসা এই দালাল সিন্ডিকেটই যেন নতুন করে মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে পুলিস প্রশাসনের।
ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে, মাথাপিছু সাত হাজার টাকার বিনিনিয়ে ওই সাত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে সীমান্ত পারাপারে সহযোগিতা করেছিল একটি দালাল সিন্ডিকেট। ওই দালাল সিন্ডিকেটের পাঁচ এজেন্ট বিভিন্নভাবে তাদের সহযোগিতা করেছিল। তাদের মধ্যে তিনজন গ্রেপ্তারও হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
তবে এই ঘটনা নতুন নয়। মাস কয়েকের মধ্যেই জলঙ্গি, রানিনগর, সুতি সীমান্তে একাধিক জায়গায় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের গ্রেপ্তারির পর তদন্তে উঠে এসেছে এমনই সব দালাল সিন্ডিকেটের তথ্য।
কীভাবে কাজ করে এই দালাল সিন্ডিকেট? নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে খোলাসা করলেন পুলিসের এক আধিকারিক নিজেই। তিনি জানালেন, তদন্তে যা উঠে এসেছে, তাতে জেলা সহ ভিন রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে রয়েছে এইরকম দালাল চক্রের বিভিন্ন এজেন্ট। সীমান্ত পারাপারের জন্য ওই দালালদের খোঁজ পাচ্ছে তারা। চলছে দালালের সঙ্গে দর কষাকষি। রফা হলেই দালাল তার সমস্ত নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে কোন পথ দিয়ে তাদের আসতে হবে, কখন আসতে হবে, সমস্ত কিছু জানিয়ে দিচ্ছে। এরপরে সীমান্তের গ্রামে এসে থাকছে দালালের গোপন সব জায়গায়। পরে সুযোগ বুঝে তারা একেবারে পর্যন্ত পৌঁছে দিচ্ছে সীমান্তে।
প্রসঙ্গত, মুর্শিদাবাদের ১২৫ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকার অনেক অংশে কাঁটাতার নেই। বিশেষ করে রানিনগর, সাগরপাড়া, জলঙ্গির বিশাল অংশে কাঁটাতার নেই। ফেন্সিংহীন এইসব এলাকাগুলিকেই টার্গেট করছে দালাল সিন্ডিকেট। জেলায় একের পর এক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তারির পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসা এই দালাল সিন্ডিকেটই যেন নতুন করে মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে পুলিস প্রশাসনের।



