সংবাদদাতা, দিনহাটা: বাংলাদেশ পরিস্থিতির জেরে দিনহাটা সীমান্তে নির্বিঘ্নে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নতুন বছরের জানুয়ারি মাসে নয়ারহাটে একটি সাব স্টেশন চালু হচ্ছে। নাজিরহাটে কাজ শুরু হবে আরওএকটি সাব স্টেশনের। আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া ও বিএসএফের আউট পোস্টগুলিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে সব স্টেশনগুলি থেকে। বর্তমানে তিনটি সাব স্টেশন থেকে সীমান্ত লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এবারে পাঁচটি সাব স্টেশন থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটা হয়ে গেল রাতে অপরাধ, অনুপ্রবেশ রুখতে সুবিধা হবে সীমান্তরক্ষীদের। তবে শুধু সীমান্তে নয়, সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাতেও প্রয়োজন পড়েছে বাড়তি নজরদারি। আর সেই নজরদারিতে যাতে আলো কোনওভাবেই অন্তরায় না হয়ে দাঁড়ায় তারজন্য সীমান্ত সংলগ্ন নাজিরহাট ও নয়ারহাটে দু’টি সাব স্টেশন তৈরি করছে বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানি। প্রতিটি সাব স্টেশনের ক্ষমতা থাকবে ১২.৬ এমভিএ। ইতিমধ্যেই নয়ারহাট সাব স্টেশনের কাজ শেষ পর্যায়ে। জানুয়ারি মাসের মধ্যে সেখান থেকে পুরোদমে বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজ শুরু হয়ে যাবে। অপরদিকে, নাজিরহাটে সাব স্টেশনের জন্য জমি দেখার কাজ শেষ। জমি হস্তান্তর হলেই সেখানেও কাজ শুরু হয়ে যাবে। এই দু’টি সাব স্টেশন তৈরি হয়ে গেলে সীমান্ত ও সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলিতে থাকা বিদ্যুতের চাহিদা অনেকটাই মিটে যাবে।
Advertisement
বিদ্যুৎ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমান তিনটি বর্ডার ডেডিকেটেড ফিডার রয়েছে। যার মধ্যে একটি বামনহাট থেকে, আরএকটি বলরামপুর থেকে এবং তৃতীয়টি সিতাই সাব স্টেশন থেকে যায়। তবে এরমধ্যে বামনহাটের দুর্গানগর বিওপি থেকে নারায়ণগঞ্জ বিওপি’র দূরত্ব ৯৭ কিমি। দূরত্ব বেশি হওয়ার কারণে যেকোনও বিপর্যয়ে লাইন কাটের সম্ভবনার পাশাপাশি লো-ভোল্টেজের একটা সমস্যা থেকে যায়। তাই এই দু’টি সাব স্টেশন হলে দীর্ঘ এই লাইনগুলিকে ইনটার লিঙ্ক করে ছোট ফিডারে বিভক্ত করা সম্ভব হবে।
বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানির দিনহাটা ডিভিশনাল ম্যানেজার কল্যাণবর সরকার বলেন, সীমান্ত এলাকায় বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা ক্রমে বাড়ছে। সীমান্তে ফ্লাডলাইট জ্বালানোর প্রয়োজন হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় বাড়তি বিদ্যুতের চাহিদা অনেকেটাই মিটবে নতুন করে দু’টি সাব স্টেশন চালু হলে।
বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানির দিনহাটা ডিভিশনাল ম্যানেজার কল্যাণবর সরকার বলেন, সীমান্ত এলাকায় বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা ক্রমে বাড়ছে। সীমান্তে ফ্লাডলাইট জ্বালানোর প্রয়োজন হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় বাড়তি বিদ্যুতের চাহিদা অনেকেটাই মিটবে নতুন করে দু’টি সাব স্টেশন চালু হলে।



